১১ হিজরী সনের ১লা রবীউল আউয়াল এক শোকাবহ সোমবার। এই দিনে বিশ্বমানবতার নবী, সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল মুহাম্মাদ (ছাঃ) তাঁর প্রিয় উম্মাহকে গভীর শোকের সাগরে ভাসিয়ে স্বীয় রবের সান্নিধ্যে চলে গেলেন। আইয়ামে জাহেলিয়াতের প্রগাঢ় অন্ধকারে নিমজ্জিত দ্বন্দ্বমুখ
বাগদাদ ছিল ইসলামী সভ্যতার হৃদস্পন্দন, জ্ঞান ও বিজ্ঞানের রাজধানী, ইতিহাসের বিস্ময়। এই নগরীর সৌন্দর্য ও ঐশ্বর্য যেন রূপকথার রাজপ্রাসাদে জ্বলতে থাকা পূর্ণিমার চাঁদের আলো। যার দীপ্তিতে মলান হয়ে যেত দুনিয়ার অন্য সব রত্ন। যেখানে বাতাসও যেন জ্ঞান ও সৌন্দর্য
প্রাচীন আইবেরিয়ান উপদ্বীপ রাষ্ট্র স্পেনের আন্দালুস বিজয়ের মাধ্যমে রোমান সভ্যতার ধ্বজাধারী ইউরোপ মহাদেশে ইসলাম ও মুসলিম শাসনের ভিত্তি প্রোত্থিত হয়। উমাইয়া খলীফার তরুণ বীর সেনাপতি তারিক বিন যিয়াদ (মৃ. ৭২০ খৃ.) নৌবহর নিয়ে মরক্কো থেকে আফ্রিকা ও ইউরোপকে ব
পৃথিবীতে প্রচলিত ধর্মগুলোর মধ্যে নিঃসন্দেহে ইসলামই একমাত্র অভ্রান্ত ও চূড়ান্ত সত্য ধর্ম। এই মহাসত্য ধর্ম পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের উপর ভিত্তিশীল। যা মহান প্রভু আল্লাহ তা‘আলার বাণী। আল্লাহ তা‘আলা মহিমান্বিত কুরআনে সংশয়বাদী, নাস্তিক, কাফের ও মুশরিকদে
ইসলাম ফিতরাতের ধর্ম। মানুষের ফিতরাত তথা সহজাত প্রবৃত্তিকে ইসলাম স্বীকৃতি দিয়েছে এবং তা পূরণের সঠিক, ভারসাম্যপূর্ণ ও কল্যাণকর নির্দেশনা দিয়েছে। এজন্য ইসলাম মানব প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। মানুষের জীবনে স্বভাবগত কিছু অনুভূত
এক সময়ের স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র আরাকান বর্তমানে মিয়ানমারের একটি প্রদেশ। এর উত্তর-পশ্চিমে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, উত্তর-পূর্বে মিয়ানমারের চিন রাজ্যের পাহাড় যা আরাকানকে মিয়ানমারের মূল ভূখন্ড থেকে পৃথক করেছে। পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ পানি
ইউরোপ মহাদেশের ছোট্ট একটি দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাস। এটি ভূমধ্যসাগরের দ্বীপগুলোর মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম দ্বীপ। সাইপ্রাসের পশ্চিমে গ্রিস, পূর্বে লেবানন, সিরিয়া, ফিলিস্তীন, উত্তরে তুরস্ক এবং দক্ষিণে মিসর অবস্থিত। ক্ষুদ্র আয়তনের এই দেশটি মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর
ইরাকের রাজধানী বাগদাদ ইসলামের প্রাচীন সমৃদ্ধশালী শহর ছিল। দজলা নদীর তীরবর্তী শহরটি দ্বিতীয় আববাসীয় খলীফা আল-মানছূর (১৩৬-১৫৮হি.) ১৪৪ অথবা ১৪৬ হিজরীতে নির্মাণ সমাপ্ত করেন।[1] সে সময় একে মদীনাতুস সালাম বা শান্তির শহর বলা হ’ত। তখন থেকে অদ্যাবধি এটি রাজধা