উত্তর : উক্ত মর্মে একটি বর্ণনা পাওয়া যায়। তবে বর্ণনাটির সনদ জাল। অতএব এই ধরনের ভিত্তিহীন কথা রাসূল (ছাঃ)-এর দিকে সম্পৃক্ত করা যাবে না (মুসনাদে আবী ইয়া‘লা হা/৩৬৭৮; মাজমা‘উয যাওয়ায়েদ হা/১৭৫৬০; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৩/২৪৮)। তাছাড়া এটি ছহীহ হাদীছের বিরোধী। কেননা রাসূল (ছাঃ) এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে উত্তম সেই ব্যক্তি, যার বয়স দীর্ঘ হয় ও আমল সুন্দর হয়’ (তিরমিযী হা/২৩২৯; মিশকাত হা/৫২৮৫)

প্রশ্নকারী : হাদিউয্যামান, উত্তরা, ঢাকা।







বিষয়সমূহ: বিধি-বিধান
প্রশ্ন (৮/১৬৮) : দত্তক নেওয়া সন্তানকে মাহরাম বানানোর জন্য বোনের বা ভাবীর দুধ পান করানো যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/২৩৮) : পুরুষের জন্য হোয়াইট গোল্ড-এর আংটি, ঘড়ি বা অন্য কোন অলংকার ব্যবহার করায় কোন বাধা আছে কি? - মীযানুর রহমান, সিলেট।
প্রশ্ন (৭/২৪৭) : রাতে কাজ শেষ করতে করতে ১২টা কখনো ১টা পার হয়ে যায়। এসময় তাহাজ্জুদের ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৮/২৮৮) : ইমাম রুকূতে যাওয়া অবস্থায় জামা‘আতে শরীক হ’লে সূরা ফাতিহা পড়ে শরীক হ’তে হবে, না ইমাম যে অবস্থায় আছেন সে অবস্থায় শরীক হ’তে হবে?
প্রশ্ন (৩৪/২৭৪) : আমি সফরে বের হওয়ার নিয়তে দু’ওয়াক্তের ছালাত একত্রে আদায় করে ফেলি। কিছুক্ষণ পরে সফর বাতিল করা হয়। এক্ষণে আমাকে কি পুনরায় ছালাত আদায় করতে হবে? না আগেরটাই যথেষ্ট হবে?
প্রশ্ন (৩০/১১০) : আমাদের পারিবারিক কবরস্থান আছে। সেখানে কবরের ওপর বাঁশঝাড় হয়েছে। কিছু বাঁশ বিক্রি করা হয়েছে। উক্ত বাঁশ বিক্রির টাকা মসজিদে দান করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৯/৪৯) : হাদীছের বর্ণনা মোতাবেক পুরাতন কুরআন পুড়িয়ে ফেললে সমাজে বিভ্রান্তি তৈরী হয়। এমনকি ভুল বোঝাবুঝির কারণে হানাহানি পর্যন্ত হয়ে যায়। এ ব্যাপারে করণীয় কি? - -আব্দুল লতীফ, সোনাবাড়িয়া, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (৪/৩৬৪) : বুখারী ৫৬১০ নং হাদীছে এসেছে, রাসূল (ছাঃ) মদ, মধু ও দুধের মধ্যে দুধ পান করেছিলেন। এ হাদীছের ব্যাখ্যা জানিয়ে বাধিত করবেন?
প্রশ্ন (২৪/৬৪) : কিছু মসজিদে দেখা যাচ্ছে ফরয ছালাতের সালাম ফিরানোর পরেই উচ্চ আওয়াযে হাদীছ পাঠ শুরু হচ্ছে। অন্যদিকে মাসবূক মুছল্লীরা ফরযের বাকী অংশ আদায় করছেন। উচ্চ আওয়াযের কারণে মাসবূকের সূরা বা দো‘আ পাঠ করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আবার সব মাসবূকের ছালাত শেষ হ’তেও অন্য মুছল্লীদের সুন্নাত পড়ার সময় হয়ে যাচ্ছে। এক্ষণে হাদীছ পাঠ কিভাবে এবং কোন সময়ে করতে হবে?
প্রশ্ন (১/২০১) : আমরা শুনেছি যে, পবিত্র কুরআনে নাকি নারী-পুরুষ আল্লাহর নিকট সমান এ কথা বলা হয়েছে। অপরদিকে হাদীছে পিতার চেয়ে মাতার অধিকার বেশী বলা হয়েছে। কিন্তু আক্বীক্বার ক্ষেত্রে দেখা যায় তার উল্টো। অর্থাৎ ছেলের জন্য ২টি আক্বীক্বা, আর মেয়ের জন্য ১টি। এখানে কার অধিকারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হ’ল?
প্রশ্ন (১/৪০১) : পিতার অবৈধ সম্পত্তি সন্তান ভোগ করলে গোনাহগার হবে কি?
প্রশ্ন (৯/১৬৯) : চেরুমন পেরুমল সম্পর্কে জানতে চাই। তিনি শাসক ও ছাহাবী ছিলেন মর্মে যে ইতিহাস রয়েছে তা সত্য কি?
আরও
আরও
.