উত্তর : হাতের তালুর ওপর ভর দিয়ে উঠতে হবে। সিজদায় যাওয়ার সময় প্রথমে দু’হাত মাটিতে রাখবে। অনুরূপভাবে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ রাক‘আতের জন্য ওঠার সময়ও হাতের তালুর উপর ভর করে দাঁড়াবে। কেননা এ বিষয়ে আবু হুরায়রা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, ‘হাঁটুর পূর্বে হাত রাখার হাদীছটি ছহীহ (আবূদাঊদ হা/৮৪০; মিশকাত হা/৮৯৯)। কিন্তু ওয়ায়েল বিন হুজ্র (রাঃ) বর্ণিত ‘আগে হাঁটু রাখার’ হাদীছটি যঈফ (আবূদাঊদ হা/৮৩৮; মিশকাত হা/৮৯৮; মির‘আত ৩/২১৭-১৮; ইরওয়া হা/৩৫৭)। আর মুষ্টিবদ্ধ হাতের উপর ভর করে সিজদা থেকে ওঠা ঠিক নয়। কেননা এর দ্বারা মাটিতে পুরোপুরি ভর দেয়া যায় না। ইবনে ওমর (রাঃ)-এর হাদীছে كان يَعْجِنُ শব্দ এসেছে, যার অর্থ আটার খামীর যেমন হাতের পুরা চাপ দিয়ে করতে হয়, অনুরূপভাবে মাটিতে হাতের উপর পুরা ভর দিয়ে উঠতে হয় (দ্র. মু‘জামুল আওসাত্ব হা/৪০০৭; ছহীহাহ হা/২৬৭৪; ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) ১৫৮পৃ.)

উল্লেখ্য যে, যারা মনে করেন রাসূল (ছাঃ) বার্ধক্যের কারণে হাতে ভর করে দাঁড়াতেন তাঁদের ধারণা ভুল। কারণ ইবনু ওমর (রাঃ) সুন্নাতের অনুসরণ করার জন্যই এমন আমল করতেন। সেজন্য ইবনু ওমরের ছেলে ও তার সাথীদের জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ইবনু ওমর কি বার্ধক্যের কারণে এমন আমল করতেন? তারা জওয়াবে বলেছিলেন, না। বরং এমনভাবে তিনি নিয়মিত করতেন (বায়হাক্বী, সুনানুল কুবরা হা/২৬৩২; তামামুল মিন্নাহ ১/২০০; যঈফাহ হা/৯৬৮-এর আলোচনা দ্র., আছারটির সনদ ছহীহ)






প্রশ্ন (১১/৪১১) : আমাদের সমাজে ৫০টি পরিবারে ২৩১ জন লোক। আমরা কুরবানীর গোশত এক জায়গায় জমা করে ২৩১ ভাগ করে যে পরিবারে যত লোক সেই কয় ভাগ তাদেরকে দেই। এভাবে গোশত বণ্টন করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩২/২৩২) : পিতার পাপ ছেলের উপর বর্তাবে কি?
প্রশ্ন (২৮/৩৮৮) : জুম‘আর খুৎবায় ইমাম ছাহেব সবাইকে তালবিয়া পাঠ করিয়ে বলেন এটি পাঠে অনেক ছওয়াব রয়েছে। এটা সঠিক কি?
প্রশ্ন (২৬/৪২৬) : সিজদায়ে তেলাওয়াতের নিয়ম কি? ওযূবিহীন অবস্থায় সিজদায়ে তেলাওয়াতের আয়াত পাঠ করলে সিজদা দেওয়া যাবে কি? এসময় নারীদের পর্দার পোষাক পরিধান করতে হবে কি? - -রফীকুল ইসলাম, নিয়ামতপুর, নওগাঁ।
প্রশ্ন (৭/২৪৭) : চেয়ারে বসে ছালাত আদায় করার বিধান কী?
প্রশ্ন (৭/৪৪৭) : জনৈক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে চায়। তাদের দু’টি সন্তান রয়েছে। এখন সন্তান দু’টি কার নিকটে থাকবে।
প্রশ্ন (৩৩/৭৩) : রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মুহাজির বলা যাবে কি? - -ফরহাদ, টিকাপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৭/১১৭) : অনেক গৃহকর্তা বা কত্রী কাজের মানুষদের সাথে দাস-দাসীর ন্যায় আচরণ করে থাকে এবং তাদের অনেক নীচু পর্যায়ের বলে মনে করে। তাদেরকে নিম্ন মানের পোষাক, খাবার, আবাসস্থল প্রদান করে। এক্ষণে এরূপ আচরণের পরিণাম এবং এদের সাথে আচরণ কেমন হওয়া উচিত সে সম্পর্কে জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৯/২৫৯) : জনৈক আলেম বলেছেন, বৈঠক শেষে পঠিতব্য দো‘আটি ওযূর শেষেও পাঠ করা যায়। এটা কি হাদীছ সম্মত? - -আলতাফ হোসাইন, তেরখাদিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২/১২২) : আমি রফতানী প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (বেপজা) -এ চাকুরী করি। এখানে সব কাজ ঠিকাদারের মাধ্যমে করানো হয়। কাজ দেওয়ার সময় ঠিকাদার আমাকে প্রতিদান স্বরূপ কিছু হাদিয়া দিতে চায়। এটা গ্রহণ করা যাবে কি? - -আমীনুল ইসলাম, বেপজা, ঢাকা।
প্রশ্ন (৪০/৪০) : আদম (আঃ) দুই সন্তান হাবীল ও ক্বাবীল-এর মধ্যে বিরোধ সম্পর্কিত ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে জানতে চাই। - ক্বামরুল ইসলাম, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
প্রশ্ন (৩/১২৩) : জনৈক আলেম বলেন, কাউকে সাপে দংশন করলে সূরা ফাতিহা সাতবার পড়ে তার উপর দম করবে। অতঃপর অর্থহীন মন্ত্র পড়তে হবে। যেমন- সিজ্জাতুন তারানি য়্যাতুন মিলহাতু বাহরিন কাফাত্বা। প্রশ্ন হল, উক্ত পদ্ধতিতে ঝাড়ফুঁক করা যাবে কি?
আরও
আরও
.