উত্তর : আয়া সোফিয়া ৫৩৭ খৃষ্টাব্দে বাইজান্টাইন সম্রাট কর্তৃক নির্মিত গির্জা, যেটি সে সময় বিশ্বের সবচেয়ে বড় গির্জা হিসাবে পরিচিত ছিল। ১৪৫৩ সালে ওছমানীয় সুলতান মুহাম্মাদ আল-ফাতেহ ইস্তাম্বুল বিজয়কালে এটিকে মসজিদে রূপান্তরিত করেন। এটি কোন অন্যায় বা স্বেচ্ছাচারিতামূলক সিদ্ধান্ত ছিল না। কেননা বিজিত এলাকায় অমুসলিমদের কোন উপাসনালয়কে মসজিদে রূপান্তরের জন্য ইসলামী শরী‘আতের আলোকে যেসব নীতিমালা ওলামায়ে কেরাম উল্লেখ করেছেন, তা এখানে পূর্ণভাবে অনুসৃত হয়েছে। যেমন: (ক) যদি বিজিত এলাকাটি সন্ধির মাধ্যমে অধিকৃত হয়, তবে সন্ধিচুক্তি অনুসারে তার হুকুম নির্ধারিত হবে। (খ) আর যদি সরাসরি দখলীকৃত ভূখন্ড হয়, তবে সেটা শাসকের ইচ্ছাধীন হয়ে যায়। হয় তিনি উপাসনালয়কে মসজিদে পরিণত করবেন, নতুবা মাছলাহাত বা কল্যাণ বিবেচনায় অমুসলিমদের জন্য ছেড়ে দিবেন (ইবনু তায়মিয়া, মাসাআলাতুন ফিল কানাইস, ১২২-১২৩; ইবনুল কাইয়িম, আহকামু আহলিয যিম্মাহ ৩/১১৯০-৯২)। যেহেতু ওছমানীয় সুলতান মুহাম্মাদ আল-ফাতেহ যুদ্ধের মাধ্যমেই ইস্তাম্বুল জয় করেছিলেন। অতএব তাঁর জন্য আয়া সোফিয়া গির্জাকে মসজিদে রূপান্তর করায় কোন বাধা ছিল না। তদুপরি তিনি গির্জাটি সরাসরি মসজিদে পরিণত না করে অর্থোডক্স খ্রিষ্টানদের নিকট থেকে সেটি ক্রয় করে নিয়েছিলেন। এমনকি সেখানে রাষ্ট্রের বায়তুল মাল থেকেও কোন অর্থ নেননি; বরং নিজ সম্পদ থেকে ক্রয় করে মসজিদটিকে ওয়াকফ করে দিয়েছিলেন। যার দলীলপত্র তুর্কী রাষ্ট্রীয় মহাফেযখানায় অদ্যাবধি সংরক্ষিত রয়েছে (দ্র. আল-জাযীরা নিউজ, কাতার, ১০.০৭.২০)।    

প্রশ্নকারী : মুহায়মিনুল হক, শ্যামলী, ঢাকা।







বিষয়সমূহ: মসজিদ
প্রশ্ন (৩৫/৩৫৫) : অনেকে বলছেন, হজ্জ-এর ব্যাপারে আহলেহাদীছ ও হানাফীদের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। কথাটা কতটুকু সত্য?
প্রশ্ন (৪০/৪৮০) : কেবলমাত্র ভ্রমণের জন্য পশ্চিমা দেশসমূহ বা ভারতের মত সেক্যুলার দেশে যাওয়া যাবে কি? অনেক সালাফী বিদ্বান এটা নাজায়েয বলেছেন বলে জানা যায়। এ ব্যাপারে সঠিক সমাধান কি?
প্রশ্ন (৩৮/৪৩৮) : হিন্দুরা ‘তুলসী’ গাছের পূজা করে থাকে। এক্ষণে উক্ত গাছ ঔষধের প্রয়োজনে মুসলমানরা ব্যবহার করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (১/৩৬১) : ‘শাওয়াল মাসের ৬টি ছিয়াম পালন করলে সারা বছরের ছিয়াম পালন করা হয়’ -এর তাৎপর্য কি। - -ওবায়দুল্লাহ, বালিয়াভাঙ্গী, ঠাকুরগাঁও।
প্রশ্ন (৩৭/৪৩৭) : শরী‘আত নির্ধারিত দন্ড যেমন যেনার শাস্তি, বেত্রাঘাত, হস্তকর্তন ইত্যাদি শাস্তি দুনিয়াতে হয়ে গেলে পরকালে আল্লাহ তা‘আলা কি পুনরায় শাস্তি দিবেন?
প্রশ্ন (৩৫/৩৫) :আমি একটি জুতার কারখানায় কাজ করি। জুতা তৈরির সময় যথাসাধ্য চেষ্টা করা সত্ত্বেও অনেক সময় জুতা নষ্ট হয়ে যায়। এসব ক্ষতির কথা সবসময় মালিককে জানানো হয় না। এভাবে অনিচ্ছাকৃতভাবে মালামাল নষ্ট হ’লে ক্বিয়ামতের দিন কি এর জন্য জবাবদিহি করতে হবে?-
প্রশ্ন (২৭/১৪৭) : আলক্বামা-এর মৃত্যুকালীন প্রচলিত ঘটনাটির সত্যতা আছে কি? - -নূরুল আমীন, সাপাহার, নওগাঁ।
প্রশ্ন (১২/৩৩২) : পিতা ছেলেকে তার পক্ষ থেকে হজ্জ করার জন্য অছিয়ত করে গেলে আগে অছিয়ত পালন করতে হবে না সম্পদ বণ্টন করবে?
প্রশ্ন (১২/২১২) : আমাদের সমাজে কোন মেয়েকে বিয়ে দিতে হ’লে সমাজের ৮৪টি পরিবারের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে ২০ কেজি খাগসদস্যদেরকে একদিন দুপুরে আবশ্যিকভাবে খাওয়াড়াই দিতে হয়। আর কোন ছেলেকে বিবাহ করতে হ’লে ৮৪টি পরিবারের তে হয়। সামাজিক এ প্রথা শরী‘আতসম্মত কি?
প্রশ্ন (৩৩/৪৩৩) : অনেকে বলে থাকে যে, বেগানা নারীর দিকে ইচ্ছাকৃতভাবে একবার দৃষ্টিপাত করা যায়। এতে কোন গুনাহ হবে না। একথার কোন সত্যতা আছে কি? - শাহাদত হোসাইন ফুলবাড়িয়া, ময়মনসিংহ।
প্রশ্ন (৩২/৩১২) : ছালাতে সালাম ফিরানোর সময় দুই দিকেই ‘ওয়া বারাক্বা-তুহু’ বলা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৬/৪৫৬) : পিতা মারা যাওয়ার পর মামারা আমার আম্মুর দেখাশোনা করেন, বিয়ে দেন এবং বিয়ের সময় স্বেচ্ছায় একটি ঘর নির্মাণ করে দেন। পরবর্তীতে আম্মু ১০ হাযার টাকা ধার নেন, যা পরিশোধ করা হয়নি। এখন এই খরচের অজুহাতে মামারা আম্মুর পৈতৃক সম্পত্তির প্রাপ্য অংশ (প্রায় ৩ বিঘা) দিচ্ছেন না। তারা বলছেন যে, বিয়ের খরচ ও লালন-পালনের বিনিময়ে তারা জমি দিবেন না। এমতাবস্থায় আম্মুর জমির অধিকার বাতিল হয়ে যাবে কি? আমাদের পক্ষ থেকে সেই জমি দাবী করা জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.