উত্তর : দুগ্ধপোষ্য শিশু হ’লে দুধ পান করাতে পারে। কারণ দুধ পান করানোর মাধ্যমে মাহরাম সাব্যস্ত হয়। তবে ভাবীর দুধ পান করানোতে ভাবীর রক্তসম্পর্কীয় আত্মীয়রা মাহরাম সাব্যস্ত হবে ভাবীর ননদ বা শাশুড়ীরা নয়। উল্লেখ্য যে, কোন শিশুর দুধ মা সাব্যস্ত হওয়ার জন্য দু’টি শর্ত রয়েছে। ১. দুধ পান করার বয়সে দুধ পান করতে হবে। ২. কমপক্ষে পাঁচ বার দুধ পান করাতে হবে। পাঁচ বার অর্থ পাঁচ ঢোক নয়; বরং পৃথক পৃথক সময়ে পাঁচবার তৃপ্তি সহকারে দুধ পান করা (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২২/২৩৯)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘দুধ পান করানোর মাধ্যমে হারাম (মাহরাম) প্রতিষ্ঠিত হয় কেবল সেই দুধ থেকে, যা শিশুর পেটে প্রবেশ করে অর্থাৎ স্তন থেকে সরাসরি পান করা এবং যা দুধ ছাড়ানোর পূর্বে হয়ে থাকে’ (তিরমিযী হা/১১৫২; মিশকাত হা/৩১৭৩, সনদ ছহীহ)

প্রশ্নকারী : মুজীবুল্লাহ, ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক।








বিষয়সমূহ: মহিলা বিষয়ক
প্রশ্ন (২৯/১০৯) : আমরা যেভাবে প্রতি বছর কুরবানীর বিধান পালন করে থাকি। ইব্রাহীম (আঃ) যতদিন বেঁচে ছিলেন তিনিও কি প্রতি বছর কুরবানী করেছিলেন?
প্রশ্ন (২৪/২৬৪) : কুরআন ও ছহীহ হাদীছের অনুসারী না হ’লে সে কি স্থায়ী না অস্থায়ী জাহান্নামীদের অন্তর্ভুক্ত হবে?
প্রশ্ন (৩২/১৯২) : কবরে নবী-রাসূলকে কয়টি প্রশ্ন করা হবে?
প্রশ্ন (১১/২১১) : কা‘বাগৃহ, মসজিদে নববীসহ বিভিন্ন স্থানে ফরয ছালাত চলাকালীন সময়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মুছল্লীদের মাঝে দাঁড়িয়ে পাহারারত দেখা যায়। জামা‘আত চলাকালীন সময়ে এরূপ করা জায়েয হবে কি? - -ছালাউদ্দীন বাবু, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩৪/১৯৪) : কী পরিমাণ সম্পদ থাকলে হজ্জ করা ফরয?
প্রশ্ন (১৯/৫৯) : মাযহাবী ইমামের পিছনে ইচ্ছাকৃতভাবে জামা‘আতে ছালাত আদায় না করলে গোনাহগার হতে হবে কি?
প্রশ্ন (২৬/৩০৬) : পিতা-মাতার সেবা করার জন্য মাঝে-মধ্যে জামা‘আতে ছালাত ত্যাগ করতে হয়। এছাড়া উক্ত কারণে অধিকাংশ সময় যদি সুন্নাত ছালাত ত্যাগ করতে হয় তবে গুনাহগার হ’তে হবে কি?
প্রশ্ন (২৩/১৪৩) : নারীদের ভ্রূ অধিক ঘন হয়ে গেলে কিছুটা ছেটে ফেলায় কোন বাধা আছে কি? - -শামীমা বেগম, বাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৪০/৩৬০) : আমার আববা মৃত্যুর পূর্বে আমাকে কিছু জমি দিতে চেয়েছিলেন। তাই সেখানে দোতলা বাড়ী তৈরী করি। কিন্তু দলীল করার পূর্বেই তিনি মারা যান। এক্ষণে আমার সৎ মা ও আত্মীয়-স্বজন তা অস্বীকার করছে। উক্ত বিষয়ে সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১২/১৩২) : আমাদের এলাকায় প্রায় মসজিদের ইমামগণ ছালাত শেষে মুছল্লীদেরকে নিয়ে গোল হয়ে বসেন। বিভিন্ন রকমের দরূদ পড়ে থাকেন। যেমন- বালাগাল উলা, ছাল্লাল্লাহু, ইয়া মুহাম্মাদ, ইয়া রাসূলুল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ইত্যাদি। এসব দরূদ পড়া কি জায়েয।
প্রশ্ন (৩৮/৭৮) : আল্লাহ প্রদত্ত নে‘মতরাজি ইচ্ছামত ভক্ষণ করা যাবে কি? - -ইয়াসীন, মাদারটেক, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৩/৩০৩) : একজন প্রাণী চিকিৎসক হিসাবে কুকুর, বিড়াল ইত্যাদির চিকিৎসা করে অর্থ উপার্জন করায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
আরও
আরও
.