উত্তর : এ দাবী অবান্তর। বরং ইসলাম নারীর ন্যায্য অধিকার প্রদানের ব্যাপারে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে। উপরন্তু এই নীতি লংঘনের ব্যাপারে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারী এসেছে পবিত্র কুরআনে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘পিতা-মাতা ও নিকটাত্মীয়দের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে পুরুষদের অংশ রয়েছে এবং পিতা-মাতা ও নিকটাত্মীয়দের সম্পত্তিতে নারীদের অংশ রয়েছে কম হৌক বা বেশী হৌক। এ অংশ সুনির্ধারিত’ (নিসা ৪/৭)। সম্পত্তিতে নারীদের প্রাপ্য অংশ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ তোমাদের সন্তানদের (মধ্যে মীরাছ বণ্টনের) ব্যাপারে তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, এক পুত্রের অংশ দুই কন্যার অংশের সমান। যদি দুইয়ের অধিক কন্যা হয়, তাহ’লে তারা পরিত্যক্ত সম্পত্তির দুই-তৃতীয়াংশ পাবে। আর যদি কেবল একজনই কন্যা হয়, তবে তার জন্য অর্ধেক...’ (নিসা ৪/১১-১২)। আল্লাহ তা‘আলা নারী-পুরুষের জন্য বণ্টননামা করে দেওয়ার পর বলেন, ‘এগুলি হ’ল আল্লাহর নির্ধারিত সীমা... (নিসা ৪/১৩-১৪)

উল্লেখ্য যে, ইসলাম সমতা নয় বরং ন্যায্যতার ভিত্তিতে সম্পত্তি বণ্টন করেছে। যেহেতু ইসলাম নারীকে আর্থিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে এবং পুরুষকে এই দায়িত্ব পালনে নির্দেশনা দিয়েছে, সেজন্য সম্পদের বণ্টননীতিতে প্রয়োজনমাফিক (Need-based) কখনও কম-বেশী করা হয়েছে, আবার কখনও সমানও দেয়া হয়েছে। যেমন- সন্তানের সম্পত্তি বণ্টনের সময় জীবিত পিতা-মাতাকে সমানভাবে এক-ষষ্ঠাংশ প্রদান করা হয়েছে (নিসা ৪/১১)। এছাড়া যদি এমন ব্যক্তি মারা যায় যার না আছে সন্তান, না আছে পিতা-মাতা এবং তার এক ভাই বা এক বোন থাকে, তবে প্রত্যেককে ছয় ভাগের এক ভাগ দেয়া হয়েছে (নিসা ৪/১২)। এখানে ভাই ও বোন উভয়কেই সমান অংশ দেয়া হয়েছে। সুতরাং নারীরা সব সময় পুরুষের অর্ধেক মীরাছ পায়, এ ধারণা সঠিক নয়। বরং কিছু ক্ষেত্রে নারী যেমন কম পায় (যেমন ভাই-বোনের ক্ষেত্রে), তেমনি কিছু ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষ সমান পান (যেমন সন্তানের ক্ষেত্রে)। আবার কিছু ক্ষেত্রে নারী পুরুষের চেয়ে বেশীও পায় (যেমন, মৃত ব্যক্তির একমাত্র মেয়ে থাকলে সে পায় অর্ধেক, কিন্তু তার এক ভাই একা থাকলে সে সাধারণতঃ সম্পদের অর্ধেক পরিমাণ পায় না)। তাছাড়া বিয়ের সময় নারীকে মোহরানা প্রদান করা বাধ্যতা মূলক, কিন্তু পুরুষকে মোহরানা প্রদানের কোন বিধান নেই।

প্রশ্নকারী : নবীউল আহসান, বুয়েট, ঢাকা।








বিষয়সমূহ: বিধি-বিধান
প্রশ্ন (৭/৩২৭) : ওয়ায মাহফিলের সভাপতি বা প্রধান অতিথি করার শর্তে জনৈক ব্যক্তি অধিক পরিমাণে দান করার ওয়াদা করেছে। এরূপ চুক্তিভিত্তিক দান গ্রহণ করা মাহফিল কর্তৃপক্ষের জন্য জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১/৪১) : বাড়ি থেকে সফরের উদ্দেশ্যে ফজরের ছালাতের ওয়াক্ত হওয়ার পূর্বে বের হ’তে হ’লে আযানের আগেই ছালাত আদায় করে নেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২৩/৩০৩) : প্রতিটি মুসলিম বাড়ির ছাদের উপর মুমিন জিন অবস্থান করে মর্মে বর্ণিত হাদীছটির সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৯/৩২৯) : আল্লাহ তা‘আলা সাত আসমান ও সাত যমীন সৃষ্টি করেছেন। তাহ’লে কি আরো ছয়টি পৃথিবী বিদ্যমান রয়েছে। এ ব্যাপারে কুরআন-হাদীছ থেকে কিছু জানা যায় কি?
প্রশ্ন (৭/৮৭) : যে ব্যক্তি কুরআন মধুর সুরে তেলাওয়াত করে না, সে আমাদের দলভুক্ত নয় মর্মে বর্ণিত হাদীছটির সত্যতা ও ব্যাখ্যা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৬/৪৬) : মায়ের চাচাতো বোনকে বিয়ে করা যাবে কি? দলীলসহ জানতে চাই।
প্রশ্ন (৪০/২৪০) : কাশফ কি? যেকোন বুযর্গের কাশফ হওয়া সম্ভব কি? ফাযায়েল-এর কিতাবগুলিতে যেসব কাশফের বর্ণনা আছে তার সত্যতা আছে কি? - সাইফুল ইসলাম, খিলক্ষেত, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৪/৩৩৪) : আমাদের মসজিদের জমিতে অনেক পুরাতন কবর ছিল। পরে তার উপর ২ তলা বিশিষ্ট পাকা মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। কবর নির্দিষ্টভাবে কোথায় আছে তা কেউ জানে না। মসজিদ নির্মাণের সময় জমিদাতার ধারণামত একস্থান থেকে কিছু মাটি উঠিয়েছিলেন, কিন্তু কবরের কোন চিহ্ন পাননি। এক্ষণে উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১৩/২৯৩) : আমি জীবনে বহু মানুষের গীবত করেছি, তোহমতও দিয়েছি। আমার জানামতে এ গোনাহ আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। যাদের গীবত করেছি তাদের অনেকের সাথে আমার যোগাযোগও নেই। আবার ক্ষমা চাওয়াও লজ্জার ব্যাপার। এক্ষণে এ পাপ থেকে বাঁচার জন্য আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৮/৪১৮) : কোন মুশরিক ব্যক্তিকে ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য মসজিদের কোন দায়িত্ব দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্নঃ (৯/২৮৯): মুসলমানের পোষাক কেমন হবে? পুরুষ ব্যক্তি লাল পোষাক পরতে পারে কি?
প্রশ্ন (১০/৫০) : তিন/চার রাক‘আত বিশিষ্ট ছালাতে প্রথম বৈঠকের পর ভুল করে সালাম ফিরিয়ে ফেললে করণীয় কি?
আরও
আরও
.