উত্তর : পিতা সুস্থ অবস্থায় তার কন্যা সন্তানদের বা ছেলে সন্তানদের প্রয়োজন মাফিক সম্পত্তি হেবা করতে পারবেন। তবে অছিয়ত করতে পারবেন না। কারণ ওয়ারিছদের জন্য কোন অছিয়ত নেই (বুখারী হা/২৭৪৭; মিশকাত হা/৩০৭৪)। পিতা অন্যান্য ওয়ারিছদের বঞ্চিত না করার নিয়ত রেখে প্রয়োজন মত সম্পত্তি ছেলে বা মেয়েদের ইনছাফের ভিত্তিতে হেবা করতে পারবেন। কারণ একজন সুস্থ ব্যক্তি তার সম্পদ খরচ করা বা দান করার ব্যাপারে স্বাধীন। আবুবকর (রাঃ) তাবূক যুদ্ধের পূর্বে তাঁর যাবতীয় সম্পত্তি দান করেছিলেন (আবুদাউদ হা/১৬৭৮; মিশকাত হা/৬০২১, সনদ হাসান)। ইবনু কুদামাহ বলেন, হাদীছ প্রমাণ করে যে, সন্তানদের মাঝে সমতা করা ওয়াজিব। অন্যান্য ওয়ারিছেরা এর স্থলাভিষিক্ত নয় (মুগনী ৬/৫৪)। তবে একাধিক ছেলে বা মেয়েদের মাঝে হেবা করলে সমতা বিধান করা আবশ্যক। অনুরূপভাবে একাধিক স্ত্রীর মাঝে হেবা করলে সমতা রাখা আবশ্যক (মুসলিম হা/১৬২৩; মিশকাত হা/৩০১৯)

প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ, কাকনহাট, রাজশাহী।








বিষয়সমূহ: মীরাছ
প্রশ্ন (১৬/১৬) : আমাদের ৪ বছরের বিবাহিত জীবনে অনেকবার ঝগড়ার সময় স্বামী আমাকে বলেছেন, তোমার ভালো না লাগলে বাড়ি চলে যাও আর আসতে হবে না, বা কখনো বলেছেন, বাড়ি চলে যাও। যদিও কখনো আমরা ১ মাসও আলাদা অবস্থান করিনি। স্বামী এসব কথা ‘কেনায়া তালাক’ হিসাবে গণ্য হবে কি? বিশেষত স্বামী যদি তালাকের নিয়তে এরূপ বলে থাকেন?
প্রশ্ন (২৫/৩০৫) : ফজরের ফরয ছালাতের পর যিকির-আযকারের নেকী পেতে চাই। কিন্তু শহরের মসজিদগুলি ফজরের ছালাতের পরপরই বন্ধ করে দেওয়া হয়। এক্ষণে উক্ত ইবাদত করার উপায় কি? এছাড়া সুন্নাত ছালাতের ৩য় বা ৪র্থ রাক‘আতে সূরা মিলাতে হবে কি? - -আব্দুল্লাহ যামান, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (১২/৪১২) : আমাদের এলাকায় বন্ধক দু’ভাবে হয়ে থাকে। যেমন আমার এক বিঘা জমি আছে, টাকার প্রয়োজন, কিন্তু জমি বিক্রি করা সম্ভব নয়। অন্য একজনের কাছ থেকে ১ লক্ষ টাকা নিয়ে আমার জমি তাকে দিলাম। সেক্ষেত্রে যতদিন টাকা ফেরত না দিচ্ছি ততদিন এই জমি তার দখলে থাকবে এবং তিনি চাষাবাদ করবেন এবং এর থেকে প্রাপ্ত সকল ফসল তিনি নিজেই ভোগ করবেন। দ্বিতীয়তঃ জমি আমার দখলে থাকবে এবং আমিই এর চাষাবাদ করবো। যদি তিনি চাষাবাদের খরচ বহন করেন তাহ’লে ফসলের অর্ধেক ভাগ পাবেন আর চাষাবাদের খরচ বহন না করলে ৩ ভাগের এক ভাগ ফসল পাবেন। আমি বিভিন্নভাবে জানতে পেরেছি প্রথম নিয়মটি স্পষ্ট সূদ। এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে দ্বিতীয় নিয়মে বন্ধক দিলে সেটা কি সূদ হবে?
