উত্তর : ঈদ ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষ থেকে উপযুক্ত মাদুর বা কার্পেট বিছানো থাকলে আলাদা জায়নামায বিছানো সমীচীন নয়। কারণ এতে অহংকার প্রকাশ পেতে পারে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূঊল ফাতাওয়া ২২/১৭৩-৭৭)

প্রশ্নকারী : হুযায়ফা, সাহাপুর, রাজশাহী।








বিষয়সমূহ: জুম‘আ ও ঈদ
প্রশ্ন (১৬/৪১৬) : আমার অফিসে টয়লেট ব্যবস্থাপনার ভিন্নতার কারণে দাঁড়িয়ে পেশাব করতে হয়। বাধ্যগত অবস্থায় দাঁড়িয়ে পেশাব করা যাবে কি? এভাবে পেশাব করলে পানি বা টিস্যু ব্যবহার করলেও কিছু পেশাব থেকে যায় বলে মনে হয়। এমতাবস্থায় ওযূ করে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৮/২০৮) : একজন মৃত ব্যক্তির একাধিক জানাযা পড়া যায় কি? অনুরূপভাবে কোন ব্যক্তি একজনের জানাযা একাধিকবার পড়তে পারবে কি-না জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৬/২৬৬) : ক্যাথেটার লাগানো অবস্থায় মসজিদে গিয়ে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১/৮১) : যৌথ পরিবারে সকলেই বিবাহিত, সবারই সন্তান-সন্ততি রয়েছে এবং সকলে একত্রে বসবাস করে এবং একান্নভুক্ত। এক্ষণে যাকাত আদায়ের ক্ষেত্রে সকলের সম্পদ একত্রিত করে যাকাত বের করতে হবে কি?
প্রশ্ন (৩৫/১৯৫) : সমকামিতা কোন পর্যায়ভুক্ত পাপ? এর শাস্তি কি যেনার শাস্তির অনুরূপ? - -আব্দুল হালীমবীরগঞ্জ, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (২৯/২৯): কেউ দো‘আ চাইলে কী বলতে হবে?
প্রশ্ন (২৯/৪২৯) : আমি ওমরাহতে যেতে চাই। আমার ফ্লাইটের তারিখ ও সময় নির্ধারিত। কিন্তু ঐ তারিখেই আমার হায়েয শুরু হয়ে যাবে। আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৯/৩৩৯) : ফার্মেসীতে পিল সহ জন্মনিয়ন্ত্রণের নানাবিধ মাধ্যম বিক্রয় করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩৬/৭৬): অমুসলিমদের বানানো মিষ্টি, মুড়ি ইত্যাদি খাওয়া বা তা দিয়ে ইফতার করা যাবে কি? এছাড়া তাদের রান্না খেতে শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (১০/৪৫০) : ভারতে সম্প্রতি জনৈক মুসলিম ব্যক্তিকে জোরপূর্বক জয় শ্রীরাম বলিয়ে নেয়া হয়েছে। উক্ত ব্যক্তি যদি তওবার সুযোগ না পায় তবে কি সে মুশরিক হিসাবে মৃত্যুবরণ করেছে? - -মুহায়মিনুল হক, শ্যামলী, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৫/৪২৫) : আমাদের মসজিদে খুৎবায় তেমন কোন উপকারী আলোচনা হয় না। সেক্ষেত্রে বাসায় মোবাইলে যোগ্য আলেমদের খুৎবা শুনে ছালাত শুরু হওয়ার আগে গিয়ে জুম‘আ আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২/২৪২) : আমি তুরস্কের ইমাম হাতিব উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। আমি ও আমার সহপাঠীরা সুন্নাহর অনুসরণে দাড়ি রাখলেও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমাদের দাড়ি নিয়ে প্রতিনিয়ত হেনস্থা করেন। এমনকি দাড়ি না কাটলে ক্লাসে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়। এমতাবস্থায়, পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার স্বার্থে এবং শিক্ষকের প্রবল চাপে বাধ্য হয়ে আমাদের দাড়ি কাটতে হচ্ছে। দাড়ি কাটার আদেশদাতা হিসাবে প্রধান শিক্ষক গুনাহগার হবেন, না-কি ছাত্র এবং শিক্ষক উভয়ই এই পাপে অংশীদার হিসাবে গণ্য হবে? এক্ষেত্রে ছাত্র হিসাবে আমাদের করণীয় কি?
আরও
আরও
.