উত্তর : এটি কুসংস্কার। এতে বিশ্বাস করা শিরক। কারণ এখানে আল্লাহকে বাদ দিয়ে সাগরের পানিকে ব্যবসায় বরকতদাতা হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। অথচ ব্যবসায় বরকত রয়েছে সত্য কথা বলা এবং পণ্যের প্রকৃত অবস্থা তুলে ধরার মধ্যে (বুখারী হা/২০৭৯; মিশকাত হা/২৮০২)। এছাড়া ব্যবসার কার্যক্রম সকাল সকাল শুরু করাতেও বরকত রয়েছে (আবুদাউদ হা/২৬০৬; মিশকাত হা/৩৯০৮)

প্রশ্নকারী : জাহাঙ্গীর আলম, মাস্কাট, ওমান।








প্রশ্ন (৪/২০৪) : কবীরা ও ছগীরা গোনাহের মধ্যে পার্থক্য কি? কিছু কবীরা ও ছগীরা গোনাহের উদাহরণ জানতে চাই।
প্রশ্ন (১১/৫১) : সবার সম্মতিক্রমে জামে মসজিদ স্থানান্তর করা যাবে কি? প্রচলিত আছে যে, মসজিদ স্থানান্তর করা যায় না। এ কথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৪/৫৪) : এ্যালকোহলযুক্ত লোশন মাখা অবস্থায় ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৯/৬৯) : যোহর, আছর, মাগরিব একত্রে জমা-ক্বছর করার ক্ষেত্রে অথবা ক্বাযা আদায়ের ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা রক্ষা করা যরূরী কি? - -আব্দুল্লাহ, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (৩/৩৬৩) : রাসূল (ছাঃ) কুষ্ঠ রোগীর হাত ধরে একত্রে খেয়েছেন মর্মে কোন হাদীছ আছে কি? সেটা ছহীহ হ’লে অন্যান্য হাদীছের সাথে এর সমন্বয় কি হবে?
প্রশ্ন (২২/১০২) : একদিন গভীর রাতে ওমর (রাঃ) বাড়ী ফিরার সময় শুনতে পেল জঙ্গলের মধ্যে ছোট্ট কুঠিরে এক মহিলা বিরহের গান বলছে। তখন তিনি রেগে বাড়ীর ভিতরে ঢুকে বললেন তুমি এ গান গেয়ে অপরাধ করেছ। প্রতি উত্তরে মহিলা বলল আপনি দু’টি অপরাধ করেছেন। ১টি হ’ল আমার বেড়ার বাড়ী ভেঙ্গেছেন, অপরটি হ’ল বিনা অনুমতিতে আমার বাড়ীর ভিতরে প্রবেশ করেছেন। এ সময় ওমর (রাঃ) কি বলেছিলেন তা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৫/৪৫) : জনৈক ব্যক্তি দাবী করেন যে, তিনি জিনের সাথে কথা বলেন এবং তাদেরকে দিয়ে বিভিন্ন কাজ করিয়ে নেন। একাজে তিনি কুরআনের কিছু শব্দ ও বাক্য ব্যবহার করেন। এক্ষণে এভাবে কথা বলা বা কাজ করিয়ে নেয়া সম্ভব বা জায়েয কি?
প্রশ্ন (৪০/২০০) : সূরা কাহফের বিশেষ কোন ফযীলত আছে কি?
প্রশ্ন (৩১/৩১) : আমাদের অফিসে হিন্দু বাবুর্চি রান্না করে। তাদের হাতের রান্না খাওয়া যাবে কি ? - -মাজেদুল ইসলামউত্তরা, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৬/৩০৬) : ছিয়াম অবস্থায় মিসওয়াক করা যাবে কি? - -আখতার, মুর্শিদাবাদ, ভারত।
প্রশ্ন (২১/৩০১) : পিতার অবর্তমানে আমার অমতে বড় ভাই আমাকে বিবাহ দেন। বিবাহে আমি কবুল বলিনি এবং কাবিননামায় স্বাক্ষর করিনি। এরপর সংসার হয়, সন্তান হয়। একসময় আমরা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। কিন্তু স্বামী তালাক দিতে রাযী নন। আর আমার পরিবার ডিভোর্সের ব্যাপারে রাযী নয়। পরে সরকারী নিয়ম অনুযায়ী খোলা তালাকের চিঠি দেই। তারপর বড় ভাইয়ের অনুমতি ছাড়া নিজে ব্যক্তিগতভাবে অন্যজনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। পরে জানতে পারি অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিবাহ জায়েয নয়। বর্তমানে আলাদা আছি। অভিভাবকের সম্মতি আদায়ের চেষ্টা চলছে। কিন্তু তাদের কথা পূর্বের স্বামীর কাছে ফিরে না গেলে তারা কোন সম্পর্ক রাখবে না। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৭/৪১৭) : ঈদায়নের তাকবীর সমূহ ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত কি?
আরও
আরও
.