উত্তর : মনোযোগ দিয়ে কুরআন শ্রবণ করলে কুরআন খতমের ছওয়াব প্রাপ্তির আশা করা যায়। ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘নিশ্চয়ই কুরআনের শ্রোতার জন্যও পাঠকের মতোই ছওয়াব রয়েছে’ (মাজমূঊল ফাতাওয়া ২২/২৯৬)। শায়েখ বিন বায ও শায়েখ ওছায়মীন একই মন্তব্য করেছেন। তবে তারা একথাও বলেছেন যে, নাজাতের জন্য কুরআন কেবল শ্রবণ করাই যথেষ্ট নয় বরং তেলাওয়াত করা কর্তব্য (ফাতাওয়া নুরুন আলাদ-দারব ৫/২; তাফসীরে সা‘দী ১/৩১৪)। কেননা কুরআনের তেলাওয়াত শ্রবণ করা আর কুরআন তেলাওয়াত এক বিষয় নয়। বরং তেলাওয়াতকারীর জন্য বিশেষ ফযীলত রয়েছে, যা শ্রবণকারীর জন্য নেই। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাবের একটি হরফ পাঠ করল, সে একটি নেকী পেল। আর প্রত্যেক নেকীর ছওয়াব হ’ল তার দশ গুণ (আন‘আম ১৬০)। আমি বলি না যে, ‘আলিফ লাম মীম’ একটি হরফ। বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ ও মীম একটি হরফ’ (তিরমিযী হা/২৯১০; মিশকাত হা/২১৩৭)। অতএব প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য হ’ল কুরআন শিক্ষা করা।
প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ রাইসান, মান্দা, নওগাঁ।