উত্তর : ফিৎরার মাল দু’একদিন পূর্বে সরদারের নিকট জমা করার বিধান রয়েছে (বুখারী ১/১৫১১)। অনুরূপভাবে যাকাতের মাল ইসলামী আমীরের নিকট জমা করার বিধান  আছে (তওবাহ ১০৩; বুখারী, মুসলিম, আবূদাঊদ, তিরমিযী প্রভৃতি হাদীছ গ্রন্থের যাকাত অধ্যায় দ্রষ্টব্য)। সুতরাং যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করে যাকাত-ফিৎরার মাল দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দেওয়াই বিধান সম্মত। ফকীর-মিসকীনগণ যদি শাড়ী, কাপড়, লুঙ্গী বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয় করতে অক্ষম হয়, তাহ’লে প্রয়োজন মত তাদের সহযোগিতা করলে ছওয়াব পাওয়া যাবে।






প্রশ্ন (৪/৩২৪) : আসমাউল হুসনা বা আল্লাহুর গুণবাচক নামসমূহ মুখস্থ করা কি আবশ্যিক?
প্রশ্ন (২২/৪২২) : বিলকিস বেগম নামে এক লেখিকা দাবী করেছেন, আদম (আঃ)-এর পূর্বেও পৃথিবীতে মানুষ ছিল। এছাড়া তিনি আরো অনেক নতুন নতুন তথ্য আবিষ্কার করেছেন (কালের কণ্ঠ ২০ মে ২০১১ পৃঃ ১৭)। এর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৩/১৫৩) : কবরে রাসূলের ছবি দেখিয়ে কি বলা হবে ইনি কে? - -মোশাররফ হোসাইনরিয়াদ, সঊদী আরব।
প্রশ্ন (১৭/৯৭) : হানযালা ইবনু ছাফওয়ান নামে কোন নবী পৃথিবীতে এসেছিলেন কি?
প্রশ্ন (১৮/৫৮) : ছালাত আদায়কালে লজ্জাস্থানে হালকা পানি অনুভব হ’লে ছালাত ছেড়ে দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (২৩/২২৩) : কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর আমরা বিভিন্নভাবে শোক ও দুঃখ প্রকাশ করি, তার পাশে বসে কুরআন পাঠ করি, গরম পানি দিয়ে তাকে গোসল দেই। এই সমস্ত কাজ কি মৃত ব্যক্তি বুঝতে পারে? কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে উত্তর দানে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৫/২৫) : আলেমদেরকে ‘আল্লামা, মাওলানা, হুজুর, শায়েখ’ ইত্যাদি শব্দ দিয়ে সম্বোধন করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৫/৩১৫) : ছিয়াম অবস্থায় তরকারীর স্বাদ চেখে দেখলে ছিয়ামের কোন ক্ষতি হবে কি? - -ফাতেমা, পুঠিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৯/১৪৯) : ফরয ছিয়ামরত অবস্থায় ইচ্ছাকৃত পানাহার করলে তার জন্য কাফফারা কি হবে? - -আব্দুল ক্বাইয়ূম, চট্রগ্রাম।
প্রশ্ন (২/২) : প্রথম স্বামী মারা যাওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ে করে উভয় স্বামী যদি জান্নাতী হয়, তাহ’লে আমি কোন স্বামীকে পাব?
প্রশ্ন (১০/৯০) : যে ব্যক্তি (কারও) প্রেমে পড়ে, অতঃপর তা (নিজের অন্তরে) গোপন রাখে এবং কোনরূপ পাপে লিপ্ত না হয়ে পবিত্রতা অবলম্বন করে। তারপর (এই অবস্থায়) সে মারা যায়, তাহ’লে তা শহীদী মৃত্যু হিসাবে গণ্য হবে (জামে‘ ছগীর হা/৮৮৫৩)- মর্মে বর্ণিত হাদীছটি কি ছহীহ?
প্রশ্ন (২০/২০) : একজন মেয়ে আল্লাহর কসম করে বলেছে, কোন গায়ের মাহরাম ছেলেদের সাথে কখনো কথা বলবে না। কিন্তু তাকে বাইরে যেতে হয়। অনেক সময় ছেলেদের সাথে যেমন রিকশাওয়ালাদের সাথে প্রয়োজনীয় কথা বলতে হয়। এক্ষণে তার করণীয় কি? তাকে কি নিয়মিত কাফফারা দিতে হবে নাকি একবার কাফফারা দিলেই যথেষ্ট হবে?
আরও
আরও
.