উত্তর : যেকোন সূরা বা দো‘আ পাঠ করে পানিতে ফুঁক দিয়ে সে পানি চিকিৎসা হিসাবে পান করা যাবে। এটি সূরা বা দো‘আর বরকত হিসাবে গণ্য হবে, ব্যক্তির ফুঁকের বরকত হিসাবে নয় (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৮/৯৪; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৭/৬৭, ১/১০৭-৮; আব্দুল মুহসিন আল-আববাদ, শরহ আবুদাঊদ ২০/২১৪)। রাসূল (ছাঃ) কায়েস বিন ছাবেতের জন্য পানিতে ফুঁক দেন এবং সেই পানি দ্বারা তাকে গোসল করানো হয়েছিল (আবুদাউদ হা/৩৮৮৫, সনদ যঈফ; বায়হাক্বী, আদ-দা‘ওয়াতুল কাবীর হা/৫৭৯, ২/২১৮; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১/৮৮)। সুতরাং যে কেউ কুরআন ও হাদীছে বর্ণিত দো‘আ পাঠ করে ঝাঁড়ফুঁক করতে পারে। তবে পরহেযগার ব্যক্তি না হ’লে সাধারণত উপকার পাওয়া যায় না। কেননা আল্লাহ ফাসেক-ফাজেরদের ভালবাসেন না (বাক্বারাহ ২/২৭৬)

প্রশ্নকারীঃ শহীদুল ইসলাম, বাসাইল, টাঙ্গাইল।







প্রশ্ন (৩৩/৪৩৩) : অনেকে বলে থাকে যে, বেগানা নারীর দিকে ইচ্ছাকৃতভাবে একবার দৃষ্টিপাত করা যায়। এতে কোন গুনাহ হবে না। একথার কোন সত্যতা আছে কি? - শাহাদত হোসাইন ফুলবাড়িয়া, ময়মনসিংহ।
প্রশ্ন (৩৪/১১৪) : স্ত্রীর নামে কিছু সম্পত্তি যেমন বাড়ি লিখে দেয়ার ব্যাপারে শরী‘আতে বিধান কি? - -মুহাম্মাদ হাফীযুর রহমান, ঢাকা।
প্রশ্ন (৬/৬) : সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সমাবেশ ক্লাসের সময় মেয়েদের দ্বারা কুরআন তেলাওয়াত করানো যাবে কি? - -রবীউল ইসলাম, পুঠিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৭/২৭৭) : স্বামী-স্ত্রী পরস্পরে মৃত স্ত্রী বা স্বামীকে গোসল দিতে পারবে কি?
প্রশ্ন (১৪/১৪) : কোন স্থানে ব্যথা হ’লে কি কি দো‘আ পাঠ করতে হয়?
প্রশ্ন (২৯/৪৬৯) : একটি হাদীছে অসুখের জন্য সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসী, সূরা নাস, ফালাক্ব, বাক্বারা, আলে-ইমরান, হাশর, মুমিনূন, জীন প্রভৃতি সূরার কিছু কিছু আয়াত পড়ার কথা এসেছে। উক্ত আয়াতসমূহ দ্বারা কোন অমুসলিমকে ঝাড়-ফুঁক করা যাবে কি? - -হাফীযুর রহমান, কুষ্টিয়া।
প্রশ্ন (৩২/১৯২) : বর্তমানে অধিকাংশ বক্তা ওয়াযকে পেশা হিসাবে গ্রহণ করে অর্থ উপার্জনে লিপ্ত হয়েছেন। এরূপ করা কি শরী‘আতসম্মত?
প্রশ্ন (২১/৩৪১) : ওযূ করার সময় কানের কতটুকু পরিমাণ মাসাহ করতে হবে?
প্রশ্ন (৩৬/১৯৬) : অভাব-অনটনের কারণে আমি মানসিক ভাবে খুব বিপর্যস্ত থাকি। এত্থেকে মুক্তির উপায় কি?
প্রশ্ন (২০/৬০) : কোন প্রসূতি বা ঋতুবতী মহিলা যদি ফজরের পূর্বেই পবিত্র হয় কিন্তু গোসল করতে না পারে, বরং ফজরের পরে গোসল করে, তাহ’লে তার ছিয়াম সিদ্ধ হবে কি?
প্রশ্ন (২০/১০০) : আমাদের স্কুলের নিউট্রিশন ক্লাবে ছেলে মেয়ে উভয়ে একত্রে কাজ করতে হয়। শিক্ষিকাগণ জোরপূর্বক আমাদের বাধ্য করেন এতে অংশগ্রহণ করতে। এখানে ছেলেদের সাথে কথা বলতে হয়। পরামর্শ করতে হয়। তারা আমাদের দিকে তাকিয়ে কথা বলে। বাধ্যগতভাবে একত্রে কাজ করার জন্য গুনাহগার হ’তে হবে কি?
প্রশ্ন (৩২/১৫২): কতক্ষণ পর্যন্ত মুসলিম শাসকের আনুগত্য করতে হবে? কখন তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে? শাসক লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে ছালাত আদায় করে তাহ’লে কি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা যাবে?
আরও
আরও
.