উত্তর : ইমাম নববী (রহঃ) বলেন, ‘অন্যান্য ছালাতের ন্যায় তাকবীরে তাহরীমার পরে দো‘আয়ে ইস্তেফতাহ (‘ছানা’) পাঠের পর তাকবীরে তাহরীমা ও তাকবীরে রুকূ ব্যতিরেকে সাত তাকবীর দিবে এবং দ্বিতীয় রাক‘আতে ক্বওমার তাকবীর বাদে পাঁচ তাকবীর দিবে’ (নববী, রওযাতুত ত্বালেবীন ‘ছালাতুল ঈদের বিবরণ’ অধ্যায় ২/৭১ পৃ.)। ছাহেবে মির‘আত বলেন, ‘এটাই সর্বাধিক স্পষ্ট বরং নির্দিষ্ট যে, ওটা তাকবীরে তাহরীমা ব্যতীত’ (মির‘আত ৫/৪৬ পৃ.)। কেননা তাকবীরে তাহরীমা হ’ল ফরয। যা সকল ছালাতেই দিতে হয়। আর এগুলি হ’ল অতিরিক্ত বা নফল তাকবীর। যা কেবল ঈদের ছালাতে দিতে হয়।






প্রশ্ন (৩৭/১৯৭) : চকলেট সহ বিভিন্ন খাবারের লোভ দেখিয়ে শিশুদের মসজিদে এনে ছালাত পড়ানো যাবে কি?
প্রশ্ন (২৭/৪২৭) : দরিদ্রতার কারণে স্ত্রীর কাছে মোহরানার টাকা মাফ চাইলে এবং স্ত্রী সন্তুষ্টচিত্তে তা মাফ করে দিলে দায়মুক্ত হওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৪/৩৭৪) : শরীরের কোন অঙ্গহানি হলে কৃত্রিম অঙ্গ সংযোজন বা পোকা লাগা দাঁত তুলে কৃত্রিম দাঁত সংযোজনে শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৯/৪৩৯) : জুম‘আর ছালাতে রুকূ না পেয়ে শুধু তাশাহ্হুদ পেলে কিভাবে ছালাত শেষ করতে হবে।
প্রশ্ন (৪০/৪০০) : মহিলারা দাওয়াতী কাজে বাড়ীর বাইরে যেতে পারবে কি?
প্রশ্ন (২৫/৩৪৫) ব্যাংকে চাকুরী করে উপার্জিত সকল অর্থই কি হারাম হবে?
প্রশ্ন (৫/২০৫) : শরী‘আত নির্ধারিত দন্ড যেমন ১০০ বেত্রাঘাত, হস্তকর্তন ইত্যাদি শাস্তি দুনিয়াতে হয়ে গেলে পরকালে আল্লাহ তা‘আলা কি পুনরায় শাস্তি দিবেন?
প্রশ্ন (২৮/১৪৮): বর্তমানে স্কুল-কলেজগুলোও অশ্লীলতায় ভরপুর হওয়ার কারণে পিতা ১২-১৩ বছর বয়সেই মেয়েকে বিবাহ দিতে চায়। অতঃপর সে পড়াশুনা করবে। এক্ষেত্রে শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি? দ্বীনদারী বাদ দিয়ে অন্যকিছু দেখে বিবাহ দিলে আল্লাহর কাছে জবাবদিহী করতে হবে কি?
প্রশ্ন (১৯/১৭৯) : রামাযান মাসে কবরের আযাব স্থগিত থাকে কি?
প্রশ্ন (১৫/৩৭৫) : আমি সর্বদা পর্দার মধ্যে থাকি। এক্ষণে আমি মাথার সামনের চুল সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য কেটে সাইজ করে রাখতে চাচ্ছি। গৃহাভ্যন্তরে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য এভাবে চুল ছাটা শরী‘আত সম্মত হবে কি?
প্রশ্ন (২৭/৪৬৭) : কুরবানী মোট কয়দিন করা যাবে? - -রবীউল ইসলাম, বাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৩/১০৩) : আমি মাদ্রাসায় পড়ুয়া এক মেয়েকে দেখে শুনে বিয়ে করেছি। পরে দেখি সে দ্বীন সম্পর্কে অজ্ঞ এবং ভীষণ উদাসীন। সাথে সাথে ঝগড়াপ্রবণ ও কটূক্তিপরায়ণ। বিয়ের আগে যাচাই করা হয়নি, এজন্য নিজেকে দোষী মনে করি। মাঝে মাঝে এমন কষ্ট হয় যে আত্মহত্যার চিন্তাও আসে, কিন্তু পরকালের ভয়ে বিরত থাকি। এটা কি আমার ভাগ্যে লেখা ছিল নাকি আমার নিজের ত্রুটির ফল? আমার করণীয় কি? যদি ধৈর্য ধরে সংসার করি, তাহ’লে এর বিনিময়ে কি আমার কোন পুরস্কার মিলবে? আর মাঝে মাঝে আমি তাকে বলি, ‘আমি মরে গেলে তোমাকে পরকালে চাই না’ এতে কি আমার গোনাহ হবে?
আরও
আরও
.