উত্তর : গণকের নিকট গিয়ে রাশি গণনা করা, তার কথা বিশ্বাস করা, তার দেয়া আংটি ও পাথর ব্যবহার করা হারাম। এতে তার ৪০ দিনের ছালাত কবুল হবে না। আর সে হবে নবী (ছাঃ)-এর আনিত বিধানকে অস্বীকারকারী (মুসলিম, মিশকাত হা/৪৫৯৫)






প্রশ্ন (৩১/৩১) : একজন মুসলমানের কোন কোন অপরাধের জন্য তার জানাযা পড়া ইমাম বা পরহেযগার ব্যক্তির জন্য হাদীছে নিষেধ রয়েছে? আবার কোন কোন অপরাধ থাকা সত্ত্বেও তার জানাযা পড়া যায় বলে উল্লেখ রয়েছে?
প্রশ্ন (৪/৪৪) : কবরে যারা মুক্তি পেয়ে সুখে-শান্তিতে অবস্থান করবে, বিচারের পর তাদের জাহান্নামে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে কি? - -জসীমুদ্দীন, দক্ষিণপাড়া, মহাখালী, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৭/৩৮৭) : ফরয ছালাত আদায়কালে নিষিদ্ধ সময় চলে আসলে ছালাত চালিয়ে যেতে হবে না ছেড়ে দিতে হবে?
প্রশ্ন (১৯/১৩৯) : নিয়মিত নেশা করা, কালো খেযাব ব্যবহার করা, টাখনুর নীচে কাপড় পরা প্রভৃতি কবীরা গোনাহে অভ্যস্ত ব্যক্তির জন্য ফরয ইবাদত করার কোন প্রয়োজন আছে কি? - -এম, এ, মুঈদ, ধানমন্ডি, ঢাকা।
প্রশ্ন (২১/৬১) : আমার অতীত জীবনে অনেক ফরয ও সুন্নাত ছালাত ক্বাযা হয়েছে। এখন কি সেই ছালাতগুলো পড়তে পারব? পড়তে হলে তার নিয়ম কি?
প্রশ্ন (২৪/২৪) : আজকাল ছেলে-মেয়েদের অনেকেই পিতা-মাতার অজান্তে সাজানো অভিভাবকের মাধ্যমে কোর্ট ম্যারেজ করে একত্রে বসবাস করছে। অভিভাবকরাও মান-সম্মানের ভয়ে বিষয়টি প্রকাশ করেন না। পরবর্তীতে কোন এক পর্যায়ে পুনরায় ঘটা করে পূর্ণ সামাজিক প্রথায় বিবাহ প্রদান করা হয়ে থাকে। এক্ষণে দ্বিতীয় বিবাহের পূর্ব পর্যন্ত বর-কনের মেলামেশা বৈধ হিসাবে গণ্য হবে কি?
প্রশ্ন (১১/৩৭১) : কোন নারী বা পুরুষ কর্তৃক একে অপরকে সরাসরি বিবাহের প্রস্তাব দেওয়া শরী‘আতসম্মত কি? - আজমাল হোসাইন, পুঠিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৭/১১৭) : ছালাতের মধ্যে ইমামের তেলাওয়াতে রাসূল (ছাঃ)-এর নাম আসলে দরূদ পাঠ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২২/২২২) : আমার বয়স ১২ হ’লেও বালেগ হওয়ায় মসজিদে পাঁচওয়াক্ত ছালাত আদায় করতে চাই। কিন্তু পিতা-মাতা মসজিদে বিশেষত মাগরিবের ছালাতে যেতে দিতে চায় না। প্রহার করে। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (২২/৩৪২) : জনৈক আলেম বলেন, হযরত ইবরাহীম (আঃ) জীবনে ৩টি মিথ্যা কথা বলেছিলেন। কথা তিনটি কি কি এবং এভাবে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়ার ব্যাখ্যা কি? - -তাওফীক, বাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৮/৪২৮) : আমরা জানি, মেঘের উপরে থাকে পজিটিভ চার্জ আর নীচে থাকে নেগেটিভ চার্জ। যেহেতু বিপরীতধর্মী চার্জ পরস্পরকে আকর্ষণ করে। তাই এই পজিটিভ চার্জ ও নেগেটিভ চার্জ পরস্পরের সংস্পর্শে আসলে উপর থেকে নীচের দিকে চার্জের নির্গমন ঘটে। এর ফলে শক্তির নিঃসরণ ঘটে, শব্দ হয় ও আলোর ঝলকানি সৃষ্টি হয়। কিন্তু হাদীছে (তিরমিযী হা/৩১১৭) এই শব্দকে ফেরেশতাদের হাকডাক বলা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে, এ হাকডাক দিয়েই মেঘমালাকে নির্দিষ্ট দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (১৭/২৯৭) : সকালে নিয়মিতভাবে সূরা ইয়াসীন পাঠ করার কোনফযীলত আছে কি?
আরও
আরও
.