উত্তর : ভুলক্রমে হ’লে ক্বাযা করার প্রয়োজন নেই। কারণ অনিচ্ছাকৃত ভুল মার্জনীয় (আহযাব ৩৩/৫)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, নিশ্চয়ই আমার উম্মতের অনিচ্ছাকৃত অপরাধ ও ভুল সমূহকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখা হয়েছে (ইবনু মাজাহ হা/২০৪৩; মিশকাত হা/৬২৮৪)

ছহীহ বুখারীতে (হা/১৯৫৯) বর্ণিত অনুরূপ একটি ঘটনা উল্লেখ করে একদল বিদ্বান এমন ভুলের জন্য ক্বাযা করতে বললেও সেখানে রাসূল (ছাঃ)-এর কোন নির্দেশনা নেই বরং হাদীছে প্রদত্ত বক্তব্যটি রাবী হিশাম বিন উরওয়ার নিজস্ব রায় মাত্র। কিন্তু সেখানেও তিনি বলেছেন, আমি জানি না তাঁরা ক্বাযা করেছিলেন কি-না। অতএব এ হাদীছ থেকে ক্বাযা করার ব্যাপারে কোন নিশ্চিত নির্দেশনা পাওয়া যায় না (ফাৎহুল বারী হা/১৯৫৯-এর ব্যাখ্যা দ্রঃ)। সুতরাং এটা অনিচ্ছাকৃত ভুল হিসাবেই গণ্য হবে। উক্ত বিষয়ে মুজাহিদ, হাসান বছরী, ইসহাক, ইমাম আহমাদ, ইবনু খুযায়মাহ, শায়খুল ইসলাম ইবনু তায়মিয়াহ, শায়খ ঊছায়মীনসহ অন্যান্য  বিদ্বানগণ বলেন, ক্বাযা আদায় করতে হবে না (ফাৎহুল বারী ৪/২০০; মাজমূউল ফাতাওয়া ২৫/২৩১; আশ-শারহুল মুমতে‘ ৬/৪০২-৪০৮)। 






প্রশ্ন (১/১৬১) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কি কোন কারণে আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন?
প্রশ্ন (২১/১৪১) : ‘আল্লাহপাক আদম (আঃ)-কে আপন আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন’ মর্মে বর্ণিত হাদীছটির প্রকৃত ব্যাখ্যা জানিয়ে বাধিত করবেন। - -সোহরাব, বিরামপুর, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (৮/২৪৮) : এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর বিচারে সন্তুষ্ট না হয়ে ওমর (রাঃ)-এর নিকট বিচার চাইলে তিনি তাকে হত্যা করেন। এ ঘটনা কি সত্য?
প্রশ্ন (২৯/৪২৯) : ওযূ ভেঙ্গে গেছে বলে ধারণা হ’লেও অলসতাবশতঃ একই ওযূতে একাধিক ছালাত আদায় করা শরী‘আতসম্মত হবে কি?
প্রশ্ন (২২/১০২) : জনৈক আলেম বলেন, ফজরের সুন্নাত পরে পড়া যাবে না বরং সূর্য উঠার পরে পড়তে হবে। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩৯/৩৯) : আহলে ছহীহ হাদীছ বলা যাবে কি? কোন ইমাম কি এরূপ নাম ব্যবহার করেছেন? - -রূহুল আমীনবোঁচাগঞ্জ, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (২৭/৩৮৭) : ছালাত আদায় করা অবস্থায় মোবাইল ফোন বেজে উঠলে করণীয় কী?
প্রশ্ন (৮/৪৮) : আমি একটা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করি। আমার পিতা সেই মাদ্রাসায় ১৮ শতাংশ জমি দান করেন। কিন্তু তিনি লিখে দেওয়ার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করেন। এখন আমার ভাইদের মধ্যে কেউ লিখে দিতে চাচ্ছে, কেউ চাচ্ছে না। এমতাবস্থায় আমি জমিটি আমার নিজের ভাগে নিয়ে আমার মৃত পিতার নামে ওয়াক্বফ করতে চাচ্ছি। এরূপ করা ঠিক হবে কি?
প্রশ্ন (৩৯/১১৯) : রুকূতে তিনবারের কম বা বেশী তাসবীহ পাঠ করা যাবে কি? - -জান্নাতুল ফেরদাউস লিমা, মালিবাগ, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৯/১৩৯): আমাদের আশেপাশে অনেক পীর-ফকীর আছে, যারা মানুষকে ঝাড়-ফুঁক করে থাকে এবং তাতে অনেক মানুষই আরোগ্য লাভ করে। ফলে মানুষ তাদের ক্ষমতার উপর আস্থা রাখে। যদি তাদের কোন ক্ষমতা না থাকে তাহলে কিভাবে আরোগ্য লাভ করছে? এদের থেকে মানুষকে বাঁচানোর পথ কি?
প্রশ্ন (৭/২০৭) :কোন ব্যক্তির আমলনামা সমান সমান হয়ে গেলে সে আ‘রাফ নামক স্থানে থাকবে কি? সে কি সেখানেই থাকবে না একসময় তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে?
প্রশ্ন (৩১/১১১) : দানিয়াল কি নবী ছিলেন? তার সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন। - -ইসমাঈল তালুকদার, নওগাঁ।
আরও
আরও
.