উত্তর : বর্ণনাটি জাল ও মুনকার। এই বর্ণনা থেকেই তাবলীগ জামা‘আত চল্লিশ দিনের চিল্লার প্রবর্তন করেছে, যা ভিত্তিহীন ও বাতিল। আবু নু‘আইম তার হিলইয়াহ গ্রন্থে (৫/১৮৯), কাযাঈ মুসনাদে শিহাবে (হা/৪৬৬), ইহইয়াউ ঊলূমিদ্দীনসহ কিছু কিতাবে এটি বর্ণিত হয়েছে (কিতাবুল মাওযূ‘আত ৩/১৪৪; সিলসিলা যঈফাহ হা/৩৮)






প্রশ্ন (২৭/১০৭) : প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সাক্ষাতের সময় সালাম বিনিময় না করে প্রচলিত স্যালুট প্রথা শরী‘আতসম্মত কি?
প্রশ্ন (২৬/৪৬৬) : আমি দেখতে শ্যামলা হওয়ায় আমার অনেক বিয়ে ভেঙে গেছে। এক্ষণে আমি রং ফর্সাকারী ক্রীম ব্যবহার করতে পারবো কি?
প্রশ্ন (৩০/১১০) : আমার পিতা মায়ের মৃত্যুর পর আরেক বিধবা নারীকে বিবাহ করেছেন। যার ১০ বছর বয়সী ১টা ছেলে আছে। আমার পিতা বাসায় কেউ আসলে বা কেউ জিজ্ঞেস করলে ঐ ছেলেকে নিজের ছেলে হিসাবেই পরিচয় করিয়ে দেন। এটা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৪০/২৪০) : সংসার পরিচালনায় সক্ষম স্বামীর অমতে সরকারী চাকুরী করায় স্বামী আমার প্রতি অসন্তুষ্ট। অন্যদিকে আমার সন্তান হচ্ছে না। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৭/১২৭) : বর্তমানে অধিকাংশ বিবাহ অনুষ্ঠানে মেহমানরা দামী উপহার সামগ্রী নিয়ে যায়, যা দাওয়াত দাতাদের নিকটে কাংখিত ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। বিবাহ অনুষ্ঠানে দাওয়াতের সাথে উপহার কামনা করা কি শরী‘আতসম্মত? এরূপ দাওয়াত গ্রহণ না করলে কি মুসলমানের হক নষ্ট করা হবে?
প্রশ্ন (৪০/৩৬০) : নবী করীম (ছাঃ) কদরের রাত দেখেছেন কি? কদরের রাত কিভাবে বুঝা যাবে?
প্রশ্ন (৩/৮৩) : আলক্বামা নামক একটি নেক্কার ছেলে তার মায়ের উপর স্ত্রীকে প্রাধান্য দেয়ায় মৃত্যুকালে কালেমা পড়তে পারছিল না। রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট ঘটনা বর্ণনা করা হ’লে তিনি স্বয়ং আলক্বামার নিকট গিয়ে ঘটনার সত্যতা দেখে ছাহাবীদের নির্দেশ দিলেন খড়ি জমা করে আগুনে আলক্বামাকে জ্বালিয়ে দেওয়ার জন্য। তখন তার মা তাকে ক্ষমা করে দিলেন। অতঃপর তিনি কালেমা পড়লেন ও স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করলেন। উক্ত ঘটনার সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৪/৪৪) : কুরআন মাজীদ পাঠ করার পূর্বে বিশেষ কোন দো‘আ, আমল বা অন্য কোন করণীয় আছে কি? এসময় নিয়মিতভাবে দরূদে ইব্রাহীমী পাঠ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৫/১১৫) : আদম (আঃ) সৃষ্টির পূর্বে পৃথিবীতে যে জিন জাতি ছিল তাদের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন নবী-রাসূল এসেছিলেন কি?
প্রশ্ন (৩৩/১৫৩) : কবরে রাসূলের ছবি দেখিয়ে কি বলা হবে ইনি কে? - -মোশাররফ হোসাইনরিয়াদ, সঊদী আরব।
প্রশ্ন (১০/২১০) : বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন শায়েখের ভক্তরা অন্য শায়েখদের দোষ-ত্রুটি তুলে ধরে, বিদ‘আতী ও কাফের বলে ফৎওয়া দেয় এবং নানা গালিগালাজ ও তুচ্ছতাচ্ছিল্যে লিপ্ত হয়। এসব করা কতটুকু জায়েয? এসবের পরিণতি কি?
প্রশ্ন (৩৫/৩৫৫) : হযরত ঈসা (আঃ)-কে মাসীহ বলা হয় আবার দাজ্জালকেও মাসীহ বলার কারণ কি?
আরও
আরও
.