উত্তর : ইস্তিগফারের জন্য ছালাত ব্যতীত কেবল সিজদার বিধান হাদীছে বর্ণিত হয়নি (নববী, আল-মাজমূ‘ ৩/৫৬৫; ইবনু তায়মিয়া, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২৩/৯৪)। সুতরাং কেউ পাপ করলে দু’রাক‘আত ছালাত অর্থাৎ ‘ছালাতুত তওবাহ’ আদায় করে ক্ষমা প্রার্থনা করবে। অর্থাৎ সিজদায় গিয়ে বা শেষ বৈঠকে ‘আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতূবু ইলায়হে’ বলবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, কোন লোক যদি গুনাহ করার পর ওযূ করে দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করে। অতঃপর আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে, আল্লাহ তাকে অবশ্যই ক্ষমা করে দেন। তারপর তিনি এ আয়াত পড়েন- ‘যারা কখনো কোন অশ্লীল কাজ করলে কিংবা নিজের উপর কোন যুলুম করলে আল্লাহকে স্মরণ করে; অতঃপর স্বীয় পাপসমূহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে... (আলে ইমরান ৩/১৩৫; আবুদাঊদ হা/১৫২১; মিশকাত হা/১৩২৪)। তিনি আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি উত্তমরূপে ওযূ করে দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করে এবং সেখানে একাগ্রতার সাথে আল্লাহকে স্মরণ করে তাঁর নিকটে ক্ষমা প্রার্থনা করে। তবে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন’ (আহমাদ হা/২৭৫৮৬, ছহীহাহ হা/৩৩৯৮)। তবে সহো সিজদা, শুকরিয়ার সিজদা ও তেলাওয়াতের সিজদা ছালাত ব্যতীতও করা যায়। উল্লেখ্য যে, কেবল ছালাত আদায় নয়, বরং যে পাপ থেকে সে তওবা করেছে, সেই পাপের পুনরাবৃত্তি না করার ব্যাপারে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ থাকবে।

প্রশ্নকারী : নাজমুল ইসলাম, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।







প্রশ্ন (৬/৩৬৬) : আমরা জানি চুলে কলপ ব্যবহার করা যায় না। কিন্তু অল্প বয়সে কারো চুল পেকে গেলে এবং চিকিৎসায় কোন ফল না হ’লে কালো খেযাব বা কলপ ব্যবহার করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৪/১৪৪) : জনৈক ব্যক্তি মোটা অংকের সূদের ঋণ রেখে মারা গেছেন। কিন্তু তার রেখে যাওয়া তেমন কোন সম্পদ নেই। এক্ষণে তার পরিবারের জন্য উক্ত ঋণ পরিশোধ করা আবশ্যক কি? - -আব্দুল্লাহ আল-মামূন, মাকলাহাট, নওগাঁ।
প্রশ্ন (৩২/৩২) : ঋণদাতা ও গ্রহীতা উভয়েই মৃত। তাদের ওয়ারিছ পাওয়া যায় না। এক্ষণে ঋণগ্রহীতার ওয়ারিছগণ ঋণদাতার উক্ত ঋণ কিভাবে পরিশোধ করবে?
প্রশ্ন (১৫/৫৫) : আমাদের এলাকায় মাইয়েতের সম্পদ দ্বারা জানাযায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য খাবারের আয়োজন করা হয়। এরূপ কাজ জায়েয হবে কি? এছাড়া কোন নির্দিষ্ট দিন ধার্য ব্যতীত মৃতের পক্ষ থেকে খানার আয়োজন করা যাবে কি? - -ফখরুল ইসলাম, মাহিলাড়া, গৌরনদী, বরিশাল।
প্রশ্ন (৩৭/১১৭) : গোসলের সময় লজ্জাস্থানে দৃষ্টি পড়লে বা খালি হাত স্পর্শ করলে ওযূ নষ্ট হবে কি? - -মুখলেছুর রহমান, উত্তর দিনাজপুর, ভারত।
প্রশ্ন (১০/৩৭০) : একটি কিতাবে লেখা আছে যে, ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) যখন ‘কাশফে’ থাকতেন, তখন তিনি ওযূর পানির সাথে গুনাহ ঝরতে দেখতেন। তাই কাশফে থাকাকালীন ওযূর পানি নাপাক বলে ফৎওয়া দিতেন। প্রশ্ন হ’ল, ‘কাশফ’ কি ? এটা কি শরী‘আতের কোন দলীল? এরূপ কথাবার্তায় যারা বিশ্বাস রাখে তারা কোন আক্বীদার অনুসারী?
প্রশ্ন (১৯/৫৯) : আমার আববা সূদী ব্যাংকে চাকরি করতেন। হারাম জানার পর ছেড়ে দিয়েছেন। সম্প্রতি পেনশনের জন্য আবেদন করার সুযোগ এসেছে। স্মর্তব্য যে, পেনশনের সাথে চাকরীর কোন সম্পর্ক নেই। বরং এটা সরকারের পেনশন প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। তবে ঐ হারাম চাকুরী উপলক্ষ্যেই তিনি পেনশন পাবেন। এক্ষণে এটা গ্রহণ করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৬/৩৪৬) : জনৈক বিশিষ্ট আলেম বলেন যে, সরকারী আবহাওয়া দফতরের সময়সূচীতে সূর্যাস্তের যে সময় দেওয়া হয়, বিগ ব্যাং থিওরী ও গ্যালাক্সির আবর্তন রীতি মোতাবেক সূর্য আরো ২/৩ মিনিট পরে অস্ত যায়। সুতরাং উক্ত সময়সূচীর ২/৩ মিনিট পরে ইফতার করার হানাফী আলেমদের সিদ্ধান্তই সঠিক। উক্ত দাবীর সত্যতা সম্পর্কে জানতে চাই।
প্রশ্ন (৬/১২৬) : ফজরের আযানে الصلوة خير من النوم বলতে হবে কি? দলীল ভিত্তিক জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৬/৩২৬) : ‘মুমিন বান্দা ও শিরকের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে ছালাত বর্জন করা। অতএব যে ব্যক্তি ছালাত ত্যাগ করল সে অবশ্যই শিরক করল’ হাদীছটির বিশুদ্ধতা ও হুকুম জানতে চাই।
প্রশ্ন (৫/৪৫) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, শাহাদাতের আকাঙ্ক্ষা না থাকলে ইবাদত কবূল হবে না। এটা কি ঠিক?
প্রশ্ন (২৬/৩৪৬) : জনৈক বক্তা বলেন, ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়া দুনিয়াতে জান্নাত দেখেছেন। বক্তার বক্তব্য কি সঠিক?
আরও
আরও
.