উত্তর : মায়ের উচিৎ বুঝদার ছেলের সামনে প্রয়োজনীয় পর্দার বিধান মেনে চলা। কারণ এক্ষেত্রে বিদ্বানগণ তিনটি স্তর বর্ণনা করেছেন। প্রথমত যে ছেলেটি এত ছোট যে, সে যা দেখে তা বর্ণনা করতে পারে না, তাহ’লে তার উপস্থিতি না থাকার সমান। সুতরাং তার সামনে নারীর সাধারণভাবে থাকা (অর্থাৎ মহিলাদের জন্য শারঈ সীমার মধ্যে যা প্রকাশ করা বৈধ) জায়েয। দ্বিতীয়ত যে ছেলেটি এত বড় হয়েছে যে, সে যা দেখে তা বর্ণনা করতে পারে, কিন্তু তার মধ্যে নারীর প্রতি আকর্ষণ বা যৌন ইচ্ছা নেই, তাহ’লে সে মহিলাদের মাহরামদের সমান। সুতরাং নারী তার সামনে সেই পরিমাণ সৌন্দর্য প্রকাশ করতে পারে, যা মাহরামদের সামনে প্রকাশ করা বৈধ। তৃতীয়ত যে ছেলেটি এত বড় যে, সে যা দেখে তা বর্ণনা করতে পারে এবং তার মধ্যে যৌন আকর্ষণ ও নারীর প্রতি ঝোঁক রয়েছে, তাহ’লে সে প্রাপ্তবয়স্কের সমান। মা তার সামনে সেটুকু প্রকাশ করতে পারবে, যা পিতা ও ভাইয়ের কাছে প্রকাশ করা যায় (আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ৪০/৩৫০-৫১)

প্রশ্নকারী : আতীকুর রহমান সোহাগ, পত্নীতলা, নওগাঁ।








বিষয়সমূহ: বিধি-বিধান
প্রশ্ন (২৫/১৪৫) : কাউকে ধন্যবাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে থ্যাংক ইউ বা ওয়েলকাম বলায় শারঈ কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (১০/১০) : কোন মানসিক ভারসম্যহীন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে তবে তাকে আত্মহত্যার শাস্তি ভোগ করতে হবে কি?
প্রশ্ন (১০/৪১০) : এক ব্যক্তির বিবাহপূর্ব জনৈকা নারীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক ছিল। বিবাহের পর আগের সম্পর্ক থেকে তওবা করা সত্ত্বেও ভুলবশত তার সাথে অপকর্মে লিপ্ত হয়। এখন সে চরম অনুতপ্ত এবং হতাশায় ভুগছে। তওবা করে এর ক্ষমা পাওয়া যাবে কি? অপকর্মের কারণে বিবাহিত স্ত্রীর সাথে সম্পর্কের কোন ক্ষতি হবে কি?
প্রশ্ন (৩০/১৯০) : মসজিদে মহিলারা যেন জুম‘আর খুৎবা দেখতে পায় সেজন্য মনিটর বা প্রজেক্টর ব্যবহার করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৮/৪১৮) : কেউ যদি নিজ স্ত্রীর বোনকে কামনার সাথে স্পর্শ করে বা তার দিকে দৃষ্টিপাত করে তাহ’লে তার স্ত্রী তার জন্য হারাম হয়ে যায়- একথার কোন সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৩/২৮৩) : ইমাম যদি কোন এক রাক‘আতে সূরা ফাতিহা পাঠ ছাড়াই ছালাত সম্পন্ন করেন, তাহ’লে মুছল্লীদের ছালাত হবে কি?
প্রশ্ন (২২/৬২) : জনৈক ব্যক্তি তার ৪ মেয়েকে বঞ্চিত করে সমস্ত সম্পদ ছেলের নামে লিখে দিয়েছেন। মৃত্যুকালে একজন মেয়ে জামাই এ ব্যাপারে তাকে ভীতি প্রদর্শন করলে তিনি ক্রুদ্ধ হন। এক্ষণে এরূপ ভীতি প্রদর্শন জায়েয হয়েছে কি? - -ইয়াসীন আলী, ধুনট, বগুড়া।
প্রশ্ন (৩১/৩৫১) : হানাফী মসজিদে ছালাত আদায় করলে ইমামের দ্রুত পড়ার কারণে ছালাতে একাগ্রতা আসে না। তাছাড়া ফজর, যোহর, আছর ছালাত তারা অনেক দেরীতে পড়ে। এক্ষেত্রে একাকী আউয়াল ওয়াক্তে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৬/২৭৬) : ময়দানের জিহাদ ছোট ও প্রবৃত্তির বিরুদ্ধে জিহাদ বড়। উক্ত বক্তব্যের কোন সত্যতা আছে কি? - .
প্রশ্ন (২৯/৪৬৯) : একটি হাদীছে অসুখের জন্য সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসী, সূরা নাস, ফালাক্ব, বাক্বারা, আলে-ইমরান, হাশর, মুমিনূন, জীন প্রভৃতি সূরার কিছু কিছু আয়াত পড়ার কথা এসেছে। উক্ত আয়াতসমূহ দ্বারা কোন অমুসলিমকে ঝাড়-ফুঁক করা যাবে কি? - -হাফীযুর রহমান, কুষ্টিয়া।
প্রশ্ন (৬/৪৪৬) : অনেক মসজিদে ফজরের ছালাত অন্ধকারে আদায় করার জন্য লাইট বন্ধ রাখা হয়। এ ব্যাপারে শারঈ সিদ্ধান্ত দিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
আরও
আরও
.