উত্তর : রামাযান মাসে ওমরাহ করলে হজ্জের সমান নেকী পাওয়া যায় (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/২৫০৯)। প্রতি বছর ওমরা করা যায়। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, এক ওমরাহ থেকে পরবর্তী ওমরা-এর মধ্যবর্তী সকল (ছগীরা) গোনাহের জন্য কাফফারা স্বরূপ হয় (বুখারী; মুসলিম; মিশকাত হা/২৫০৮)। ছাহাবীগণের জীবন থেকে বছরে বহুবার ওমরাহ করার প্রমাণ পাওয়া যায় (আওনুল মা‘বূদ)। তবে নফল হজ্জ ও ওমরাহ না করে উক্ত অর্থ আল্লাহর রাস্তায় প্রচেষ্টাকারীদের এবং দরিদ্র ও অসহায় পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন ও ইয়াতীমদের সাহায্যে ব্যয় করা অধিক উত্তম (ফাতাওয়া ওছায়মীন, ২১/২৮ পৃঃ; মাজমূ‘ ফাতাওয়া বিন বায ১৬/৩৭১)






প্রশ্ন (১৭/৫৭) : আমরা আলেমদের নিকটে শুনেছি যে, ছিয়ামের ত্রুটি-বিচ্যুতি হ’লে তা ফিৎরা আদায়ের মাধ্যমে কাফফারা হয়ে যায়। এক্ষণে শিশুরা ছিয়াম পালন না করলেও তাদের জন্য ফিৎরা আদায়ের আবশ্যকতার কারণ কি? - -রবীউল ইসলামশিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (১/১৬১): ঈদ ও জুম‘আর ছালাতের এক রাক‘আত ছুটে গেলে কিভাবে আদায় করতে হবে? অনুরূপভাবে জানাযার ছালাতে তাকবীর ছুটে গেলে করণীয় কী?
প্রশ্ন (৫/৪৫) : আইয়ামে বীযের ছিয়াম মাসের যেকোন দিন রাখতে পারবে কি? - -আহমাদুল্লাহ, নওদাপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৩/৩৯৩) : যখন মসজিদে বা টেলিভিশনে আযান হয়, তখন মহিলা মাথায় ওড়না অথবা কাপড় তুলে দেয়। শরী‘আতে এধরনের কোন বিধান আছে কি?
প্রশ্ন (১৬/২৫৬) : স্বামী-স্ত্রী কতদিন যাবৎ পরস্পর থেকে দূরে থাকতে পারবে? প্রবাসী অনেককে বছরের পর বছর দূরে থাকতে দেখা যায়। এ ব্যাপারে শরী‘আতে কোন নির্দেশনা আছে কি?
প্রশ্ন (১০/১০): বিতর ছালাতের পরে ‘সুবহানাল মালিকিল কুদ্দূস’ বলা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৭/২৭৭) : স্ত্রী আদালতের মাধ্যমে স্বামীকে তালাক দিয়েছে। কিন্তু স্বামী স্ত্রীকে ছাড়তে রাযী নয়। এক্ষণে উক্ত স্ত্রীর জন্য করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩৭/৩১৭) : ক্বিয়ামতের আলামত ব্যতীত সাধারণভাবে মানুষের জন্য প্রধান ফিৎনাগুলি কি কি? - -ফারীহা রুবাইয়াতলক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৭/৩৮৭) : ছিয়াম অবস্থায় ডায়াবেটিস রোগীদের ইনসুলিন গ্রহণের বিধান কি? বিশেষতঃ যাদের দিনে কয়েকবার গ্রহণের প্রয়োজন হয়।
প্রশ্ন (৩৪/১৯৪) : সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের ছালাত আদায়ের পদ্ধতি বিস্তারিত জানতে চাই। - -ফাহীমা, কেঁড়াগাছি, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (৩৫/৭৫) : জনৈক ইমাম জুম‘আর খুৎবায় বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) একদা রাতে পেশাব করে হাড়িতে রেখে সকালে একজন ছাহাবী আসলে তাকে প্রস্রাবগুলি ফেলে দিতে বললেন। ছাহাবী পেশাবের হাড়িটাকে বাহিরে নিয়ে গিয়ে রাসূলের প্রতি মহববতের কারণে তা খেয়ে নেন। এরপর রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর কাছে আসলে তিনি বলেন, কি ফেলে দিয়েছ? তখন ছাহাবী চুপ থাকেন। বারবার জিজ্ঞেস করার পর লোকটি বলেন আমি তা খেয়ে ফেলেছি। ফলে উক্ত ছাহাবী মারা গেলে তার শরীর থেকে সুগন্ধি বের হয়। উক্ত বক্তব্যের সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৩/৪৩৩) : দাবা খেলাকে মাসিক আত-তাহরীকে হারাম বলা হয়েছে। কিন্তু ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর ‘হাদীসের নামে জালিয়াতি : প্রচলিত মিথ্যা হাদীস ও ভিত্তিহীন কথা’ বইয়ে এবং ড. ইউসুফ আল-কারযাভী রচিত ‘ইসলামে হালাল হারামের বিধান’ উল্লেখ আছে যে, এ বিষয়ে মারফূ‘ সূত্রে বর্ণিত কোন হাদীস নেই। এ সম্পর্কে সঠিক সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
আরও
আরও
.