উত্তর : ছহীহ হাদীছের প্রমাণ ব্যতীত কুরআনের নির্দিষ্ট কোন আয়াত নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ও নির্দিষ্টবার পাঠ করা যাবে না। এটা বিদ‘আত। তবে কুরআন মানসিক ও শারীরিক ব্যাধির মহৌষধ (ইবনুল ক্বাইয়িম, যাদুল মা‘আদ ৪/৩২২-৩২৩)। তাই কাঙ্ক্ষিত উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ অর্থবোধক আয়াত অনির্দিষ্টবার পাঠ করায় কোন বাধা নেই। কারণ একই দো‘আ বার বার পাঠ করা যায় (উছায়মীন, ফৎওয়া নূরুন আলাদ দারব ১/৩৬)। রাসূল (ছাঃ) অধিকাংশ সময় তিনবার করে দো‘আ পড়তেন (মুসলিম হা/১৭৯৪; মিশকাত হা/৫৮৪৭)। এছাড়াও তিনি কোন দো‘আ ৩ বার, ৭ বার, ৩৩ বার এবং ১০০ বার করে পাঠ করেছেন। যা ছহীহ হাদীছ সমূহ দ্বারা প্রমাণিত।






প্রশ্ন (১২/৯২) : সূরা আ‘লা পাঠ করার সময় ‘সুবহানা রবিবয়াল আ‘লা আল-মুকতাদিরাহ’ পাঠ করা যাবে কি? - -ইমরোজ হাসান, শেরপুর, বগুড়া।
প্রশ্ন (২১/১০১) : আমার স্ত্রী সন্তান সম্ভাবা হয়েছিল। কিন্তু আমার অজান্তে সে সন্তানটিকে নষ্ট করেছে। এতে আমার সম্মতি ছিল না। এখন এ স্ত্রীর প্রতি আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (২২/১৪২) : মুসলিমের (মুসলিম হা/১৮২৭) একটি হাদীছে বলা হয়েছে, আল্লাহর উভয় হাতই ডান। অন্য হাদীছে (মুসলিম হা/২৭৮৮) তাঁর বাম হাতের কথা এসেছে। উভয় হাদীছের বৈপরিত্যের সমাধান কি?
প্রশ্ন (১/১৬১) : আমি গহনার দোকানের হেড ম্যানেজার। আমাদের ব্যবসার পলিসিতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণার আশ্রয় নিতে হয়। যেমন পুরাতন গহনা ঘষে-মেজে নতুন বলে বিক্রি করা, পুরাতন স্বর্ণ ক্রয়ের ক্ষেত্রে নানা টাল-বাহানা, গোঁজামিল ও প্রকৃত মূল্য গোপন করা ইত্যাদি। মালিকের নির্দেশনায় এসব কাজ আমাকে করতে হয়। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (২১/১০১) : সূদখোর মুসলিম ব্যক্তিকে সালাম দেয়া যাবে কি? জায়েয হ’লেও দেয়া উচিত কি-না?
প্রশ্ন (১৭/২৫৭) : মুসলিম উম্মাহর বড় ধরনের কল্যাণে আসবে এরকম কিছু অর্জনের জন্য মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া যায় কি?
প্রশ্ন (২৭/৩৮৭) : ফরয ছালাত আদায়কালে নিষিদ্ধ সময় চলে আসলে ছালাত চালিয়ে যেতে হবে না ছেড়ে দিতে হবে?
প্রশ্ন (৬/৪০৬) : সূরা ইখলাছ ১০ বার পাঠ করলে জান্নাতে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করা হবে। একথার সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (২৬/৩৮৬) : জনৈকা মহিলা বিগত বছরের কিছু ক্বাযা ছিয়াম পালন করেনি। যখন স্মরণ হয়েছে তখন পরবর্তী রামাযান উপস্থিত। এক্ষণে তাকে রামাযানের ছিয়াম না ক্বাযা ছিয়াম সর্বাগ্রে আদায় করতে হবে? - -আব্দুল আলীমখালতিপুর, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
প্রশ্ন (৩২/৩৫২) : জনৈক ব্যক্তি ইমামকে কুরবানীর পশু যবহ করার জন্য অনুরোধ জানায়। তাকে বলা হয় এটি নিযামের পক্ষ থেকে কুরবানী হবে। ইমাম ভুলে তার নাম না বলে তার ছোট ভাই ফরীদের নামে দো‘আ পাঠ করে কুরবানী যবহ করে। এক্ষণে কুরবানী কার পক্ষ থেকে হ’ল?
প্রশ্ন (২২/২২২) : চোর তওবা করার পূর্বে মারা গেলে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (২৬/১০৬) : খলীফাগণের নির্বাচন পদ্ধতি কি ছিল?
আরও
আরও
.