উত্তর : কুরআন বা হাদীছে এমন কোন ছহীহ দলীল নেই, যেখানে বংশীয় তিন কূলের ফযীলত বর্ণিত হয়েছে। ইসলামে মর্যাদার মাপকাঠি হ’ল তাক্বওয়া এবং আমল। তার বংশগৌরব নয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যার আমল তাকে পিছিয়ে দেয়, তার বংশমর্যাদা তাকে এগিয়ে দিতে পারে না’ (মুসলিম হা/২৬৯৯)। বিদায় হজ্জের ভাষণে তিনি বলেন, ‘হে জনগণ! আল্লাহ তোমাদের থেকে জাহেলিয়াতের অংশ ও পূর্ব পুরুষের অহংকার দূরীভূত করে দিয়েছেন। মানুষ দু’প্রকারের : মুমিন আল্লাহভীরু অথবা পাপাচারী হতভাগা। তোমরা আদমের সন্তান। আর আদম ছিলেন মাটির তৈরী’ (আর মাটির কোন অহংকার নেই)। অতঃপর তিনি নিম্নোক্ত আয়াতটি পাঠ করলেন, ‘হে মানবজাতি! আমরা তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি একজন পুরুষ ও একজন স্ত্রী হ’তে (অর্থাৎ আদম ও হাওয়া হ’তে)। অতঃপর তোমাদের বিভক্ত করেছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে, যাতে তোমরা পরস্পরে পরিচিত হ’তে পার। নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে আল্লাহর নিকট সর্বাধিক সম্মানিত ঐ ব্যক্তি, যে তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক আল্লাহভীরু। নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছু জানেন ও খবর রাখেন’ (হুজুরাত-মাদানী ৪৯/১৩; তিরমিযী হা/৩২৭০; আবুদাঊদ হা/৫১১৬; মিশকাত হা/৪৮৯৯)।
প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ রফীকুল ইসলাম, সাতক্ষীরা।