উত্তর : কুরবানীর গোশতের ন্যায় আক্বীক্বার গোশতও তিনভাগ করা উত্তম। তবে কেউ যদি মনে করে পুরো গোশত রান্না করে নিজে ও আত্মীয়-স্বজন মিলে খাবে, তাতেও কোন দোষ নেই। ইবনু জুরাইজ বলেন, আক্বীক্বার গোশত রান্না করে নিজে খাবে, প্রতিবেশী ও বন্ধু-বান্ধবদের খাওয়াবে। এখান থেকে কোন কিছু ছাদাক্বা করার প্রয়োজন নেই (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৯/৩৬৬; বিন বায, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব)

প্রশ্নকারী : মাজেদুল ইসলাম, ঢাকা।






প্রশ্ন (৩১/২৩১) : গর্ভবতী নারী হাঁসের গোশত খেলে সন্তানের কন্ঠ হাঁসের কন্ঠের মত হবে। ছাগলের গোশত খেলে ছাগলের মত হবে। উক্ত ধারণা কি সঠিক?
প্রশ্ন (২৮/৩০৮) : মৃত মুরগীর পেট থেকে ডিম বের করে খাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৩/৪৫৩) : মুওয়াযযিনের নির্ধারিত কোন নেকী আছে কি? নির্দিষ্ট কয়েক বছর আযান দিলে বিশেষ নেকী রয়েছে কি?
প্রশ্ন (২৯/৩৮৯) : ছালাতে ক্বওমা, রুকূ, সিজদা ও তাশাহহুদের সময় দৃষ্টি কোন দিকে রাখতে হবে? আশে-পাশে বা আসমানের দিকে দৃষ্টি দিলে ছালাত ত্রুটিপূর্ণ হবে কি?
প্রশ্ন (৩৭/৪৭৭) : ফজরের আযানের কতক্ষণ পূর্বে সাহারীর আযান দিতে হবে? - -মুনীরুল ইসলাম, ঝাড়খন্ড, ভারত।
প্রশ্ন (১/১) : ইসলাম গ্রহণ করায় জনৈকা মহিলা স্বীয় খৃষ্টান পিতা-মাতাসহ গোটা পরিবার কর্তৃক পরিত্যক্ত। খৃষ্টান রাষ্ট্র হওয়ায় সরকারী অলীও নেই। এক্ষণে অভিভাবকবিহীন উক্ত মহিলাকে বিবাহ করতে চাইলে করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩০/৩৫০) : জনৈকা মহিলা স্বামীর বাড়িতে শ্বশুর বাড়ীর আত্মীয়-স্বজনের সাথে একত্রে থাকে। সেখানে তাকে নানা কটূ কথা, অন্যায় আচরণ ও অপমান সইতে হয়। স্বামী কেবলই মানিয়ে চলতে বলে। সেকারণ স্ত্রী যদি স্বামীর নির্জনবাসের আহবানকে প্রত্যাখ্যান করে এবং আলাদা বাসায় বসবাস করতে চায় তবে সে গুনাহগার হবে কি?
প্রশ্ন (৮/২৪৮) : সফর থেকে বাসায় ফিরে গিয়ে যদি এশার ছালাতের ওয়াক্ত থাকবে বলে অনুমান করা যায় সেক্ষেত্রে এশার ছালাত মাগরিবের সাথে জমা‘ ও ক্বছর করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৯/২৪৯) : আমার বৃদ্ধ পিতা সর্বদা অসৎ কর্মকান্ডে জড়িয়ে থাকে এবং প্রচুর অর্থ অপব্যয় করে। আমরা তাকে সৎ পথে ফিরে আসার কথা বললেই বিভিন্নভাবে অভিশাপ দেয়। এমতাবস্থায় আমাদের করণীয় কী?
প্রশ্ন (২৪/১০৪) : আমি একটা সরকারী কলেজে শিক্ষকতা করি। শিক্ষকগণ সকালে আসেন এবং দুপুর দুইটায় ক্লাস শেষ করে চলে যান। কিন্তু সরকারী নির্দেশনা হ’ল, সকাল ৯-টা থেকে বিকেল ৫-টা পর্যন্ত অফিস করা। তাদের যুক্তি হ’ল তারা ক্লাস নিয়েছেন তাদের কাজ শেষ। তারা খাতা দেখা সহ অন্যান্য কাজ বাসায় রাতেও করেন। এমনকি ছুটির দিনেও প্রয়োজনে কাজ করেন। তাদের অফিস টাইমের বাইরে বাসায় পড়াশোনাও করতে হয়, যা সরকারী অন্যান্য অফিসাররা করেন না। তাই তারা সরকারী অফিস টাইমের নিয়ম মানেন না। তাদের এ কাজে প্রিন্সিপালেরও মত আছে। তিনি বাধা দেন না। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি? আমি কি চলে যাবো, না চাকুরীবিধি অনুযায়ী অফিসে ৫-টা পর্যন্ত কাজ করব?
প্রশ্ন (১৩/২৫৩) : অমুসলিমদের নিকট বিড়ি-সিগারেট বা তামাকজাত পণ্য বিক্রয় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৮/১৩৮) : সরকারী প্রশাসনিক ক্যাডার পর্যায়ে চাকুরী করলে দেশের সার্বিক উন্নয়নে কিছু অবদান রাখা সহজ হয়। পুলিশ প্রশাসনে গেলে সামাজিক দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাওয়া যায়। এসব ক্ষেত্রে দিন দিন ধার্মিক মানুষের সংখ্যা কমছেই। এ দৃষ্টিকোণ থেকে মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের এদিকে এগিয়ে যাওয়া যরূরী কি? না কি দ্বীনী জ্ঞান বিতরণের পথেই থাকা যরূরী?
আরও
আরও
.