উত্তর : এ ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা আক্বীদা বা তাওয়াক্কুল বিরোধী নয়। কেননা রোগ হওয়ার পূর্বে তার প্রতিরোধ ব্যবস্থা অবলম্বন করাও এক ধরনের চিকিৎসা। আর চিকিৎসা গ্রহণ করা শরী‘আতেরই নির্দেশ। তবে ঔষধ বা ডাক্তারকে আরোগ্যদানকারী মনে করলে শিরক হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, আল্লাহ এমন কোন রোগ নাযিল করেননি, যার জন্য তিনি ঔষধ নাযিল করেননি (বুখারী হা/৫৬৭৮; মিশকাত হা/৪৫১৪)। তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেক রোগের ঔষধ রয়েছে। যখন সেটা পৌঁছে যায়, তখন সে রোগমুক্ত হয় আল্লাহর হুকুমে (মুসলিম, মিশকাত হা/৪৫১৫)। অতএব যাবতীয় কল্যাণ ও অকল্যাণ সংঘটিত হয় আল্লাহর হুকুমে, এই আক্বীদা পোষণ করে যেকোন বৈধ প্রতিষেধক গ্রহণে শরী‘আতে কোন বাধা নেই।

প্রশ্নকারী : নাফীস আব্দুল্লাহ, খুলনা।







বিষয়সমূহ: চিকিৎসা
প্রশ্ন (২৬/৩০৬) : জনৈক আলেম বলেন, মোযা পরা অবস্থায় প্যান্ট, পায়জামা লুঙ্গী টাখনুর নীচে গেলে কোন সমস্যা নেই। উক্ত দাবী কি সঠিক।
প্রশ্ন (৩১/১১১): তাকদীরে ভাল-মন্দ দু’টোই লেখা আছে। নেক আমলের দ্বারা কি মন্দ ফায়ছালা থেকে বাঁচা যায়?
প্রশ্ন (২৫/৪৬৫) : হজ্জ বা ওমরাহর সময় অনেকে সারা দিনে বার বার কা‘বাঘর তাওয়াফ করতে থাকেন। এভাবে ইচ্ছামত তাওয়াফ করা যাবে কি? তাওয়াফ করার ফযীলত কি?
প্রশ্ন (১৯/২৯৯) : কোন ছেলে যদি কোন অসহায় মেয়েকে ‘ধর্ম বোন’ বানায় এবং নিজের বোনের মত তাকে দেখাশোনা করে, তবে সেটি জায়েয হবে কি? - -আশরাফুল ইসলাম, পাঁচবিবি, জয়পুরহাট।
প্রশ্ন (৩৫/৪৭৫) : ‘পাঁচটি রাত্রির দো‘আ ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। রজব মাসের ১ম রাত্রি, শা‘বানের মধ্যরাত্রি, জুম‘আর রাত্রি, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার রাত্রি।’ উক্ত হাদীছটি কি ছহীহ?
প্রশ্ন (৩৬/১৯৬) : জনৈক ব্যক্তি স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার ৩ দিনের মাথায় ফিরিয়ে নেয়। অতঃপর এর প্রায় ২ মাস পর আবার ঝগড়া করে তালাক দিয়ে পরদিন ফিরিয়ে নেয়। অতঃপর পাঁচ মাস পরে পুনরায় ভীষণভাবে রাগান্বিত হয়ে স্ত্রীকে বলে ‘তোমাকে ডিভোর্স দিলাম’। এসময় স্ত্রী ঋতুবতী ছিল, যা স্বামীর জানা ছিল না। এক্ষণে তৃতীয় তালাকটি পতিত হয়েছে কি? - -প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ ইব্রাহীম, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৫/২৫৫) : কেউ কেউ বলে থাকেন, যারা ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞান রাখে না তাদের জন্য তাক্বলীদ করা বৈধ? এ ব্যাপারে সঠিক তথ্য জানতে চাই।
প্রশ্ন (২/৮২) : গরম ভাত ফুঁক দিয়ে ঠান্ডা করা বা না করার ব্যাপারে শারঈ কোন নির্দেশনা আছে কি? - -আব্দুল্লাহ, মোহাম্মাদপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৯/১৭৯) : আমি প্রাইভেট টিউশনী করি। আমার কাছে এমন অনেক ছাত্র পড়ে যারা পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করে, আবার এমন ছাত্রও আছে যারা খারাপ রেজাল্ট করে বা ফেল করে। এক্ষণে রেজাল্ট খারাপ করায় তাদের নিকট থেকে মাসিক বেতন নেয়া জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৬/৩৪৬) : ছালাত আদায় করে না, কিন্তু আচার-ব্যবহার এবং মানুষ হিসাবে অনেক ভালো, এরূপ কারো সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখা ও ওঠা-বসা করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৫/৩৮৫) : সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ কি কেবল ইমামই বলবে না মুক্তাদীও বলবে?
প্রশ্ন (৩৮/১১৮) : হিন্দু বা খৃষ্টান কোন বন্ধু অভিবাদন বিনিময়ের পর যদি মুছাফাহা বা কোলাকুলির জন্য এগিয়ে আসে, সেক্ষেত্রে করণীয় কি?
আরও
আরও
.