উত্তর : এ ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা আক্বীদা বা তাওয়াক্কুল বিরোধী নয়। কেননা রোগ হওয়ার পূর্বে তার প্রতিরোধ ব্যবস্থা অবলম্বন করাও এক ধরনের চিকিৎসা। আর চিকিৎসা গ্রহণ করা শরী‘আতেরই নির্দেশ। তবে ঔষধ বা ডাক্তারকে আরোগ্যদানকারী মনে করলে শিরক হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, আল্লাহ এমন কোন রোগ নাযিল করেননি, যার জন্য তিনি ঔষধ নাযিল করেননি (বুখারী হা/৫৬৭৮; মিশকাত হা/৪৫১৪)। তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেক রোগের ঔষধ রয়েছে। যখন সেটা পৌঁছে যায়, তখন সে রোগমুক্ত হয় আল্লাহর হুকুমে (মুসলিম, মিশকাত হা/৪৫১৫)। অতএব যাবতীয় কল্যাণ ও অকল্যাণ সংঘটিত হয় আল্লাহর হুকুমে, এই আক্বীদা পোষণ করে যেকোন বৈধ প্রতিষেধক গ্রহণে শরী‘আতে কোন বাধা নেই।

প্রশ্নকারী : নাফীস আব্দুল্লাহ, খুলনা।







বিষয়সমূহ: চিকিৎসা
প্রশ্ন (৩৬/১৯৬) : দাড়ি শেভ করা ব্যক্তির ছালাত কবুল হবে কি?
প্রশ্ন (৩৯/৩৯৯) : অমুসলিমদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা যাবে কি? তার মৃত্যুতে ইন্নালিল্লাহ বলা বা তার জন্য প্রার্থনা করা কিংবা ‘ওপারে ভাল থাকবেন’ জাতীয় বাক্য বলা জায়েয কি?
প্রশ্ন (৩৩/২৭৩) : ঘরে প্রবেশ করার সময় ঘরে কেউ না থাকলে সালাম প্রদানের প্রয়োজন আছে কি?
প্রশ্ন (৩/১২৩) : ইশরাক, চাশত ও আউওয়াবীনের ছালাতের সঠিক সময় কোনটি? প্রত্যেকটি পৃথক পৃথকভাবে আদায় করাই কি সুন্নাত? - -ফাহীম মুনতাছির, ধানমন্ডি, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৪/২৫৪) : জনৈকা মহিলা ধর্মীয় কারণে স্বামীর থেকে ‘খোলা’ গ্রহণ করেছে। এক্ষণে সে অন্যত্র ইসলামী মন-মানসিকতার ছেলের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হ’তে চায়। কিন্তু অভিভাবক পূর্বের ফাসেক স্বামীর কাছেই ফিরে যেতে বলে। উক্ত মহিলা কিভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে?
প্রশ্ন (৩৮/১৯৮) : দ্বীনে হানীফ কাকে বলে? ইবরাহীম (আঃ)-এর দ্বীনের নাম কী ছিল? উম্মী বলে কাদেরকে বুঝানো হয়েছে?
প্রশ্ন (০৩/৩৬৩) : আরাফাহর ময়দানে অবস্থানকালে যোহর ও আছরের ছালাত কিভাবে আদায় করতে হবে? - শেফালী, দুর্গাপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৮/১০৮) : জানা সত্ত্বেও মাযহাবী কারণে ছহীহ সুন্নাহ মোতাবেক ছালাত আদায় না করলে তা কবুলযোগ্য হবে কি? - -সাদমান, কলাবাগান, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৮/২৮) : রাসূল (ছাঃ) জিন জাতির মাঝে দ্বীন প্রচার করেছিলেন কি? - -মানিক হোসাইন, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (৩১/৭১) : প্রতি ওয়াক্ত ছালাত বা যেকোন নফল ছালাত শুরুর পূর্বে বিশেষ কোন দো‘আ আছে কি?
প্রশ্ন (১৫/২১৫) : জনৈক আলেম দো‘আয় ‘আল্লাহুম্মা আমীন’-এর পরিবর্তে কেবল আমীন বলার পক্ষে জোরালো বক্তব্য রাখেন। তার দাবী ইহূদী খৃষ্টানরা যেমন ইমামের পিছনে মুক্তাদীর সূরা ফাতিহা না পড়ার জন্য চক্রান্ত করেছে, ঠিক তেমনি ‘আমীন’ না বলে ‘আল্লাহুম্মা আমীন’ বলা তাদেরই চক্রান্তের অংশ। এটি তারাই চালু করেছে। আলেমের উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (৯/৯) : স্বীয় আত্মাকে পাপ কাজে প্ররোচিত হওয়া থেকে বাঁচানোর জন্য করণীয় কি?
আরও
আরও
.