প্রশ্ন (২০/৩৮০) : তাবলীগ জামা‘আতের সাথে ৪০ দিনের চিল্লায় গিয়ে জানতে পারলাম যে, দাওয়াতের কাজে বের হয়ে নিজের প্রয়োজনে ১ টাকা খরচ করলে ৭ লক্ষ টাকা ছাদাক্বা করার সমান ছওয়াব পাওয়া যায়। একবার সুবহানাল্লাহ বললে ৪৯ কোটি ছওয়াব আমলনামায় লেখা হয়। এসব কথা কি সঠিক? দাওয়াতী কাজের সঠিক পদ্ধতি জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৭/৩৫৭) : মহিলাদের ব্যাপারে হজ্জের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হ’ল মাহরাম থাকা। এক্ষণে কোন মহিলা তার ছোট বোন ও ছোট বোনের স্বামীর সাথে হজ্জ পালন করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (২৮/৪২৮) : গরু কুরবানীর সাথে বিবাহের ওয়ালীমা বা আক্বীক্বার নিয়ত করা যাবে কি? - -ইকবাল হোসাইন, সুরীটোলা, ঢাকা।
প্রশ্ন (১১/৩৩১) : শ্বশুর ছূফীবাদে বিশ্বাসী। তাছাড়া শ্বশুরবাড়ীর লোকজন ছেলে-মেয়েদের মাঝে চরম বৈষম্য করে এবং শাশুড়ী অশালীন ভাষায় গালি-গালাজ করে। এই ধরনের আত্মীয়ের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করা কতটুকু আবশ্যক?
প্রশ্ন (২১/১৪১) : জাহান্নামের কাজ-কর্মে ১৯ জন ফেরেশতা রয়েছেন। তাদের ৭০ হাযার ডান হাত ও ৭০ হাযার বাম হাত রয়েছে। প্রত্যেক হাতে ৭০ হাযার তালু আছে, প্রত্যেক তালুতে ৭০ হাযার আঙ্গুল আছে। প্রত্যেক আঙ্গুলের মাঝে ৭০ হাযার অজগর সাপ আছে। প্রত্যেক সাপের মুখে একটি করে দেশী সাপ আছে। আর দেশী সাপের দৈর্ঘ্য ৫০০ বছরের রাস্তা। প্রত্যেক সাপের মুখে ১টি করে বিচ্ছু আছে। ঐ বিচ্ছু একবার কামড় দিলে ৭০ বছর জ্ঞান থাকবে না। এ হাদীছটি কি ছহীহ?
প্রশ্ন (১৯/১৩৯) : নিয়মিত নেশা করা, কালো খেযাব ব্যবহার করা, টাখনুর নীচে কাপড় পরা প্রভৃতি কবীরা গোনাহে অভ্যস্ত ব্যক্তির জন্য ফরয ইবাদত করার কোন প্রয়োজন আছে কি? - -এম, এ, মুঈদ, ধানমন্ডি, ঢাকা।
প্রশ্ন (৪/১৬৪) : কবরের আযাবের বিষয়টি কুরআনের আয়াত দ্বারা প্রমাণিত কি? কবরের আযাব অস্বীকারকারীর পরিণতি কি? - -হাসান, চরমিরকামারী, ঈশ্বরদী, পাবনা।
প্রশ্ন (২/৩৬২) : অমুসলিম ব্যক্তি সারা জীবন আর্ত-মানবতায় সেবা সহ নানা জনহিতকর কাজ করে মৃত্যুবরণ করলে তার আখেরাতে মুক্তি পাওয়ার কোন সম্ভাবনা আছে কি?
প্রশ্ন (১৫/১৫) : বিবাহ হারাম এমন ব্যক্তিদের সামনে পর্দা করা আবশ্যক নয়। এক্ষণে বোন জীবিত থাকা অবস্থায় দুলাভাইয়ের সামনে পর্দা না করলে গোনাহ হবে কি?
আরও
আরও
.