উত্তর : এ ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা আক্বীদা বা তাওয়াক্কুল বিরোধী নয়। কেননা রোগ হওয়ার পূর্বে তার প্রতিরোধ ব্যবস্থা অবলম্বন করাও এক ধরনের চিকিৎসা। আর চিকিৎসা গ্রহণ করা শরী‘আতেরই নির্দেশ। তবে ঔষধ বা ডাক্তারকে আরোগ্যদানকারী মনে করলে শিরক হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, আল্লাহ এমন কোন রোগ নাযিল করেননি, যার জন্য তিনি ঔষধ নাযিল করেননি (বুখারী হা/৫৬৭৮; মিশকাত হা/৪৫১৪)। তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেক রোগের ঔষধ রয়েছে। যখন সেটা পৌঁছে যায়, তখন সে রোগমুক্ত হয় আল্লাহর হুকুমে (মুসলিম, মিশকাত হা/৪৫১৫)। অতএব যাবতীয় কল্যাণ ও অকল্যাণ সংঘটিত হয় আল্লাহর হুকুমে, এই আক্বীদা পোষণ করে যেকোন বৈধ প্রতিষেধক গ্রহণে শরী‘আতে কোন বাধা নেই।

প্রশ্নকারী : নাফীস আব্দুল্লাহ, খুলনা।







বিষয়সমূহ: চিকিৎসা
প্রশ্ন (২৯/৩৪৯) কোন অমুসলিম যদি তার বৈধ উপার্জন থেকে রামাযান মাসে কোন মুসলমানের ইফতারের ব্যবস্থা করে, তবে তা খাওয়া জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১৫/২৯৫) : আমার উপর অন্যায়ভাবে কেউ আক্রমণ করলে আমি কি তাদেরকে প্রতিহত করব না ছবর করব? আমার হাতে তাদের কেউ নিহত হলে ইসলামের দৃষ্টিতে কি আমি খুনী সাব্যস্ত হব?
প্রশ্ন (৩১/৩১) : লাশ দাফনের সময় কবরের ভিতরে যে বাঁশ দেওয়া হয়, সে বাঁশ গজিয়ে বাঁশঝাড়ে পরিণত হ’লে সেই বাঁশ কাটা যাবে কি? এছাড়া কবরস্থানের গাছ কেটে বিক্রি করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১/৩৬১) : অন্যের জমিতে ফসলের ক্ষতি না করে বিনা অনুমতিতে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগী চরানো বা ঘাস খাওয়ানো যাবে কি?
প্রশ্ন (১২/৪৫২) : আমার ভাইয়েরা প্রতিনিয়ত আমার ক্ষতি করে যাচ্ছে। আমি মারা গেলে আমার স্ত্রী-সন্তানদেরও ভরণপোষণ তারা করবে না। আমি ও আমার স্ত্রী খেয়ে না খেয়ে কিছু কিছু সঞ্চয় করছি। এর অধিকাংশ অবদান আমার স্ত্রীর। এক্ষণে আমি মারা গেলে আমার ভাইয়েরা কি সম্পদের অংশ পাবে? - -ফযলে রববী, আল-ফাহাদ ট্রেড লাইন্স, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৬/৩৮৬) : মোবাইল এ্যাপে প্রতি ওয়াক্তে আযান হয়। মসজিদের আযানের মত এই আযানেরও জবাব দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (১৬/৪১৬) : কবরে মৃত ব্যক্তির জন্য ক্বাতীফা বা মখমল/রেশমী কাপড় দেওয়া যাবে কি? ছহীহ মুসলিমে রাসূল (ছাঃ)-এর কবরে লাল ক্বাতীফা দেওয়ার ঘটনা এসেছে। এটি কি শুধু তাঁর জন্য খাছ ছিল, নাকি সাধারণ মুসলিমদের জন্য জায়েয?
প্রশ্ন (১/৪০১) : ইভ্যালী, আলিশা মার্ট প্রভৃতি ই-কমার্স সাইটের ব্যবসার ধরণ কি ইসলামী শরী‘আত মোতাবেক বৈধ?
প্রশ্ন (৩১/১১১) : মাগরিবের ছালাত ক্বাযা অবস্থায় মসজিদে গিয়ে এশার ছালাত চলতে দেখলে মুছল্লীর জন্য করণীয় কি? সে কি জামা‘আতের সাথে আগে এশা আদায় করবে? না কি এশার জামা‘আতের সাথে মাগরিবের নিয়ত করবে? যদি মাগরিব আদায় করে সেক্ষেত্রে রাক‘আতের সমন্বয় কিভাবে করবে? কেননা মাগরিব হচ্ছে তিন রাক‘আত আর এশা হচ্ছে চার রাক‘আত। জানিয়ে বাধিত করবেন। - -মাওলানা ছফিউল্লাহ, জগৎপুর, বুড়িচং, কুমিল্লা।
প্রশ্ন (২৬/১৮৬) : ক্বাযা ছালাত আদায় করার ক্ষেত্রে ঐ ওয়াক্তের সকল ফরয ও সুন্নাত সবই আদায় করতে হবে কি?
প্রশ্নঃ (৯/২০৯): মুহাম্মাদ (ছাঃ) মি‘রাজে গিয়ে বায়তুল মুক্বাদ্দাসে সমস্ত নবী-রাসূলের ইমামতি করেছিলেন। উক্ত বক্তব্যের প্রমাণ জানতে চাই। উক্ত ছালাত সুন্নাত ছিল না ফরয ছিল?
প্রশ্ন (১৪/১৭৪) : প্রবল শীতের কারণে বা রোগ বৃদ্ধির আশংকায় ফরয গোসল না করে তায়াম্মুম বা ওযূ করে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
আরও
আরও
.