উত্তর : ইমাম ইক্বামত দেওয়ায় কোন দোষ নেই। যে কেউ ইক্বামত দিতে পারে। আর আযান দাতাকেই ইক্বামত দিতে হবে মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (তিরমিযী হা/১৯৯; মিশকাত হা/৬৪৮; যঈফাহ হা/৩৫)






প্রশ্ন (৩৯/১৯৯) : আমি কিছু টাকা ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট করতে চাচ্ছি এই মর্মে যে, উক্ত ব্যাংক ও একটি মাদরাসার মধ্যে চুক্তি হবে যে, উক্ত অর্থের বার্ষিক লভ্যাংশ মাদ্রাসার শ্রেষ্ঠ ছাত্রকে স্কলারশীপ হিসাবে দেওয়া হবে। এভাবে আমার মৃত্যুর পরও উক্ত অর্থ দিয়ে স্কলারশীপ প্রদান চলমান থাকবে। এক্ষণে বিষয়টি শরী‘আত সম্মত হবে কি?
প্রশ্ন (২৩/১৮৩) : অন্য ধর্মের অনুষ্ঠানের দিন তাদের শুভেচ্ছা জানানো যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৯/৩৫৯) : আমি অনেক লোকের জুয়ার টাকা কৌশলে মেরে দিয়েছি। এটা কি ফেরত দিতে হবে। এটা কি হক নষ্টের মধ্যে পড়বে? আমি সব কিছু ছেড়ে ভালো হ’তে চাচ্ছি। এখন সব টাকা কি ফেরত দিতে হবে? আর সব টাকার হিসাব পাওয়া মুশকিল।
প্রশ্ন (১/২০১) : ছালাত আদায়ের পর বুঝতে পারি যে ক্বিবলা ভুল হয়ে গেছে। উক্ত ছালাত কি পুনরায় আদায় করতে হবে? - -বেলাল হোসাইন, মণিহার, যশোর।
প্রশ্ন (৮/৩২৮) : ছালাতে দাঁড়ানো অবস্থায় দু’পায়ের মাঝে কতটুকু ফাঁক রাখতে হবে?
প্রশ্ন (৩৬/১১৬) : খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী ও তাঁর আক্বীদা সম্পর্কে জানতে চাই। - -সারওয়ার, আসাম, ভারত।
প্রশ্ন (১/৩৬১) : আমার স্ত্রীর ৪ ভরি ৫ আনা স্বর্ণ ও দেড় লক্ষ টাকা এবং আমার অবিবাহিত মেয়ের ১ ভরি ১ আনা স্বর্ণ আছে। অন্যদিকে আমি ঋণগ্রস্ত এবং স্ত্রী ও মেয়ের কোন আয় নেই। এক্ষণে তাদের সম্পদ যাকাতযোগ্য কি? যাকাত দিতে হ’লে কার উপর দেয়া ফরয?
প্রশ্ন (২৯/৩৮৯) : নির্দিষ্ট একটি দিনকে দো‘আ দিবস বা দলীয়ভাবে ছিয়াম রাখার জন্য নির্দিষ্ট করা কি শরী‘আতের দৃষ্টিতে জায়েয হবে? পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছের আলোকে বিষয়টি জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৬/১৯৬) : এক তালাক দেয়ার পর স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য সহবাস শর্ত কি? কয়েকদিনের মধ্যে মিটমাট হয়ে গেলেও স্বামী বিদেশে থাকায় তিন মাসের মধ্যে মিলন সম্ভব হয়নি। এরূপ অবস্থায় মিলন না হ’লে ৩ মাস পর নতুনভাবে বিবাহ করতে হবে কি?
প্রশ্ন (২৭/১৮৭) : প্রাপ্তবয়স্ক মাহরাম যেমন ভাই-বোন, ছেলে-মা এক বিছানায় বা একই ঘরে একত্রে থাকা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৪/৩৬৪) : ইমাম গাযালী (রহঃ) ‘এহইয়াউ উলূমিদ্দীন’ বইয়ে লিখেছেন ‘দ্বিপ্রহরের পরে মিসওয়াক না করা রোযার সুন্নাত’। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩২/২৭২) : বুখারীতে এসেছে আল্লাহ বলেন, যে ব্যক্তি আমার কোন অলীর সাথে শত্রুতা পোষণ করে আমি তার বিরুদ্ধে লড়াই ঘোষণা করি।... যখন আমি তাকে ভালবাসি তখন আমি তার কর্ণ হয়ে যাই, যা দিয়ে সে শুনে। আমি তার চক্ষু হয়ে যাই, যা দিয়ে সে দেখে। আমি তার হাত হয়ে যাই, যা দিয়ে সে ধরে। আমি তার পা হয়ে যাই, যা দিয়ে সে চলাফেরা করে। সে আমার কাছে কিছু প্রার্থনা করলে, আমি তাকে তা দেই। সে যদি আমার নিকট আশ্রয় চায়, তাহ’লে আমি তাকে আশ্রয় দেই।- এ হাদীছের ব্যাখ্যা কি? কারণ এ হাদীছ থেকে বাতিলপন্থীরা দলীল গ্রহণ করে।
আরও
আরও
.