উত্তর : উক্ত কথা সঠিক নয়। কারণ অতি বৃষ্টি কোন কোন সময়ে গযব হিসাবে দেখা দিতে পারে। কিন্তু তা সত্ত্বেও সে পানি পান করা বা ব্যবহার করা নিষেধ নয়। অনুরূপভাবে শিলাবৃষ্টিও ধরতে এবং খাওয়াতে কোন সমস্যা নেই। কারণ আল্লাহ্ তা‘আলা সব কিছুকেই মানুষের উপকারের জন্য সৃষ্টি করেছেন (বাক্বারাহ ২৯)।






প্রশ্ন (৬/৪৬) : জনৈক ব্যক্তি কাদিয়ানী মতবাদের অসারতা প্রমাণের জন্য রাসূল (ছাঃ)-এর পর কোন নবী আসবেন না বলে আল্লাহর নামে কসম খেয়ে ৫ম বার বলেন ‘আমি যদি মিথ্যা বলি তবে আমার উপর গযব নাযিল হৌক’। দাওয়াতী ক্ষেত্রে এভাবে কসম খাওয়ায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (২২/২৬২) : স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া কেবল ইহসানের নিয়তে কোন ইয়াতীম, তালাকপ্রাপ্তা বা অসহায় নারীকে গোপনে বিবাহ করা জায়েয হবে কি? এছাড়া প্রথম স্ত্রীকে খুশী রাখতে ২য় স্ত্রী যদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বেচ্ছায় ছাড় দেয়, তা গ্রহণ করলে গুনাহগার হতে হবে কি? - -হাবীবুল্লাহ, নারায়ণগঞ্জ।
প্রশ্ন (১৪/২৯৪) : কুরআন-হাদীছ থেকে দো‘আ পড়ে পানিতে ফুঁক দিয়ে সেই পানি খাওয়া বা তা দিয়ে গোসল করায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৮/৩৩৮) : শিশুদের অসুখ হয় কেন? তারা তো নিষ্পাপ। অসুখ হয় পাপ মোচনের জন্য। তাদের তো কোন পাপ নেই।
প্রশ্ন (২৮/২২৮) : জেহরী ছালাত মসজিদে একাকী পড়ার ক্ষেত্রে পার্শ্বে যদি অন্যান্য মুছল্লী থাকে সেক্ষেত্রে সশব্দে ক্বিরাআত করা জায়েয হবে কি? - -শাহনেওয়ায, রাজেন্দ্রপুর, গাযীপুর।
প্রশ্ন (২০/২০) : একজন মেয়ে আল্লাহর কসম করে বলেছে, কোন গায়ের মাহরাম ছেলেদের সাথে কখনো কথা বলবে না। কিন্তু তাকে বাইরে যেতে হয়। অনেক সময় ছেলেদের সাথে যেমন রিকশাওয়ালাদের সাথে প্রয়োজনীয় কথা বলতে হয়। এক্ষণে তার করণীয় কি? তাকে কি নিয়মিত কাফফারা দিতে হবে নাকি একবার কাফফারা দিলেই যথেষ্ট হবে?
প্রশ্ন (১৫/২১৫) : জনৈক আলেম দো‘আয় ‘আল্লাহুম্মা আমীন’-এর পরিবর্তে কেবল আমীন বলার পক্ষে জোরালো বক্তব্য রাখেন। তার দাবী ইহূদী খৃষ্টানরা যেমন ইমামের পিছনে মুক্তাদীর সূরা ফাতিহা না পড়ার জন্য চক্রান্ত করেছে, ঠিক তেমনি ‘আমীন’ না বলে ‘আল্লাহুম্মা আমীন’ বলা তাদেরই চক্রান্তের অংশ। এটি তারাই চালু করেছে। আলেমের উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩৪/৩৪) : কারো মনের অজান্তে মুখ দিয়ে কুফরী বা শিরকী কথা বেরিয়ে গেলে সে কি কাফের বা মুশরিক হিসাবে গণ্য হবে?
প্রশ্ন (১৯/২৯৯) : অনেককে ফজরের ছালাতের পর ‘হুওয়াল হাইয়ুল ক্বাইয়ূম’ ও ‘হুওয়ার রাহমানুর রাহীম’ ১০০ বার করে পাঠ করতে দেখা যায়। এ সম্পর্কে শরী‘আতের দলীল জানতে চাই।
প্রশ্ন (১৩/২৯৩) : আমি জীবনে বহু মানুষের গীবত করেছি, তোহমতও দিয়েছি। আমার জানামতে এ গোনাহ আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। যাদের গীবত করেছি তাদের অনেকের সাথে আমার যোগাযোগও নেই। আবার ক্ষমা চাওয়াও লজ্জার ব্যাপার। এক্ষণে এ পাপ থেকে বাঁচার জন্য আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩০/১৯০) : গীবত শ্রবণকারী গীবতকারীর সমপরিমাণ গোনাহগার হয়। সভা-সমিতিতে এরূপ গীবত হ’লে সেক্ষেত্রে শ্রবণকারীর করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩৮/৪৭৮) : নিফাস ভালো হওয়ার ৪-৫ দিন পর পুনরায় রক্ত আসলে তা হায়েয না ইস্তিহাযা হিসাবে গণ্য হবে?
আরও
আরও
.