উত্তর : রামাযানে শয়তানদের শৃংখলাবদ্ধ করা হয় মর্মে একাধিক ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। এটি গায়েবী বিষয়। যেভাবে হাদীছে এসেছে সেভাবেই মুসলমানদের বিশ্বাস করতে হবে। তবে বিদ্বানগণ এর ব্যাখ্যায় বিভিন্ন অভিমত ব্যক্ত করেছেন। হাফেয ইবনু হাজার আসক্বালানী (রহঃ) বলেন, শয়তানরা মুসলমানদেরকে অন্য মাসে যেভাবে ফিৎনায় ফেলতে পারে সেভাবে রামাযানে পারে না। কারণ তারা ছিয়াম পালন, কুরআন তেলাওয়াত ও যিকিরে ব্যস্ত থাকে, যা অবৈধ কামনা-বাসনাকে দমন করে (ফাৎহুল বারী ৪/১১৪)। তারা এই মাসে ব্যাপকহারে মানুষকে পথভ্রষ্ট করতে পারে না বলেই তাদেরকে শৃংখলাবদ্ধ করার সাথে তুলনা করা হয়েছে। আবার কোন কোন বিদ্বান বলেছেন, যাতে শয়তান লোকদের ওয়াস্ওয়াসা দিতে ও মন্দ কর্মসমূহ তাদের নিকট সৌন্দর্যমন্ডিত করে দিতে না পারে, সেজন্য তাদেরকে অপারগ করে দেওয়া হয়। অবশ্য কোন কোন বর্ণনায় বলা হয়েছে যে, কেবল শয়তানদের মধ্যে অগ্রগামীদের শৃংখলবদ্ধ করা হয় সবাইকে নয় (ফাৎহুল বারী ৪/১১৪)। তবে আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে, আল্লাহ শয়তানকে বেঁধে রাখেন। কিন্তু কোন পদ্ধতিতে রাখা হয় আল্লাহই ভালো জানেন (ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২০/৭৫)

প্রশ্নকারী : রাফিয়া তাসনীম, নিয়ামতপুর, নওগাঁ।








বিষয়সমূহ: ছিয়াম-রামাযান
প্রশ্ন (১৮/২৯৮) : আমাদের মসজিদে ছালাত শেষে দলবদ্ধ মুনাজাত করিয়ে নেওয়ার জন্য মূর্খ ইমাম দ্বারা ছালাত আদায় করানো হয়। এক্ষণে আমরা তাদের পরে আলাদা জামা‘আত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটি কি সঠিক হবে? - -আসমাউল আলমতেরখাদিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২/৪২) : আগে আক্বীক্বার ক্ষেত্রে গোশত প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনের বাসায় বন্টন করে দেয়া হ’ত। কিন্তু বর্তমানে মানুষকে দাওয়াত করে অনুষ্ঠান করে খাওয়ানো হচ্ছে। এটা শরী‘আত সম্মত কি? যদি হয়ে থাকে তবে কোনটি উত্তম?
প্রশ্ন (৯/২০৯) : রামাযান মাসে কুরআন খতমের কোন গুরুত্ব রয়েছে কি?
প্রশ্ন (১৯/৯৯) : কুরবানীর পশু দ্বারা অন্যের ফসলের ক্ষতি করলে কুরবানীর ছওয়াব পাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৬/৪০৬) : আকীকার সময় নবজাতকের ২টি নাম রাখা যায় কি?
প্রশ্ন (৪০/৪০০) : কারো প্রতিকৃতি নির্মাণ ও তাতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা কী ধরনের অপরাধ?
প্রশ্ন (২০/২০) : কোন প্রাণীর ছবি পিছন থেকে আঁকা কি জায়েয? অর্থাৎ প্রাণীর মাথা যদি বিপরীতমুখী হয় এবং সুস্পষ্ট বোঝা না যায়, তা কি নাজায়েয হবে? - -আব্দুল গাফফারপুরাতন বাজার, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (২৩/১০৩) : আমি মাদ্রাসায় পড়ুয়া এক মেয়েকে দেখে শুনে বিয়ে করেছি। পরে দেখি সে দ্বীন সম্পর্কে অজ্ঞ এবং ভীষণ উদাসীন। সাথে সাথে ঝগড়াপ্রবণ ও কটূক্তিপরায়ণ। বিয়ের আগে যাচাই করা হয়নি, এজন্য নিজেকে দোষী মনে করি। মাঝে মাঝে এমন কষ্ট হয় যে আত্মহত্যার চিন্তাও আসে, কিন্তু পরকালের ভয়ে বিরত থাকি। এটা কি আমার ভাগ্যে লেখা ছিল নাকি আমার নিজের ত্রুটির ফল? আমার করণীয় কি? যদি ধৈর্য ধরে সংসার করি, তাহ’লে এর বিনিময়ে কি আমার কোন পুরস্কার মিলবে? আর মাঝে মাঝে আমি তাকে বলি, ‘আমি মরে গেলে তোমাকে পরকালে চাই না’ এতে কি আমার গোনাহ হবে?
প্রশ্ন (২১/১০১) : আযরাঈল মারা যাবেন কি? তার জান কবয করবে কে? - -মহীদুল ইসলাম, সোনাতলা, বগুড়া।
প্রশ্ন (৩৫/১১৫) : পাত্রের পিতা-মাতা উভয়ে মৃত। অভিভাবক হওয়ার মত কেউ নেই। এক্ষণে পাত্রীর পিতা-মাতার সম্মতি ও ব্যবস্থাপনায় বিবাহ সম্পন্ন করা যাবে কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, ঢাকা।
প্রশ্ন (৪০/৩৬০) : ইয়াহইয়া ও ঈসা (আঃ)-এর মাঝে এবং ইয়াহইয়া ও মারিয়াম (আঃ)-এর মাঝে কোন আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিল কি?
প্রশ্ন (৮/১৬৮) : দত্তক নেওয়া সন্তানকে মাহরাম বানানোর জন্য বোনের বা ভাবীর দুধ পান করানো যাবে কি?
আরও
আরও
.