উত্তর : সার্ভিস চার্জ হিসাবে কাটলে সেটি সূদ হবে না। কিন্তু লক্ষ্য করা যায় যে, তাদের গৃহীত চার্জ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশী, অর্থাৎ সার্ভিস চার্জ ব্যতীত অতিরিক্ত অর্থও কাটা হয়। প্রকৃতই যদি এরূপ অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করা হয়, তবে তা সূদ হবে। কেননা হাদীছে এসেছে ‘কোন ঋণ যদি লাভ নিয়ে আসে, তবে তা সূদ’ (সুনান বায়হাক্বী হা/১০৯৩৩)। হাদীছটি মারফূ‘ ও মাওকূফ বিভিন্ন সূত্রে যঈফ সনদে এলেও এর মর্মার্থ ছহীহ। সর্বোপরি সন্দেহজনক লেনদেন থেকে বিরত থাকাই উত্তম। রাসূল (ছাঃ) বলেন, সন্দিগ্ধ বিষয় পরিহার করে নিঃসন্দেহ বিষয়ের দিকে ধাবিত হও। কেননা সত্যে রয়েছে প্রশান্তি এবং মিথ্যায় রয়েছে সন্দেহ’ (আহমাদ, তিরমিযী, নাসাঈ, সনদ ছহীহ, মিশকাত হা/২৭৭৩)






প্রশ্ন (১২/২১২) : মসজিদের সামনে জনসাধারণের বসার স্থান তৈরী করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৬/২৮৬) : পঙ্গপাল কি পশু-পাখির অন্তর্ভুক্ত এবং তা খাওয়া যাবে কি? - -যানযাবীল, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : নতুনভাবে ছালাত শুরু করার ক্ষেত্রে যদি কোন সূরা বা দো‘আ মুখস্থ না থাকে তাহ’লে তার জন্য করণীয় কি?
প্রশ্ন (১০/৯০) : ‘এক ঘন্টা আল্লাহর সৃষ্টি নিয়ে গবেষণা করা ৭০ বছর ইবাদত করার চেয়ে উত্তম’ মর্মে কোন হাদীছ বর্ণিত হয়েছে কি? - -আব্দুল আউয়াল, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩৭/২৭৭) : অসুস্থ ব্যক্তির দো‘আ ফেরেশতাদের দো‘আর ন্যায়- কথাটির কোন সত্যতা আছে কি? - -আবু তালেব, সেতাবগঞ্জ, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (৯/১৬৯) : মূসা (আঃ) সপরিবারে মিসরের পথে যাত্রাকালে যে আগুন দেখেছিলেন তা কি আসল আগুন ছিল?
প্রশ্ন (১৯/৩৭৯) : আমি ১৪ বছর বয়স থেকে মেয়েদের প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে ছেলেদের প্রতি আকৃষ্ট হই। এখনো এই অবস্থা রয়েছে। আমি চাই স্বাভাবিক পুরুষের মতো বাঁচতে, কিন্তু পারছি না। কখনও আত্মহত্যার কথাও মনে হয়। আমি কিভাবে এই অবস্থা থেকে মুক্তি পাব?
প্রশ্ন (২৫/১৮৫) : কোন ব্যক্তি যদি নিয়মিতভাবে মহল্লার মসজিদে ছালাত না পড়ে অন্য মসজিদে ছালাত আদায় করে, তবে এতে কোন গোনাহ হবে কি?
প্রশ্ন (৫/৩৬৫) : পিতা মেয়ের অমতে জোরপূর্বক অযোগ্য পরিবারে বিবাহ দিতে চায়। এক্ষণে মেয়েটি তার মায়ের অনুমতিক্রমে অন্যত্র বিবাহ করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৩৭/২৩৭) : আমাদের মসজিদের মুতাওয়াল্লী ছাহেব নিজেকে ‘আমেলীন দাবী করে যাকাতের ৮ ভাগের ১ ভাগ গ্রহণ করেন। অথচ তাকে কেউ নিয়োগ দেয়নি। এক্ষণে আমেলীন কাকে বলে, তাকে নিয়োগ দিবে কে এবং তার কাজ কি?
প্রশ্ন (২৪/১০৪) : আমি একটা সরকারী কলেজে শিক্ষকতা করি। শিক্ষকগণ সকালে আসেন এবং দুপুর দুইটায় ক্লাস শেষ করে চলে যান। কিন্তু সরকারী নির্দেশনা হ’ল, সকাল ৯-টা থেকে বিকেল ৫-টা পর্যন্ত অফিস করা। তাদের যুক্তি হ’ল তারা ক্লাস নিয়েছেন তাদের কাজ শেষ। তারা খাতা দেখা সহ অন্যান্য কাজ বাসায় রাতেও করেন। এমনকি ছুটির দিনেও প্রয়োজনে কাজ করেন। তাদের অফিস টাইমের বাইরে বাসায় পড়াশোনাও করতে হয়, যা সরকারী অন্যান্য অফিসাররা করেন না। তাই তারা সরকারী অফিস টাইমের নিয়ম মানেন না। তাদের এ কাজে প্রিন্সিপালেরও মত আছে। তিনি বাধা দেন না। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি? আমি কি চলে যাবো, না চাকুরীবিধি অনুযায়ী অফিসে ৫-টা পর্যন্ত কাজ করব?
প্রশ্ন (২৭/২৬৭) : যেসব বিবাহে যৌতুক আদান-প্রদান হয়, সেসব বিবাহ অনুষ্ঠানে যাওয়া যাবে কি?
আরও
আরও
.