উত্তর : উক্ত বক্তব্য ভিত্তিহীন। কেননা এক কবরে একাধিক ব্যক্তির দাফন হ’তে পারে। তাছাড়া প্রত্যেকের হিসাব পৃথক হবে। যেমন আল্লাহ বলেন, ‘প্রত্যেক ব্যক্তিই স্বীয় কৃতকর্মের জন্য দায়ী হবে। কেউ কারু বোঝা বহন করবে না। অতঃপর তোমরা সবাই তোমাদের প্রতিপালকের নিকট প্রত্যাবর্তন করবে। অতঃপর তিনি তোমাদেরকে অবহিত করবেন ঐসব বিষয়ে যেসব বিষয়ে তোমরা মতভেদ করতে’ (আন‘আম ১৬৪)






বিষয়সমূহ: কবর
প্রশ্ন (৫/২০৫) :টয়লেটে থাকা অবস্থায় কুরআন শ্রবণ করা জায়েয কি?
প্রশ্ন (৩০/৩০) : প্রতিবেশী গরীবদের কিছু দান করার জন্য নিজ পরিবারে কিছু ব্যয় সংকোচন করায় পরিবার বিষয়টি ভালো চোখে দেখছে না। তাদের মতে, সর্বোত্তম ব্যয় হ’ল নিজ পরিবারে ব্যয় করা। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩৪/১১৪) : ঘুমানোর আগে ২১ বার বিসমিল্লাহ পড়ে ঘুমালে আল্লাহ ফেরেশতাদের বলেন, ঐ ব্যক্তির প্রতিটি নিঃশ্বাসে নেকী লেখা হৌক। সত্যতা জানতে চাই। - -আহমাদ আলী, মীরগড়, পঞ্চগড়।
প্রশ্ন (৩০/১৫০): সূরা আ‘রাফ ১৯০ আয়াতের তাফসীর জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩/৮৩) : জুম‘আর ছালাতে নিয়মিতভাবে কুনূতে নাযেলা পাঠ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১/৩২১) : আমাদের এলাকার সার, ডিজেল ও মুদির দোকানদাররা বাকী বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ২০% জোরপূর্বক লাভ নিয়ে থাকে। এটা কি বৈধ হবে?
প্রশ্ন (১৪/১৩৪) : বীর্য যদি অপবিত্র না হয়, তাহ’লে আমরা ফরয গোসল করি কেন? কেবল ধুয়ে ফেললেই যথেষ্ট হ’ত। সঠিক উত্তর জানতে চাই। - -মীযান, মিরপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৩/৩৭৩) : জানাযার ছালাতে শুধু ডান দিকে সালাম ফিরানো যাবে কি?
প্রশ্ন (২২/১৮২) : আমার পিতা মৃত্যুর পূর্বে একটি সম্পদ ব্যতীত সকল সম্পদ বণ্টন করে দেন। কিন্তু পরে বুঝতে পারেন যে, আমাকে কিছু অংশ বেশী দেওয়া হয়েছে। সেজন্য তিনি আমাকে অছিয়ত করেন যে, যে অংশটুকু বণ্টন হয়নি তা থেকে তুমি কিছুই গ্রহণ করবে না। কিন্তু আমার নিকট যা বেশী আছে তা অবণ্টিত সম্পত্তিতে পাওনা সম্পদের সমান নয়। এক্ষণে আমার পিতার অছিয়ত পূরণ করা কি আমার জন্য আবশ্যক? আমার করণীয় জানতে চাই। - -হাফীযুর রহমান, মহিষবাথান, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৯/৪৪৯) : সন্তান না হ’লে কুরআনের একটি আয়াত ৭ বার পাঠ করে ৪০টি লবঙ্গে ৭ বার ফুঁক দিয়ে প্রত্যেক সহবাসের পূর্বে একটি করে লবঙ্গ মোট ৪০ দিন খেলে সন্তান হবে। এর কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (১৫/২৯৫) : বিদায়কালে মুছাফাহা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৯/৩৬৯) : আমি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। আমার ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রী উভয়ই আছে। আমি হাত ও পা মোজা, নিকাবসহ পূর্ণ পর্দার সাথে ক্লাস নেই। অবসরে পৃথক কক্ষে বসার কারণে সহকর্মীদের সাথেও একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কথা বা সাক্ষাৎ হয় না। পড়ানোর সময়ও কন্ঠ কঠোর রাখি। এক্ষণে আমার জন্য শিক্ষকতা করা জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.