উত্তর : ওলীর অনুমতি ছাড়া বিবাহ হ’লেও সেটি বিবাহের অনুরূপই (শিবহে নিকাহ) ছিল। সুতরাং যদি তাকে তিন তুহ্রে তিন তালাক দেওয়া হয়ে থাকে, তাহ’লে তাকে ফিরিয়ে নেওয়ার কোন উপায় নেই। ইবনু কুদামা বলেন, মতপার্থক্যপূর্ণ বিবাহের ক্ষেত্রে তালাক দিলে তালাক হয়ে যাবে। যেমন ওলীর অনুমতি ব্যতীত বিবাহ (আল- মুক্বনি‘ ফী ফিক্বহে ইমাম আহমাদ ১/৩৩৪; ইবনুল মুফলেহ, আল-মুবদী‘ ৬/২৯৯)। ইমাম আহমাদকে এব্যাপারে প্রশ্ন করা হ’লে তিনি বলেন, তালাক হয়ে যাবে। অতএব অন্যত্র বিবাহ হওয়ার পর তালাকপ্রাপ্তা না হ’লে ফিরিয়ে নিতে পারবে না (মাসায়েলে ইমাম আহমাদ ২/৩৩৮, মাসআলা নং ৯৭৫)। শায়খুল ইসলাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ)ও অনুরূপ ফৎওয়া দিয়েছেন (মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৩২/৯৯-১০০)






প্রশ্ন (২৬/২৬৬) : আমি রসায়নে অনার্স করে এ বিষয়ে দক্ষ শিক্ষক ও গবেষক হ’তে চাই। কিন্তু আমার মনে হচ্ছে যে আমি এই পড়াশুনা করে ধর্মীয় দিক দিয়ে পিছিয়ে যাব। এক্ষণে জেনারেল পড়াশুনা করেও দ্বীনের উপর টিকে থাকার জন্য আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩৩/৪৭৩) : বড় ফোঁড়া হয়ে একটানা পুঁজ-রক্ত বের হচ্ছে।এমতাবস্থায় ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৫/১৬৫) : পর্যাপ্ত জমি-জমা, ব্যবসা ও ব্যাংক ব্যালান্স আছে। কিন্তু করব করব করে হজ্জ করা হয়নি। এমতাবস্থায় হজ্জ না করে মারা গেলে আমার পাপ হবে কি?
প্রশ্ন (৩০/৩৫০) : বিদায় হজ্জের পর রাসূল (ছাঃ) মাতা আমীনার কবরে গিয়ে দো‘আ করলে আল্লাহ তা‘আলা তাকে জীবিত করেন এবং তিনি রাসূল (ছাঃ)-এর উপর ঈমান আনেন মর্মের বর্ণনাটি সহ রাসূল (ছাঃ)-এর পিতা-মাতার ঈমান আনা সম্পর্কিত বর্ণনাগুলো ছহীহ কি?
প্রশ্ন (২১/৪৬১) : নিয়মিত লেখা-পড়া না করার কারণে শৈশবে আমার পিতা আমাকে রাগের মাথায় বলেছিলেন যে, পড়াশুনা না করলে রাখালের সাথে বিয়ে দিয়ে দিব। কিন্তু সেখানে উপস্থিত রাখাল কিছু বলেনি। বরং আমি আমার পিতার কথার প্রতিবাদ করেছিলাম। বর্তমানে শৈশবের ঐ কথাটি মনে করে আমি অত্যন্ত দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছি। এমনকি মানসিক রোগী হয়ে গেছি? উক্ত কথার কারণে বিবাহ কি সম্পন্ন হয়েছিল? যেহেতু হাদীছে বিবাহ, তালাক ও রাজা‘আত নিয়ে হাসি-তামাশা করতে নিষেধ করা হয়েছে। আর হাসি-তামাশা করে বললেও উক্ত তিনটি বিষয় সম্পন্ন হয়ে যায় বলে হাদীছে উল্লেখিত হয়েছে। ঐ বিবাহ সম্পন্ন হয়ে থাকলে এক্ষণে আমার করণীয় কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকবিশ্বনাথপুর, শিবগঞ্জ, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (৩/২৮৩) : আমি বিভিন্ন সময়ে জাগতিক নানা কারণে পবিত্র কুরআন স্পর্শ করে একাধিকবার মিথ্যা কসম খেয়েছি। এ কারণে আমাকে কি প্রতিটি কসমের জন্য পৃথক পৃথক কাফফারা দিতে হবে? নাকি সকল পাপের কথা স্মরণ করে তওবা করাই যথেষ্ট হবে?
প্রশ্ন (৩১/৩৫১) : ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) এত বড় মুহাদ্দিছ হওয়া সত্ত্বেও তার গ্রন্থে যঈফ হাদীছ কেন? - -কাবীর হোসাইন, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৪০/১৬০) : একটি হাদীছে এসেছে যে, শা‘বান মাসে বেশী বেশী ছিয়াম রাখার কারণ জিজ্ঞেস করা হ’লে রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘এ বছর যারা মারা যাবে, তাদের নাম এই মাসেই লিখে নেয়া হয়। এজন্য আমি পসন্দ করি যে, আমার নামটা যখন তালিকাভুক্ত করা হবে, তখন যেন আমি ছিয়ামরত থাকি’। হাদীছটি কি ছহীহ?
প্রশ্ন (৪০/২৪০) : বিভিন্ন কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পূর্বে নির্দিষ্ট অংকের চাঁদা নেওয়া হয়। তারপর কয়েকজনকে পুরস্কৃত করা হয়। অন্যেরা বঞ্চিত হয়। এটা কি জুয়া হিসাবে গণ্য হবে না?
প্রশ্ন (১৪/১৭৪) : তায়াম্মুমের পরও কি ওযূর দো‘আ পাঠ করতে হবে?
প্রশ্ন (৩৪/২৩৪) : পৃথিবী ছাড়া অন্য গ্রহে জীবনের কোন অস্তিত্ব আছে কি? এ ব্যাপারে কুরআন ও হাদীছে কোন ইঙ্গিত পাওয়া যায় কি? - শহীদ হাসান, ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (৩৯/২৩৯) : পশ্চিমবঙ্গের একজন সুপরিচিত আলেম তাঁর সম্পাদিত মাসিক পত্রিকায় (৩৮/৪ সংখ্যা, এপ্রিল ২০১০) লিখেছেন যে, বিগত ১৪ শো বছর ধরে মৃত ব্যক্তিকে দাফন করার পর মুসলিম উম্মাহ কবরের আশপাশে দাঁড়িয়ে সবাই মিলে দুই হাত তুলে দু‘আ করে আসছেন। তিনি দলীল দিয়েছেন, ‘ইস্তাগফিরু লি আখীকুম (আবুদাঊদ হা/৩২২১)। দয়া করে এবিষয়ে সঠিক উত্তর দানে বাধিত করবেন।
আরও
আরও
.