উত্তর : নারীদের একাকী সফরের ব্যাপারে ইসলাম কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আর কোন নারী মাহরাম ছাড়া সফরে বের হবে না। এরপর একজন ছাহাবী দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! আমার স্ত্রী হজ্জের উদ্দেশ্যে বের হয়ে গিয়েছেন, আর আমি অমুক অমুক যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য নাম লিখিয়েছি। তখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, তুমি যাও এবং তোমার স্ত্রীর সাথে হজ্জ করো (মুসলিম হা/১৩৪১)। তিনি আরো বলেন, ‘কোন নারী যেন নিকটাত্মীয় মাহরাম পুরুষ ছাড়া একদিন ও একরাতের দূরত্বে যাত্রা না করে (তিরমিযী হা/১১৭০, সনদ ছহীহ)। আরেকটি হাদীছে এসেছে, ‘আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী কোন নারীর জন্য এটা বৈধ নয় যে, সে কোন মাহরাম পুরুষ ছাড়া এক দিনের সফরে বের হবে’ (বুখারী হা/১০৮৮)। তবে রাস্তায় পূর্ণ নিরাপত্তা, সাথে অন্যান্য নারীরা থাকলে এবং অল্প সময়ের সফর হলে যাওয়া যাবে। ইমাম হাত্তাব রুআনী বলেন, যদি কোন মহিলা এমন একটি নিরাপদ কাফেলায় থাকে, যাতে পর্যাপ্ত লোকবল ও সরঞ্জাম থাকে অথবা এমন একটি নিরাপদ বাহিনীর সাথে থাকে, যা প্রতিপক্ষের উপর বিজয় লাভে সক্ষম, অথবা কোন বৃহৎ ও নিরাপদ এলাকায় অবস্থান করে তাহ’লে তার কোন মাহরাম (পুরুষ অভিভাবক) ছাড়া সফর করার বৈধতা রয়েছে। এই বৈধতা সমস্ত ধরনের সফরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। হোক তা ফরয, নফল বা মুবাহ। এটাই ইমাম মালেক ও অন্যান্যদের মত, কারণ এর মধ্যে এবং নিজ শহরে অবস্থানের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই (মাওয়াহিবুল জালীল ফি শরহে মুখতাছারে খলীল ২/৫২৪)।
প্রশ্নকারী : হালীমা, বরিশাল।