উত্তর : যদি তারা অশালীন আচরণ করে অশ্লীলতা ছড়ায়, তাহ’লে তাদেরকে সহযোগিতা করা যাবে না। কারণ এতে পাপের কাজে সহায়তা করা হবে, যা নিষিদ্ধ (মায়েদাহ ৫/২)। তবে সাধারণ হিজড়া যারা অশ্লীলতা ছড়ায় না বা চাঁদাবাজি করে না তাদেরকে সাহায্য করা যাবে এবং নিয়ত অনুযায়ী নেকীও পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ। উল্লেখ্য যে, বর্তমান সমাজে অনেক হিজড়া দলবদ্ধ হয়ে নাচ-গান, ভয়-ভীতি প্রদর্শন বা অশালীন আচরণের মাধ্যমে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করে থাকে। এদের এই উপার্জন হারাম। একান্ত বাধ্যগত অবস্থা ব্যতীত এদেরকে স্বেচ্ছায় চাঁদা দেয়া যাবে না। আল্লাহ বলেন, তোমরা পাপ ও সীমালঙ্ঘনের কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা করো না’ (মায়েদাহ ৫/২)। প্রয়োজনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। উল্লেখ্য যে, দেশের সরকার ও প্রশাসনের উচিত এদের বিষয়ে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা ও এদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা।
প্রশ্নকারী : ফায়ছাল আহমাদ, নাটোর।