উত্তর : ছিয়াম অবস্থায় মিসওয়াক করা যাবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, আমি যদি উম্মতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম তাহলে প্রত্যেক ছালাতের সময় মিসওয়াক করার আদেশ দিতাম’ (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৩৭৬ ‘মিসওয়াক’ অনুচ্ছেদ)। উক্ত হুকুম দ্বারা ছিয়াম পালনকারী বা ছিয়ামহীন কাউকে খাছ করা হয়নি (বুখারী ‘ছিয়াম’ অধ্যায়, ‘ছিয়াম পালনকারীর জন্য কাঁচা ও শুকনা বস্ত্ত দ্বারা মিসওয়াক করা’ অনুচ্ছেদ-২৭; ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম, পৃঃ ৪৬৮)। ইবনু ওমর (রাঃ) ছিয়াম অবস্থায় মিসওয়াক করাকে অন্যায় মনে করতেন না (মুছান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ হা/৯২৪১, সনদ ছহীহ)।







প্রশ্ন (৫/২৪৫) : দৈনন্দিন আমলসূরা নাস, ফালাক ও ইখলাছ পাঠের সময়ও কি শুরুতে ‘বিসমিল্লাহ’ পাঠ করতে হবে?
প্রশ্ন (৩২/৭২) : মসজিদ ও মাদ্রাসায় লক্ষ লক্ষ টাকা সঞ্চিত থাকে। সেগুলোর উপর কি যাকাত ফরয হবে? - -আব্দুল্লাহ, কেশরহাট, রাজশাহী
প্রশ্ন (১৫/১৩৫) : বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ৫০ বছর বা ১০০ বছর পূর্তি ঘটা করে পালন করা হয়। এরূপ করা কি শরী‘আতসম্মত? - -হাবীবুর রহমানবাংলাদেশ সেনাবাহিনী, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৪/৩৯৪) : বদলী হজ্জ মূলতঃ কাদের জন্য প্রযোজ্য? - -আবুল হাসান, কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ।
প্রশ্ন (১১/৩৩১) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, জুম‘আর খুৎবা শ্রবণ ওয়াজিব এবং তাহিইয়াতুল মসজিদ ছালাত পড়া সুন্নাত। সুতরাং খুৎবা শুরু হয়ে গেলে তাহিইয়াতুল মসজিদ আদায় না করে খুৎবা শুনতে হবে। একথা সঠিক কি?
প্রশ্ন (৩/৩৬৩) : অনেক ইসলামী সঙ্গীত সমাজে প্রচলিত বিভিন্ন গানের সুর ও ছন্দ নকল করে গাওয়া হয়। এরূপ নকলে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (১/২৮১) : নারীদের টাখনুর উপরে কাপড় পরতে হবে কি? - -মুহাম্মাদ সুরুজ, সুজানগর, পাবনা।
প্রশ্ন (৭/৩২৭) : জনৈক আলেম বলেন, মসজিদে এসে দুই রাক‘আত ছালাত আদায় না করে মসজিদে বসে পড়া ক্বিয়ামতের আলামত। একথার কোন সত্যতা আছে কি? - -আশিক ইকবাল, সাভার, ঢাকা।
প্রশ্ন (২০/১৪০) :আমাদের মসজিদের ইমাম বাচ্চাদের মসজিদে নিয়ে আসতে একেবারেই নিষেধ করে দিয়েছেন। এটা সঠিক হয়েছে কি?
প্রশ্ন (১৯/২৫৯) : আমি আমার প্রতিষ্ঠানের পণ্যগুলো ট্রান্সপোর্টে বিভিন্ন যেলায় পাঠাই। সেক্ষেত্রে আমি ট্রান্সপোর্ট থেকে নিয়মিত কমিশন পাই। এটা গ্রহণ করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩১/৩৫১) : কুরআনে সিজদার আয়াত কয়টি। এ আয়াতগুলি যেকোন স্থানে শ্রবণ করলে কি সেখানেই সিজদা দিতে হবে না পরে দিলেও চলবে। এর জন্য ওযূ শর্ত কি?
প্রশ্ন (৪/৪৪) : আয়েশা (রাঃ) বলেন, একদা এক চাঁদনী রাত্রে যখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর মাথা আমার কোলে ছিল, তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! আকাশে যে পরিমাণ নক্ষত্র আছে সেই পরিমাণ কারো নেকী হবে কি? তিনি উত্তরে বলেন, ওমরের নেকী এই পরিমাণ। আমি বললাম, তাহ’লে আবুবকরের নেকী কোথায়? তখন তিনি বললেন, ওমরের সমস্ত নেকী আবুবকরের একটি নেকীর সমান (রাযীন)। উক্ত হাদীছটি কি ছহীহ?
আরও
আরও
.