উত্তর : বিচার ব্যবস্থা দুই প্রকারের। ১. শারঈ বিচার ব্যবস্থা ২. দুনিয়াবী বিচার ব্যবস্থা। আর দুনিয়াবী বিচার ব্যবস্থা আবার দুইভাগে বিভক্ত। ১. শরী‘আত সম্মত। ২. শরী‘আত বিরোধী। এক্ষণে কোন মুসলিম দেশে যদি শরী‘আত বিরোধী আইন না থাকে, তাহ’লে তাতে চাকুরী করায় দোষ নেই। তবে এমন বিচার ব্যবস্থায় নিযুক্ত হ’লে সর্বক্ষেত্রে শারঈ বিধান প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রাখবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১/৭৯৩-৯৪; শায়খ মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম, তাহকীমুল কাওয়ানীন ৭ পৃ.)

প্রশ্নকারী : রাসিখ আওয়াব, রংপুর।








বিষয়সমূহ: বিবিধ
প্রশ্ন (১৪/৩৩৪) আল্লাহর বাণী ‘কেবল আলেমগণই আল্লাহকে ভয় করেন’। এখানে আলেম দ্বারা উদ্দেশ্য কি? বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (৭/৭) : হযরত ওমর (রাঃ) সম্পর্কে শোনা যায় তিনি রাতে প্রজাদের অবস্থা দেখার সময় জনৈক মাকে শুন্য হাড়ি চড়িয়ে ক্ষুধার্ত শিশুদের সান্ত্বনা দেওয়ার দৃশ্য দেখে স্বয়ং বায়তুল মাল থেকে পিঠে খাদ্যদ্রব্য বহন করে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করেছিলেন। এ ঘটনার কোন সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৫/২৮৫) : আমি একজন পালিত সন্তান। ১ মাস বয়সে আমার বর্তমান পিতা-মাতা আমাকে লালন-পালন করে আসছেন। আমার প্রকৃত বংশপরিচয় আমাদের কারও জানা নেই। বর্তমানে আমার জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং সনদসহ সকল দাফতরিক নথিতে তাদের নামই পিতা ও মাতা হিসাবে সংরক্ষিত আছে। এরূপ নিরূপায় অবস্থায় আমার পাপ হবে কি?
প্রশ্ন (১৫/৯৫) : জনৈক আলেম বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, পৃথিবীতে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে সিজদা দেওয়ার অনুমতি দিলে মাকে সিজদার অনুমতি দিতাম। উক্ত বক্তব্য সঠিক কি?
প্রশ্ন (২৬/৪৬৬) : আমি দেখতে শ্যামলা হওয়ায় আমার অনেক বিয়ে ভেঙে গেছে। এক্ষণে আমি রং ফর্সাকারী ক্রীম ব্যবহার করতে পারবো কি?
প্রশ্ন (২৩/৪৬৩) : অজ্ঞতাবশতঃ কেউ শিরকে রত থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহ তা‘আলা তার বিচার কিভাবে করবেন?
প্রশ্ন (৩৭/১৫৭) : মুসলিম নারীদের জন্য গঙ্গা নদীতে গোসল করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২১/১৮১) : অমুসলিমদের কবরস্থানে কোন মুসলমানকে কবরস্থ করায় শারঈ কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৫/১১৫) : তোমরা আল্লাহর রংয়ে রঞ্জিত হও বা আল্লাহর চরিত্রে চরিত্রবান হও’ মর্মে বর্ণনাটির সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২৮/২৬৮) : জন্মের ১ দিন পর সন্তান মারা গেলে সপ্তম দিনে তার আক্বীক্বা দিতে হবে কি? - -হিযবুল্লাহ, বালিয়াপুকুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩/২০৩) : জনৈক খত্বীব বলেছেন, ফরয ছালাতের জন্য ‘আল্লাহুম্মা বা‘ইদ বায়নী’ এবং নফল ছালাতের জন্য ‘সুবহা-নাকা আল্লাহুম্মা...’ ছানা পড়তে হবে। তিনি আরো বলেন, ফরয ছালাতের ছানা নফল ছালাতে এবং নফলের ছানা ফরয ছালাতে পড়া যাবে না। উক্ত বক্তব্যের সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৬/৮৬) : ‘পানির অপর নাম জীবন’- কথাটি কি কুরআন-হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত?
আরও
আরও
.