উত্তর : এটি আল্লাহর গুণাবলীর অন্তর্ভুক্ত। আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আমার ঘরে প্রবেশ করলেন যখন আমার পাশে জনৈকা মহিলা বসা ছিল। তিনি বললেন ইনি কে?  আমি বললাম, ইনি হাওলা বিনতে তুওয়াইত যিনি রাতে ঘুমান না (অর্থাৎ ইবাদতে মগ্ন থাকেন)। একথা শুনে রাসূল (ছাঃ) বিরক্তি প্রকাশ করে বললেন, তোমাদের সাধ্য অনুযায়ী আমল কর। আল্লাহর কসম, আল্লাহ অতক্ষণ বিরক্ত হননা যতক্ষণ না তোমরা বিরক্ত হয়ে পড়ো (মুওয়াত্ত্বা মালেক হা/৩৮৮, বুখারী হা/৪৩; মুসলিম হা/৭৮৫)। অত্র হাদীছে ‘আল্লাহ বিরক্ত হন না’ এর অর্থ হ’ল আল্লাহ তা‘আলা নেকী ও ছওয়াব প্রদান থেকে বঞ্চিত করেন না। আর প্রকাশ্য অর্থে বিরক্ত হওয়া আল্লাহ তা‘আলার গুণাবলীর অন্যতম। যেমন রেগে যাওয়া, হাসা ইত্যাদি। তবে এটা সৃষ্টির কোন গুণাবলীর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নয় (শূরা ১১; শায়খ উছায়মীন, শারহু রিয়াযুছ ছালেহীন ১/১৬১ হা/১৪২)। কোন ক্লান্তি আল্লাহকে স্পর্শ করে না (ক্বাফ ৩৮)। কোন কোন আলেম মনে করেন, অত্র হাদীছ দ্বারা আল্লাহর বিরক্তি প্রকাশ পায় না। যেমন কেউ বলল ‘আমি দাঁড়াব না যতক্ষণ না তুমি দাঁড়াবে ’ এ বাক্যটি ২য় ব্যক্তির দন্ডায়মান হওয়াকে আবশ্যক করে না। অনুরূপ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর বাণী, ‘যতক্ষণ না তুমি বিরক্ত হবে, আল্লাহ বিরক্ত হবেন না’। এটা আল্লাহর জন্য বিরক্ত হওয়া আবশ্যক করে না। তবে আল্লাহ তা‘আলা এ সকল ত্রুটি থেকে মুক্ত। এ হাদীছ দ্বারা বিরক্তি সাব্যস্ত হলেও এটা অন্যদের মত নয় (ফাতাওয়া উছায়মীন ১/১৭৪)। অনুরূপভাবে বলা যায় এটা কুরআনে বর্ণিত মাকর (কৌশল), কায়দ (ফন্দি), খিদা‘ (ধোঁকা)-এর মত আল্লাহর একটি গুণ যার প্রতি ঈমান আনা আবশ্যক (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ২/৪০২)






প্রশ্ন (৩৬/৪৩৬) : এ্যালকোহলযুক্ত সেন্ট মেখে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৪০/৪০) : যে ব্যক্তি ছালাত আদায় করে না, তার জানাযা পড়তে হবে কি? কারো ব্যাপারে সন্দেহ থাকলে কিংবা অজ্ঞাত থাকলে করণীয় কি?
প্রশ্ন (২২/৪২২) : আমরা তিন ভাই পৃথকভাবে সংসার পরিচালনা করি এবং পিতা-মাতাও আলাদা থাকেন। আমরা সবাই মিলে তাঁদের ভরণ-পোষণের জন্য প্রতি মাসে একটি নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ দিয়ে থাকি। এ অবস্থায় আমাদের যাকাতের অর্থ পিতা-মাতাকে দেয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২/৪৪২) : ছিফফীনের যুদ্ধে যারা নিহত হয়েছেন তাদেরকে শহীদ বলা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৪/২৪) : দরিদ্রতার কারণে ফিৎরা আদায় করতে না পারলে গোনাহগার হবে কি?
প্রশ্ন (১৯/৪৫৯) : স্বামী-সন্তানহীন বিধবা নারী সক্ষম হলে তার জন্য কুরবানী করা কর্তব্য হবে কি? - -জাহিদ হাসান রাজিব , রাজশাহী।
প্রশ্ন (২১/৩০১) : জনৈক ইমামের ক্বিরাআত শুদ্ধ নয়। অনেক সময় হরকতেও ভুল হয়। অনেক মুছল্লী তার পিছনে ছালাত আদায় করতে চায় না। কিছু প্রভাবশালী লোকের সহযোগিতায় ইমামতি করেন। এ অবস্থায় তার পিছনে ছালাত শুদ্ধ হবে কি?
প্রশ্ন (২৩/২২৩) : অজান্তে কবরযুক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করে পরবর্তীতে জানতে পারলে উক্ত ছালাত পুনরায় আদায় করতে হবে কি?
প্রশ্ন (৩৬/৭৬) : আমার পিতা প্রবাসী। বাসায় মা ও বড় বোনকে নিয়ে আমি থাকি। বাসার প্রয়োজন মেটানোর জন্য পাশে আত্মীয়-স্বজন আছেন। এক্ষণে মা ও বোনকে একাকী রেখে ওমরাহ সফরে যাওয়া জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩৯/৩৫৯) : জনৈক নারী তার স্বামীর নিকট থেকে খোলা করে পৃথক হয়েছে। উক্ত নারীর দু’টি মেয়ে তার তত্ত্বাবধানে রয়েছে। তিনি তার বড় মেয়েকে কিছুটা দরিদ্র হ’লেও দ্বীনদার এক পাত্রের সাথে বিবাহ দিতে চান। মেয়েও তাতে রাযী। কিন্তু দরিদ্র হওয়ায় পিতা রাযী নন। এক্ষণে উক্ত মহিলা কি নিজে অভিভাবক হিসাবে বিবাহ দিতে পারবে? না সাবেক স্বামীর অনুমোদন লাগবে? - -হাসীবুল ইসলাম, কচুয়া, বাগেরহাট।
প্রশ্ন (১৪/৫৪) : কাউকে ‘মুনশী’ বলা যাবে কি? এটা কি শিরক হবে? - -রায়হান চৌধুরী. রাণীরবন্দর, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (১৭/২৯৭) : মসজিদের ভিতরের অংশ উঁচু এবং বারান্দা অংশ নীচু। এতে ছালাতের কোন সমস্যা হবে কি?
আরও
আরও
.