উত্তর : আহলে সুন্নাত ওয়াল জাম‘আতের আক্বীদা হ’ল- আল্লাহর কথার শব্দ এবং বর্ণ আছে। শব্দ না থাকলে মূসা (আঃ) কিভাবে শুনলেন? (ত্বোয়াহা ১৩-১৪)। আর শব্দের জন্য বর্ণ অপরিহার্য, যা আমাদের সামনে বিদ্যমান রয়েছে। বর্ণ না থাকলে কুরআন আসত কিভাবে? ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, এই ধরনের বিদ‘আতী প্রশ্ন তৃতীয় শতাব্দী হিজরীর পরে উদ্ভূত। এরা বলে, কুরআনের হরফসমূহ সৃষ্ট। আল্লাহ এগুলি সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু নিজে বলেননি। এগুলি তাঁর কালাম নয়। কেননা তাঁর কালামে কোন হরফ ও শব্দ নেই। জাহমিয়া, আশ‘আরিয়া, মাতুরিদিয়াহ প্রভৃতি ভ্রান্ত ফের্কাগুলি এইসব আক্বীদা পোষণ করে। অথচ এ বিষয়ে সালাফে ছালেহীনের বিশুদ্ধ আক্বীদা হ’ল এই যে, শব্দ ও বর্ণ সহ কুরআনের পুরাটাই আল্লাহর কালাম। যা স্বীয় রাসূলের উপর তিনি নাযিল করেছেন (ফাতাওয়া ইবনু তায়মিয়াহ ১২/২৪৩)। (সম্ভবত মূল ফিক্বহুল আকবরের মধ্যে প্রশ্নে যেভাবে বলা হয়েছে সেভাবে নেই)।






প্রশ্ন (২৪/২৬৪) : আমাদের মসজিদে ফজর ও মাগরিবের ছালাতের পরপরই নিয়মিতভাবে একজনের নেতৃত্বে একাধিক দো‘আ সমস্বরে পাঠ করানো হয়। ফলে মাসবূকদের মনোযোগ ব্যাহত হয়। এভাবে সমস্বরে নিয়মিত দো‘আ পাঠ করা শরী‘আত সম্মত কি? - আব্দুল হামীদ বাঁশদহা, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (৩৬/৩৯৬) : সন্তান প্রসবকালীন সময়ে কোন মহিলা মৃত্যুবরণ করলে তিনি কি শহীদের মর্যাদা লাভ করবেন?
প্রশ্ন (৩৪/৩৪) : এক ব্যক্তির উপর হজ্জ ফরয হয়েছে। আর তার আরেকজনকে হজ্জ করানোর সামর্থ্য রয়েছে। এক্ষণে সে প্রথমে স্ত্রীকে না মাকে হজ্জ করাবে? - -আহমাদুল্লাহনওদাপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৭/৪৭৭) : শাওয়াল মাসের ছিয়াম ধারাবাহিকভাবে রাখতে হবে কি? এছাড়া কারণবশতঃ এ মাসের মধ্যে সবকয়টি রাখা সম্ভব না হলে পরের মাসে ক্বাযা আদায় করা যাবে কি? - -আব্দুর রাযযাক, নশীপুর, বগুড়া।
প্রশ্ন (৭/১৬৭) : কোন ব্যক্তি তার ভাই, জামাই ও শ্যালককে নিয়ে ছেলের জন্য বউ দেখতে পারে কি? বিয়ের পর তাদের থেকে বউকে পর্দা করতে হবে কি?
প্রশ্ন (২/৩৬২) : অমুসলিম ব্যক্তি সারা জীবন আর্ত-মানবতায় সেবা সহ নানা জনহিতকর কাজ করে মৃত্যুবরণ করলে তার আখেরাতে মুক্তি পাওয়ার কোন সম্ভাবনা আছে কি?
প্রশ্ন (১৪/৪৫৪) : হজ্জ পালনকালে প্রায় ৪৫ দিন সেখানে অবস্থানকালে কোন কোন নফল ছালাত আদায় করা যাবে এবং কোনগুলি বর্জন করতে হবে? - -বদীউয্যামান, ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (১৯/৩৭৯) : জনৈক লেখক দাবী করেছেন, ইমাম আবু হানীফার জন্ম ৮০ হিজরীতে আর মৃত্যু ১৫০ হিজরীতে। ইমাম বুখারীর জন্ম ১৯৪ হিজরীতে আর মৃত্যু ২৫৬ হিজরীতে। সুতরাং আবু হানীফার কথা বাদ দিয়ে ইমাম বুখারীর সংগৃহীত হাদীছ গ্রহণ করা যাবে না। কারণ ইমাম বুখারীর চেয়ে ইমাম আবু হানীফা অনেক পূর্ববর্তী। উক্ত দাবীর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (১৫/৩৭৫) : অন্ধ ব্যক্তির জন্য আযান দেওয়া জায়েয নয়। অনেক ছাহাবী এটা অপসন্দ করেছেন- একথার সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (২৫/১০৫) : গ্রন্থ রচনা করে তা কোন ব্যক্তির নামে উৎসর্গ করা যাবে কি? - -আহমাদুল্লাহনওদাপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৩/১১৩) : ক্বাযা ছালাত আদায় করার সময় সুন্নাত আদায় করতে হবে কি? উক্ত সুন্নাত না পড়লে কি গোনাহ আছে?
প্রশ্ন (৩৪/৩৯৪) : ঈদগাহ নির্মাণ কাজে যাকাতের টাকা ব্যবহার করা যাবে কি?
আরও
আরও
.