উত্তর : ছহীহায়েনের পর বিশেষভাবে ছহীহ হাদীছ সংকলনের জন্য স্বতন্ত্র দু’টি গ্রন্থ হ’ল ছহীহ ইবনু খুযায়মা (পূর্ণ নাম- مختصر المختصر من المسند الصحيح عن النبي صلى الله عليه وسلم) এবং ছহীহ ইবনে হিববান (পূর্ণ নাম : المسند الصحيح على التقاسيم والأنواع)। তবে এই গ্রন্থদ্বয়ের সকল হাদীছ ছহীহ নয়। বরং কিছু হাদীছ যঈফ ও জাল রয়েছে। ভাষ্যকার ড. মুহাম্মাদ মুছতফা আ‘যমী বলেন, ছহীহ ইবনু খুযায়মা ছহীহায়েনের মত নয় যে এর ব্যাপারে বলা যাবে এর সকল হাদীছই ছহীহ। বরং সেখানে ছহীহ পর্যায়ভুক্ত নয় এরূপ হাদীছও রয়েছে। কেবল ছহীহ বা হাসানই নয়। বরং যঈফ হাদীছও রয়েছে। তবে তা এ গ্রন্থে উল্লেখিত ছহীহ ও হাসান হাদীছের তুলনায় খুব কম। আর জাল এবং অতি দুর্বল হাদীছের সংখ্যাও প্রায় বিরল (তাহকীক ইবনু খুযায়মা ১/২২)। ইমাম সুয়ূতী  বলেন, ছহীহ ইবনু খুযায়মাহ বিশুদ্ধতার দিক থেকে ইবনু হিববানের চেয়ে অগ্রগণ্য। কেননা তিনি অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন করেছেন এবং সনদের ব্যাপারে সামান্য আপত্তি পেলেই তাকে ছহীহ বলা থেকে বিরত থেকেছেন (তাদরীবুর রাবী ১/১১৫)। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে এ গ্রন্থের বৃহত্তর অংশই হারিয়ে গেছে। আহমাদ শাকের, আলবানী, শু‘আইব আরনাঊত, ড. মুছত্বফা আ‘যমী প্রমুখ মুহাদ্দিছ উক্ত গ্রন্থদ্বয়ের তাহকীক সম্পন্ন করেছেন এবং ছহীহ ও যঈফ হাদীছসমূহ বাছাই করেছেন। 






প্রশ্ন (৪/১২৪) : ডাঃ যাকির নায়েকের লেকচারে শুনেছি, ‘গসপেল অব ম্যাথিউ’ গ্রন্থের ১৯ অধ্যায়ের ১৬ ও ১৭ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে, একজন লোক এসে ঈসা (আঃ)-কে বলল, হে মহান শিক্ষক! জান্নাতে যাওয়ার জন্য আমি কী কী কাজ করব? ঈসা (আঃ) বললেন, তুমি আমাকে মহান বলছ কেন? মহান একজন ছাড়া আর কেউই নন। তিনি হলেন আল্লাহ। প্রশ্ন হ’ল, আমরা মুহাম্মাদ (ছাঃ)-কে মহান বলতে পারি কি? এছাড়া অনেকে বলে, মহান নেতা, মহান মে দিবস, মহান স্বাধীনতা দিবস ইত্যাদি। এগুলো বলা যাবে কি?
প্রশ্ন (৭/৩৬৭) : গ্রামের দু’পাশে দু’টি মসজিদ রয়েছে। গ্রামের মধ্যস্থলে বাজারের নিকটে জুম‘আ মসজিদের সম্পত্তি রয়েছে। সেখানে আরেকটি ওয়াক্তিয়া মসজিদ নির্মাণ করা যাবে কি? তাছাড়া একটি মসজিদের অর্থ দিয়ে অন্য মসজিদ নির্মাণে অর্থ ব্যয় করা যাবে কি? - -মুহাম্মাদ নাজমুল হুদা, নাচোল, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (২৫/৩৮৫) : ওষুধের দোকানে বিভিন্ন প্রকার ওষুধ আছে। এর সাথে মানুষের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন প্রকারের জন্ম বিরতিকরণ বিক্রয় করা হয়। এসব ক্রয়-বিক্রয় করা কি বৈধ?
প্রশ্ন (৩৭/৩৭) : নাপিত হিসাবে আমি মূলত চুল কাটলেও মাঝে মাঝে ভোক্তার চাহিদা মোতাবেক দাড়িও কাটতে হয়। এটা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৫/২৬৫) : পুরুষরা নারীদের মাঝে অফলাইন বা অনলাইনে দাওয়াতী কাজ করতে পারবে কি? এক্ষেত্রে কি কি আদব রক্ষা করা যরূরী?
প্রশ্ন (৩৯/২৭৯) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, মীরাছের ক্ষেত্রে পিতার সম্পত্তিতে ছেলেরা মেয়েদের দ্বিগুণ পেলেও মায়ের সম্পত্তিতে মেয়েরা ছেলেদের দ্বিগুণ বা সমান পাবে। উক্ত বক্তব্যের সত্যতা জানতে চাই। - -মামূনুর রশীদ, সি এ্যান্ড বি ঘাট, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (৩৩/৩১৩) : জনৈক আলেম বলেন, দুনিয়া অর্জন ও মানুষের কল্যাণবিহীন জ্ঞানার্জন করা হারাম। এক্ষণে আমার জন্য রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়া জায়েয হবে কি? - এসএম মুত্তালিব, বাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩০/১৫০) : আমি একটি ইসলামী ব্যাংকের অনুমোদিত এজেন্ট আউটলেট পরিচালনা করি। ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী গ্রাহকের টাকা জমা, উত্তোলন ও প্রেরণ সেবা প্রদান করি। এই সেবার বিনিময়ে ব্যাংক আমাকে নির্দিষ্ট কমিশন দেয়। এই কমিশন শরী‘আহ অনুযায়ী হালাল হবে কি?
প্রশ্ন (৩৯/৩৯৯) : জুম‘আ মসজিদে খুৎবার পরে মসজিদের সভাপতি দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ বক্তব্য দেন। এরপরে ছালাত শুরু হয়। উক্ত সময়ে সভাপতি ছাহেবের বক্তব্য দেওয়ার বৈধতা আছে কি? - -মুহাম্মাদ কেরামত আলী, বুধহাটা, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (৩৭/৪৩৭) : এশার ছালাতের পূর্বে নির্দিষ্টভাবে চার রাক‘আত সুন্নাত ছালাত আদায় করার বিধান রয়েছে কি?
প্রশ্ন (১৩/১৭৩) : ফাসেক-ফাজের হওয়া সত্ত্বেও বিত্তবান হওয়ায় কাউকে মসজিদ কমিটির সভাপতি বা সদস্য বানানোয় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি? - -আব্দুর রহমান, বাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৭/২৮৭) : ঈদের ছালাতে কুনূতে নাযেলা পাঠ করা যাবে কি?
আরও
আরও
.