উত্তর : (১) অত্যাচারীর অত্যাচার প্রকাশ করার জন্য (২) সমাজ থেকে অন্যায় দূর করা এবং পাপীকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সাহায্য করার জন্য (৩) হাদীছের সনদ যাচাই ও ফৎওয়া জানার জন্য (৪) মুসলিমদেরকে মন্দ থেকে সতর্ক করা ও তাদের মঙ্গল কামনার ক্ষেত্রে (৫) পাপাচার ও বিদ‘আতে লিপ্ত হলে তা প্রকাশ করার ক্ষেত্রে (৬) প্রসিদ্ধ নাম ধরে পরিচয় দেওয়ার ক্ষেত্রে (নববী, রিয়াযুছ ছালেহীন, ২৫৬ অনুচ্ছেদ, পৃঃ ৫৭৫)






প্রশ্ন (৪/৪০৪) : সূরা ইখলাছ একবার পড়লে পবিত্র কুরআন একবার খতম করার ছওয়াব পাওয়া যায়। উক্ত মর্মে ছহীহ হাদীছ আছে কি? সূরা ইখলাছের ফযীলত সম্পর্কে জানতে চাই।
প্রশ্ন (২৬/৪৬৬) : এক ছাত্র লেখাপড়া না করে টাকা দিয়ে ৭টি সেমিষ্টার শেষ করেছে। এখন বাকী ৫টি সেমিষ্টার সে ভালভাবে লেখাপড়া করতে চায়। উক্ত সার্টিফিকেট দিয়ে চাকুরী করা হালাল হবে কি?
প্রশ্ন (২০/৬০) : কোন প্রসূতি বা ঋতুবতী মহিলা যদি ফজরের পূর্বেই পবিত্র হয় কিন্তু গোসল করতে না পারে, বরং ফজরের পরে গোসল করে, তাহ’লে তার ছিয়াম সিদ্ধ হবে কি?
প্রশ্ন (১৭/২৫৭) : কুরবানীর উদ্দেশ্যে ছাগল ক্রয়ের পর কারণবশতঃ তা বিক্রয় করে উক্ত অর্থ অন্য কাজে লাগানো যাবে কি?
প্রশ্ন (২০/৬০) : জাওনিয়ার সাথে রাসূল (ছাঃ)-এর বিবাহ হয়েছিল কি? তিনি কেন তাকে তালাক দিয়েছিলেন? - -ড. আব্দুল হান্নানরাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৯/৩৭৯) : ছালাতের সময় টুপি বা পাগড়ী পরা কি যরূরী? না পরলে সুন্নাতের খেলাফ হবে কি? জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৩/৯৩) : স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রীর অভিভাবক কে? পুত্র, জামাই না অন্য কেউ। সেক্ষেত্রে তিনি কি তার পুত্রের কথা অনুযায়ী চলতে বাধ্য থাকবেন? জামাই যদি তার অধিক পসন্দের হন এবং তিনি জামাইয়ের কথা মত চলেন সেটা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৮/৬৮) : কোন অসুস্থ বা মৃত ব্যক্তির অনেক বছরের ক্বাযা ছিয়াম বা ক্বাযা ছালাত তার সন্তান আদায় করে দিতে কিংবা ফিদইয়া দিতে পারবে কি? - -আব্দুল আহাদ, আসাম, ভারত।
প্রশ্ন (৪/১৬৪) : শারঈ দৃষ্টিতে সন্তানের ব্যক্তি স্বাধীনতা কতটুকু? নাকি সব ক্ষেত্রেই পিতা-মাতার পরামর্শ ও নির্দেশনা থাকা যরূরী?
প্রশ্ন (২৭/৬৭) : ‘যে ব্যক্তি নিজেকে চিনেছে, সে তার প্রভুকে চিনতে সক্ষম হয়েছে’ হাদীছটি কি ছহীহ? - -মাহবূব হাসান, তেরখাদিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১/২৮১) : জনৈক লেখক বলেন যে, বাঁশির শব্দে ইবনু ওমর (রাঃ) কানে আঙ্গুল দেয়াতে গান হারাম হয়েছে তা বলা যায় না (সৌভাগ্যের পরশমণি)। আবার রাসূল (ছাঃ) নিজে কানে আঙ্গুল দিয়েছিলেন কিন্তু ইবনু ওমর (রাঃ)-কে তা করতে বলেননি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও খলীফাদের যুগে বাদ্যযন্ত্র ও গান নিষেধ ছিল না; বরং তা উপভোগ করা হত (তাবারী)। তিনি আরো বলেন, কুরআনে এমন কোন আয়াত নেই যা গানকে হারাম করে। তাই ইবনে হাজার, ইবনু খাল্লিকান, জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী, গাযালী প্রমুখ বিদ্বানদের মতে বাদ্যযন্ত্রসহ গান শোনা বৈধ। যদি তা সৎ উদ্দেশ্যে এবং কল্যাণকর কথা হয়। উক্ত দাবীগুলো কি সত্য? সৌভাগ্যের পরশমণি’ এবং ‘এহইয়াউ উলূমিদ্দীন’ বইগুলো কি গ্রহণযোগ্য?
প্রশ্ন (১৩/২৯৩) : জেনে-শুনে মসজিদ সোজা করার উদ্দেশ্যে ক্বিবলা থেকে কিছুটা বিচ্যুত হয়ে ছালাত আদায় করা যাবে কী?
আরও
আরও
.