উত্তর : প্রথমত কোন ব্যক্তি প্রকাশ্যে অথবা গোপনে হারাম কর্মে লিপ্ত থাকলে যেমন যেনা (ব্যভিচার), হারাম ভক্ষণ ইত্যাদি-তাহ’লে তার দো‘আ কবুল হবে না। যদিও আল্লাহ তা‘আলা কখনো কখনো গোনাহগারের দো‘আও কবুল করেন। নবী করীম (ছাঃ) এমন এক ব্যক্তির কথা বর্ণনা করলেন, যে দীর্ঘ সফর করে, তার চুল এলোমেলো, দেহ ধূলিমলিন, সে আকাশের দিকে হাত তুলে বলে, হে আমার প্রতিপালক! হে আমার রব! অথচ তার খাবার হারাম, পানীয় হারাম, পোষাক হারাম এবং সে হারাম দ্বারা লালিত-পালিত তাহ’লে তার দো‘আ কিভাবে কবুল হবে? (মুসলিম হা/১০১৫; মিশকাত হা/২৭৬০)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘রাত্রির অর্ধভাগে আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়। অতঃপর একজন আহবানকারী আহবান করতে থাকে যে, কেউ কি দো‘আ করছে যাতে তা কবুল করা হয়? কেউ কি কিছু চাইছে যাতে তা তাকে দেওয়া হয়? কেউ কি বিপদে আছে যাতে তা দূর করা হয়? তখন এমন কোন মুসলমান অবশিষ্ট থাকে না, যে দো‘আ করে অথচ তা কবুল হয় না। কেবল সেই নারী ব্যতীত যে ব্যভিচারের জন্য পথে বের হয়’ (তাবারাণী আওসাত্ব হা/২৭৬৯, সনদ ছহীহ)। দ্বিতীয়ত অবৈধ সম্পর্কে সম্পৃক্ত থাকা ব্যক্তিদ্বয় তওবা করলে তাদের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্ক জুড়ে দেওয়া জায়েয। আর কোন অবৈধ সম্পর্কে যুক্ত ব্যক্তিকে বিবাহ করতে চাইলে তাকে অবশ্যই প্রথমে তওবা করে গোনাহ মুক্ত হ’তে হবে।
প্রশ্নকারী : রূহুল আমীন, ঢাকা।