উত্তর : ভুল করে হজ্জ বা ওমরা পালনকারী জাঙ্গিয়া পরে হজ্জ বা ওমরা সম্পাদন করে থাকলে তাকে কাফফারা বা কোন জরিমানা দিতে হবে না (বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ১৭/২৩৯)। আল্লাহ বলেন, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা যদি ভুলে যাই বা ভুল করি তবে আমাদেরকে পাকড়াও করো না’ (বাক্বারাহ ২/২৮৬)। তবে ইচ্ছাকৃতভাবে পরিধান করা যাবে না। কারণ নবী করীম (ছাঃ) ইহরাম অবস্থায় হজ্জ বা ওমরাযাত্রীকে পাঞ্জাবী, পায়জামা, পাগড়ি, চামড়ার মোযা ইত্যাদি পরিধান করতে নিষেধ করেছেন (বুখারী, মিশকাত হা/২৬৭৮)। এই নিষেধাজ্ঞা শুধু এসব জিনিসের মধ্যে

সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি জুববা, গাউন, টুপি, কাপড়ের মোযা, তুববান বা আন্ডারওয়্যার এবং এ জাতীয় অন্যান্য পোষাককেও অন্তর্ভুক্ত করে’ (ই‘লামুল মুআক্বিঈন ১/২০৫-২০৭)

প্রশ্নকারী : সাইফুর রহমান, চট্টগ্রাম।







বিষয়সমূহ: হজ্জ ও ওমরাহ
প্রশ্ন (৩১/২৭১): শৈশবে কোন পাপ কাজ করে থাকলে এবং অন্যের হক নষ্ট করে থাকলে বড় হওয়ার পর তার কিছু করণীয় আছে কি?
প্রশ্ন (৪০/৪৮০) : আল্লাহ নেক আমলের ছওয়াব বিশ লক্ষগুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেন। মুসনাদে আহমাদ-এর এই বর্ণনাটি ছহীহ কি?
প্রশ্ন (২৪/১৮৪) : গরু হিন্দুদের নিকটে মা হওয়ায় গোশতকে মাংস বলা হ’লে তা হিন্দুদের অনুসরণ সাব্যস্ত হয়। এক্ষেত্রে মাংস বললে গুনাহগার হ’তে হবে কি?
প্রশ্ন (৩/১২৩) : ওমর (রাঃ) বলেন, ‘যদি ফোরাত নদীর কূলে একটি ভেড়ার বাচ্চাও হারানো অবস্থায় মারা যায়, তাতে আমি ভীত হই যে, সেজন্য আমাকে ক্বিয়ামতের দিন জিজ্ঞাসিত হ’তে হবে’- এ মর্মে বর্ণিত আছারটির বিশুদ্ধতা জানতে চাই? - -আব্দুর রহমান, মনোহরদী, নরসিংদী।
প্রশ্ন (৩৪/২৩৪) : জনৈক আলেম বলেন, তাফসীর পড়া যাবে না। এতে মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে যাবে। বরং কুরআন ও হাদীছ পাঠ করতে হবে। উক্ত বক্তব্য সঠিক কি?
প্রশ্ন (৩৫/১১৫) : নাভীর নীচের লোম, বগলের পশম, গোঁফ এবং নখ কতদিন পরপর পরিষ্কার করা যরূরী?
প্রশ্ন (২৯/১০৯) : বিবাহের খুৎবা বর নিজেই পড়তে পারবে কি? এছাড়া উকীল পিতার কোন স্থান শরী‘আতে আছে কি? - -ইনসান আলী, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (১৯/১৭৯) : আমাদের নবী মুহাম্মাদ (ছাঃ) সম্পদের দিক দিয়ে ধনী ছিলেন, না গরীব ছিলেন? ক্বিয়ামতের দিন তিনি কি সবার চেয়ে গরীব হয়ে উঠবেন?
প্রশ্ন (৩৭/৩৯৭) : গর্ভবতী বা দুর্বল দরিদ্র মহিলারা ছিয়াম পালন করতে এবং ফিদইয়া দিতে সক্ষম না হ’লে করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩৯/২৩৯) : পশ্চিমবঙ্গের একজন সুপরিচিত আলেম তাঁর সম্পাদিত মাসিক পত্রিকায় (৩৮/৪ সংখ্যা, এপ্রিল ২০১০) লিখেছেন যে, বিগত ১৪ শো বছর ধরে মৃত ব্যক্তিকে দাফন করার পর মুসলিম উম্মাহ কবরের আশপাশে দাঁড়িয়ে সবাই মিলে দুই হাত তুলে দু‘আ করে আসছেন। তিনি দলীল দিয়েছেন, ‘ইস্তাগফিরু লি আখীকুম (আবুদাঊদ হা/৩২২১)। দয়া করে এবিষয়ে সঠিক উত্তর দানে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৯/৪৭৯) : কিছু কিছু মাসআলার ক্ষেত্রে দেখা যায় একজন সালাফী আলেম সেটাকে বিদ‘আত বলছেন, অপরজন সেটাকে সুন্নাত বলছেন। যেমন রুকুর পরে উঠে পুনরায় বুকে হাত বাঁধার বিষয়টি। এজন্য কোন আলেমকে বিদ‘আতী বলে আখ্যায়িত করা যাবে কি? - -মনীরুযযামান, টাঙ্গাইল।
প্রশ্ন (১৪/৪১৪) : ই‘তিকাফ করার সময় কারো যদি মসজিদে খাবার দেওয়ার কেউ না থাকে, তবে সে সামান্য দূরে বাড়ি থেকে সাহারী ও ইফতার করে আসতে পারবে কি? - -ফাতেহ উল হোসাইনমীরপুর, ঢাকা।*[নাম সঠিক করুন। আব্দুল ফাত্তাহ রাখতে পারেন (স.স.)]
আরও
আরও
.