উত্তর : যাবে। কারণ দ্বীনের মৌলিক জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্য ফরযে আইন (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ৩/৩২৮)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘জ্ঞান অন্বেষণ করা প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরয (ইবনু মাজাহ হা/২২৪; ছহীহুত তারগীব হা/৭২)। তবে দ্বীনের উচ্চতর জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফরযে আইন নয় বরং ফরযে কেফায়া। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘অতএব তাদের প্রত্যেক দলের একটি অংশ কেন বের হয় না, যাতে তারা দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করতে পারে এবং ফিরে এসে নিজ কওমকে (আল্লাহর নাফরমানী হ’তে) ভয় প্রদর্শন করতে পারে, যাতে তারা সাবধান হয়’ (তওবা ৯/১২২)

প্রশ্নকারী : মারূফ হাসান, হাজারীবাগ, ঢাকা।








বিষয়সমূহ: বিধি-বিধান
প্রশ্ন (৩৬/৩৯৬) : সন্তান প্রসবকালীন সময়ে কোন মহিলা মৃত্যুবরণ করলে তিনি কি শহীদের মর্যাদা লাভ করবেন?
প্রশ্ন (৭/২৪৭) : জান্নাতী নারীদের পোষাক সবুজ রঙের হবে একথার কোন সত্যতা আছে কি? - -মুস্তাফীযুর রহমান, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।
প্রশ্ন (২৫/২৬৫) : হাদীছে দ্রুত ইফতার করতে বলা হয়েছে। আবার সময়ের আগে ইফতার করার কঠিন শাস্তি বর্ণনা করা হয়েছে। আমাদের করণীয় কী?
প্রশ্ন (২৪/২৪) : আমি রাগবশতঃ আমার স্ত্রীকে গত দু’মাস আগে তার পিতার নাম ধরে তাকে এক তালাক, দুই তালাক এবং তিন তালাক বলেছি। এখন আমি আমার স্ত্রীর থেকে আলাদা আছি। কেউ কেউ বলছেন, আমাদের সংসার এখনো পুরোপুরি ভেঙ্গে যায়নি। এক্ষণে আমি তার সাথে সংসার করতে চাইলে আমার করণীয় কী?
প্রশ্ন (১০/১৭০) : সূরা হূদের ১১৪ আয়াতের তাফসীর জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৯/৩৭৯) : হাদীছে নবী (ছাঃ)-এর উপর বেশী বেশী দরূদ পাঠ করতে বলা হয়েছে। এটা দরূদে ইবরাহীমী, না অন্য কোন দরূদ? কিভাবে কখন তাঁর উপর দরূদ ও সালাম পেশ করতে হবে? রাসূল (ছাঃ) নিজেই নিজের উপর কিভাবে কোন দরূদ পড়তেন?
প্রশ্ন (১/৩৬১) : অন্যের জমিতে ফসলের ক্ষতি না করে বিনা অনুমতিতে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগী চরানো বা ঘাস খাওয়ানো যাবে কি?
প্রশ্ন (২১/৬১) : আমাদের সমাজে প্রচলিত একটি কথা আছে যে গোসলের পর ভাত অথবা রুটি ছাড়া কোন ফল খাওয়া যাবে না। এটা কি সত্য? - -এনামুল হক, জগতী, কুষ্টিয়া।
প্রশ্ন (৩০/২৩০) : বরই পাতা দিয়ে মাইয়েতকে গোসল করানো কি ওয়াজিব?
প্রশ্ন (৩৪/২৩৪) : ছিয়ামরত অবস্থায় কেউ কবীরা গুনাহে লিপ্ত হয়ে পড়লে তার ছিয়াম কি ভঙ্গ হয়ে যাবে?
প্রশ্ন (৩৮/২৭৮) : জামা‘আত চলাকালে মহিলারা সশব্দে আমীন বলতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৫/২৮৫) : জনৈক ব্যক্তি নিয়মিত যাকাত প্রদান করতেন। কিন্তু বিভিন্ন অসুবিধার কারণে তিনি অনিয়মিত হয়ে পড়েন। কয়েক বছর পর এখন তিনি নিয়মিত যাকাত দিতে চান। কিন্তু আগের প্রদেয় যাকাত অনেক বেশী পরিমাণে হয়ে যাওয়ায় তা আদায় করা কষ্টকর হয়ে পড়ছে। এক্ষণে পুরোটা কি আদায় করা আবশ্যক হবে না তওবা করলেই হবে?
আরও
আরও
.