উত্তর : মৃতের ছেলে ও মেয়ে জীবিত থাকায় পৌত্রী কোন সম্পত্তি পাবে না। কারণ মৃতের নিকটতম আত্মীয় ছেলে ও মেয়েরা জীবিত আছেন। তবে দাদা ও চাচাদের উচিৎ ইয়াতীম মেয়েটির জন্য কিছু সম্পত্তি অছিয়ত করা বা পিতা জীবিত থাকলে যে পরিমাণ সম্পত্তি পেত সে পরিমাণ সম্পত্তি তার জন্য হেবা করা (বাক্বারাহ ২/১৮০; উছায়মীন, তাফসীরুল কুরআন ২/৩০৬-৭; বিন বায, ফাতাওয়াল জামে‘ইল কবীর)

প্রশ্নকারী : নাদিরা বেগম, নওদাপাড়া, রাজশাহী।







বিষয়সমূহ: মীরাছ
প্রশ্ন (৩৩/৩১৩) : ছিয়ামরত অবস্থায় ইনজেকশনের মাধ্যমে ঔষধ বা স্যালাইন দেওয়া হলে ছিয়াম ভঙ্গ হবে কি? - -আফতাব, কাহারোল, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (২১/১৮১) : বাসার আশেপাশে বিদ‘আতী মসজিদ হওয়ায় বাড়িতে নির্দিষ্ট মুছাল্লায় একাকী বা দুই একজন নিয়ে নিয়মিতভাবে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৯/১৯) : বিবাহের ৪ মাস পর স্বামী বিদেশে চলে যায়। কিছুদিন পর আমি জৈবিক চাহিদার কষ্টে অন্যত্র বিবাহ করার জন্য স্বামীর নিকটে তালাক চাই। কিন্তু স্বামী তাতে রাযী হয় না। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (২৬/২৬) : সাত আসমানের চেয়ে আল্লাহ্র আরশ বড় এবং আরশের চেয়ে আল্লাহ বহুগুণ বড়। এ বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩০/৩৯০) : রাসূল (ছাঃ)-এর মোট কতবার বক্ষবিদারণ হয়েছিল? বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২২/১০২) : ই‘তিকাফে প্রবেশ করার ও বের হওয়ার সঠিক সময় জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩০/১১০) : আয়না দেখে হারানো বস্ত্ত বের করার বিষয়টি গ্রামীণ সমাজে প্রচলিত রয়েছে। এতে বিশ্বাস করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৫/৩৫) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ছালাতের সাথে যদি আমাদের ছালাতে মিল না থাকে, তাহ’লে সে ছালাত কি আল্লাহর দরবারে কবুল হবে? যেমন মাযহাবী ভাইদের ছালাত?
প্রশ্ন (৮/৩৬৮) : মসজিদের সামনে বা মেহরাবের সামনে কালেমায়ে ত্বাইয়েবা বা কালেমায়ে শাহাদাত লেখা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৩/৩৫৩) : একটি জাতীয় দৈনিকে লেখা হয়েছে যে, ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) শতাধিক কিতাব লিখে ইসলামের মৌলিক সমস্যা সমাধানে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন বলেই ইসলাম মাযহাবী খুঁটির উপর দন্ডায়মান। বক্তব্যটির সত্যতা জানতে চাই। - -সাইফুল ইসলাম, কাজলা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৫/১১৫) : পাত্রের পিতা-মাতা উভয়ে মৃত। অভিভাবক হওয়ার মত কেউ নেই। এক্ষণে পাত্রীর পিতা-মাতার সম্মতি ও ব্যবস্থাপনায় বিবাহ সম্পন্ন করা যাবে কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, ঢাকা।
প্রশ্ন (২২/২২২) : বর্ণিত আছে যে, খলীফা থাকাকালীন সময়ে ওমর (রাঃ) সন্তানদের জন্য ঈদের কাপড় ক্রয় করতে না পেরে বায়তুল মাল-এর প্রধান আবু ওবায়দা (রাঃ)-কে তার এক মাসের অগ্রিম বেতন দেয়ার জন্য চিঠি পাঠান। পত্র পেয়ে তিনি অশ্রুসিক্ত হ’লেও উত্তর লিখলেন যে, অগ্রিম বেতন বরাদ্দের জন্য দু’টি বিষয় বিবেচনা করতে হবে। প্রথমতঃ আগামী মাস পর্যন্ত আপনি বেঁচে থাকবেন কি-না? দ্বিতীয়তঃ বেঁচে থাকলেও মুসলমানেরা আপনাকে খিলাফতের দায়িত্বে বহাল রাখবে কি-না? উত্তর পাঠ করে ওমর (রাঃ) এত বেশী ক্রন্দন করেন যে তাঁর দাড়ি ভিজে গেল। তিনি আবু ওবায়দার জন্য আল্লাহর নিকটে রহমত ও হায়াত বৃদ্ধির জন্য দো‘আ করলেন। ফলে আর ঈদের কাপড়ও কেনা হ’ল না। এ ঘটনার সত্যতা আছে কি? - নাছিরুদ্দীন, মিরপুর, ঢাকা।
আরও
আরও
.