উত্তর : এমতাবস্থায় তার কোন ফরয ও নফল ইবাদত কবুল হবে না। আলী (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, রাসূল (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি বিদ‘আত সৃষ্টি করে অথবা কোন বিদ‘আতীকে আশ্রয়  দেয়, তার উপর আল্লাহ, ফেরেশতা এবং সকল মানুষের অভিশাপ। তার ফরয ও নফল কোন ইবাদত কবুল করা হবে না (বুখারী, মুসলিম; মিশকাত হা/২৭২৮)। অতএব সকল প্রকার শিরক ও বিদ‘আত পরিহার করা একান্তভাবে যরূরী।






প্রশ্ন (২১/৩০১) : কিছু লোক যুক্তি দেখিয়ে বলে থাকে, মসজিদে যাওয়ার জন্য যেমন অনেকগুলো পথ থাকে, তেমনি বিভিন্ন ইসলামী দলের মাধ্যমে জান্নাতে যাওয়া যাবে। উক্ত যুক্তি কি সঠিক?
প্রশ্ন (২৭/৩৪৭) : খাওয়ার সময় সালাম আদান-প্রদান বা প্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলা যাবে কি ? - -মেহেদী হাসানহিরণ, কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ।
প্রশ্ন (৩৪/৩১৪) : রামাযানের দিনের বেলায় এন্ডোস্কপি পরীক্ষা করালে কি ছিয়াম ভঙ্গ হয়ে যাবে? - -আব্দুল্লাহ, বড়পেটা, আসাম, ভারত।
প্রশ্ন (১৯/১৩৯) : পারিবারিকভাবে ফ্ল্যাট নির্মাণ করতে গিয়ে আমার স্বামী প্রচুর পরিমাণ ঋণী হয়ে পড়েছেন। ফ্ল্যাট বিক্রি না হওয়ায় তার ঋণ পরিশোধ করাও সম্ভব হচ্ছে না। শুনেছি বায়তুল্লাহ গিয়ে দো‘আ করলে দো‘আ কবুল হয়। এক্ষণে এ মহা বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়ার জন্য আমাদের করণীয় কি? বায়তুল্লাহ গমন বা মানত করা না কি সাধারণভাবে দো‘আ করা উচিৎ হবে? - -রোকেয়া বেগম, নাযিরাবাজার, ঢাকা।
প্রশ্ন (৯/৩৬৯) : বর্তমানে অনেক মসজিদে মিম্বরের সামনে খতীবের খুৎবা দেওয়ার জন্য স্টান্ডসহ ডায়াস ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে শারঈ কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (২৫/২২৫) : যোহরের আগে ও পরে চার রাক‘আত করে মোট আট রাক‘আত ছালাত আদায়ের বিশেষ কোন ফযীলত আছে কি? - -মাহফূযুর রহমান, লালপুর, নাটোর।
প্রশ্ন (১৪/২৫৪) : আমি সঊদী আরবে একটি কেএফসি রেস্টুরেন্টে কাজ করি। আমাদের পোষাকে কেএফসি-এর প্রতিষ্ঠাতা ক্লোনেল সান্ডার্স-এর মাথার লোগো আছে। ছালাতের সময় হ’লে এই ডিউটি পোষাক পরেই ছালাত আদায় করা লাগে। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩৯/৩৯৯) : খতমে খাজেগান পড়া বিদ‘আত। কিন্তু ব্যাপক চাপের মুখে কোন এক স্থানে আমাকে পড়তে হয়েছে এবং এর জন্য আমাকে কিছু টাকাও দিয়েছে। এক্ষণে উক্ত টাকা কি আমি ব্যবহার করতে পারব?
প্রশ্ন (১৬/৩৩৬) : যে খাদ্য বা বস্ত্র মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর তা যদি হালাল হয়, তাহ’লে তা খাওয়া বা পরা যাবে কি?
প্রশ্নঃ (১৫/১৭৫) : গরু ও ছাগল খাসী করার শারঈ কোন বিধি-নিষেধ আছে কি?
প্রশ্ন (৩০/৪৩০) : সন্তানের আক্বীক্বা ব্যক্তির আত্মীয়-স্বজন বা অন্য কেউ দিতে পারবে কি?
প্রশ্ন (২৩/১০৩) : আমি মাদ্রাসায় পড়ুয়া এক মেয়েকে দেখে শুনে বিয়ে করেছি। পরে দেখি সে দ্বীন সম্পর্কে অজ্ঞ এবং ভীষণ উদাসীন। সাথে সাথে ঝগড়াপ্রবণ ও কটূক্তিপরায়ণ। বিয়ের আগে যাচাই করা হয়নি, এজন্য নিজেকে দোষী মনে করি। মাঝে মাঝে এমন কষ্ট হয় যে আত্মহত্যার চিন্তাও আসে, কিন্তু পরকালের ভয়ে বিরত থাকি। এটা কি আমার ভাগ্যে লেখা ছিল নাকি আমার নিজের ত্রুটির ফল? আমার করণীয় কি? যদি ধৈর্য ধরে সংসার করি, তাহ’লে এর বিনিময়ে কি আমার কোন পুরস্কার মিলবে? আর মাঝে মাঝে আমি তাকে বলি, ‘আমি মরে গেলে তোমাকে পরকালে চাই না’ এতে কি আমার গোনাহ হবে?
আরও
আরও
.