উত্তর : আশূরা তথা মুহাররম মাসের দশম দিন আল্লাহর উদ্দেশ্যে যেকোন সৎকর্ম করা যায়। ছিয়াম পালন করা, তাকবীর, তাহলীল, তাসবীহ ও তাহমীদ পাঠ করা ইত্যাদি। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘রামাযানের ছিয়ামের পর মুহাররমের ছিয়ামই হ’ল শ্রেষ্ঠ ছিয়াম’ (মুসলিম, মিশকাত হা/২০৩৯)। অন্য হাদীছে আছে রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আল্লাহর নিকটে আমার আশা যে, আশূরার ছিয়াম পালন করলে পূর্ববর্তী এক বছরের গোনাহ মাফ করে দিবেন’ (মুসলিম, মিশকাত হা/২০৪৪)।






প্রশ্ন (২৩/১৮৩) : আমি অল্প বেতনে সরকারী চাকুরী করি এবং পরিবার নিয়ে কোন রকম দিনাতিপাত করি। পিতা-মাতা অনেক সহায়-সম্পত্তির মালিক। কিন্তু আমি তাদের কোন আর্থিক সহযোগিতা করতে পারি না বলে আমার প্রতি অসন্তুষ্ট। আমার বোনদেরও বিবাহ হয়ে গেছে। প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও তাদেরকে নিয়মিত আর্থিক সহযোগিতা করার জন্য আমাকে চাপ দেন। কিন্ত আমার পক্ষে সম্ভব হয় না। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৫/১২৫) : ছহীহ বুখারীতে ‘যাকাতুল ফিতর’ ঈদের ছালাতের পূর্বে বণ্টন করার কথা রয়েছে। কিন্তু মাসিক আত-তাহরীকে ছালাতের পরে বন্টন করাকে সুন্নাত বলা হয়েছে। এমতাবস্থায় কোন্টি সঠিক? দলীল ভিত্তিক জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৩/৩৮৩) : দুই সিজদার মাঝে পঠিতব্য আল্লাহুম্মাগফিরলী.. দো‘আটি ছহীহ কি? এটি ছাড়া এসময় পঠিতব্য আর কোন দো‘আ আছে কি?
প্রশ্ন (৩৬/৪৭৬) : আমার মায়ের দুধ আমার চাচা পান করেছেন। আমি তার মেয়েকে বিবাহ করতে চাই এবং তারাও আমার কাছে বিয়ে দিতে চান। এক্ষণে এটা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১৯/৩৭৯) : হাদীছে নবী (ছাঃ)-এর উপর বেশী বেশী দরূদ পাঠ করতে বলা হয়েছে। এটা দরূদে ইবরাহীমী, না অন্য কোন দরূদ? কিভাবে কখন তাঁর উপর দরূদ ও সালাম পেশ করতে হবে? রাসূল (ছাঃ) নিজেই নিজের উপর কিভাবে কোন দরূদ পড়তেন?
প্রশ্ন (১৬/১৭৬) : পাঁচ ওয়াক্ত ছালাত ফরয হওয়ার পূর্বে নবী করীম (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম কিভাবে ছালাত আদায় করতেন? - -ওয়ালীউল্লাহ, কাঁটাখালী, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৩/৩১৩) : ছিয়াম অবস্থায় স্ত্রী সহবাস ব্যতীত সবকিছু করা যাবে কি? এতে যদি মযী নির্গত হয় তাহ’লে ছিয়ামের কোন ক্ষতি হবে কি?
প্রশ্ন (৩০/২৭০) : ওযন কমানোর জন্য আপেল সিডার ভিনেগার খাওয়া যাবে কী? - -মুখলেছুর রহমান, সাপাহার, নওগাঁ।
প্রশ্ন (৩৩/৭৩) : ‘মসজিদে দুনিয়াবী কথা বললে ১৭ বছরের ইবাদত বাতিল হয়ে যায়’ মর্মে কোন ছহীহ বর্ণনা আছে কি? - -মাহফূয আহমাদসোনারগাঁও, ঢাকা।
প্রশ্ন (১২/৪১২) : আমাদের এলাকায় বন্ধক দু’ভাবে হয়ে থাকে। যেমন আমার এক বিঘা জমি আছে, টাকার প্রয়োজন, কিন্তু জমি বিক্রি করা সম্ভব নয়। অন্য একজনের কাছ থেকে ১ লক্ষ টাকা নিয়ে আমার জমি তাকে দিলাম। সেক্ষেত্রে যতদিন টাকা ফেরত না দিচ্ছি ততদিন এই জমি তার দখলে থাকবে এবং তিনি চাষাবাদ করবেন এবং এর থেকে প্রাপ্ত সকল ফসল তিনি নিজেই ভোগ করবেন। দ্বিতীয়তঃ জমি আমার দখলে থাকবে এবং আমিই এর চাষাবাদ করবো। যদি তিনি চাষাবাদের খরচ বহন করেন তাহ’লে ফসলের অর্ধেক ভাগ পাবেন আর চাষাবাদের খরচ বহন না করলে ৩ ভাগের এক ভাগ ফসল পাবেন। আমি বিভিন্নভাবে জানতে পেরেছি প্রথম নিয়মটি স্পষ্ট সূদ। এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে দ্বিতীয় নিয়মে বন্ধক দিলে সেটা কি সূদ হবে?
প্রশ্ন (৪০/১৬০) : কুরআনী নির্দেশনা অনুযায়ী কোন নারী ব্যভিচারে লিপ্ত হ’লে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের ক্ষেত্রে ৪ জন পুরুষ সাক্ষী হাযির করা আবশ্যক। কিন্তু সেটি কিভাবে সম্ভব? আর চারজন সাক্ষী পেশ করার পিছনে হিকমত কি? - -তা‘লীমুল হক, সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ।
প্রশ্ন (৫/১৬৫) : যেনার মাধ্যমে জন্ম নেওয়া সন্তানকে অপমানসূচক কোন কথা বললে বা তার জন্ম নিয়ে কোন সমালোচনা করলে গোনাহ হবে কী?
আরও
আরও
.