উত্তর : বিবরণ অনুযায়ী মৃত ব্যক্তি ১ কন্যা, ২ ভাতিজা এবং ৬ ভাতিজী রেখে গেছেন। তার সম্পদের ওয়ারিছ কেবলমাত্র তার কন্যা। সে পিতার সম্পত্তির অর্ধাংশ পাবে। আর ২ ভাতিজা আছাবা হিসাবে বাকী অর্ধাংশ পাবে। কিন্তু ভাতিজীগণ ভাইদের সাথে ‘আছাবা’ হ’তে না পারায় তারা অংশ পাবে না। ইবনু আববাস (রাঃ) হ’তে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘তোমরা মৃতের পরিত্যক্ত সম্পত্তির নির্ধারিত অংশসমূহ হকদারগণকে পৌঁছে দাও। অতঃপর যা বেঁচে যাবে, সেগুলি (আছাবা সূত্রে) নিকটতম পুরুষ উত্তরাধিকারীদের দাও’ (বুখারী, মুসলিম; মিশকাত হা/৩০৪২, ‘ফারায়েয ও অছিয়তসমূহ’ অধ্যায়)







প্রশ্ন (৩৮/৩৮) : পায়খানার দ্বার দিয়ে কৃমি বের হ’লে ওযূ নষ্ট হবে কি?
প্রশ্ন (৩৪/৩৫৪) স্ত্রী থাকা অবস্থায় তার বোনের মেয়েকে বিবাহ করা শরী‘আতসম্মত হবে কি?
প্রশ্ন (৩৬/১১৬) : একজন হিন্দু মেয়ে আমার সাথে বিয়ে করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে চায়। সে এখন বাংলাদেশের একটি প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে ধর্ম পরিবর্তন করতে হ’লে অনেক নিয়ম-পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে যা এখন কষ্টসাধ্য এবং প্রায় অসম্ভব। তবে আমরা দু’জনে আল্লাহর রহমতে নিজেদের ব্যয়ভার মেটানোর মত সামর্থ্য অর্জন করলেই বিষয়টা সবাইকে জানিয়ে দিব। এমতাস্থায় যদি কোন আলেমের কাছে গিয়ে ধর্মপরিবর্তন করে স্বাক্ষীসহ বিয়ে করি তাহ’লে জায়েয হবে কি? অথবা ইসলামিক নিয়মানুযায়ী কিভাবে বিয়ে করতে পারি বা কোন উপায় আছে কি যেখানে তার আত্মীয়-স্বজনকে না জানিয়ে বিয়ে করা যাবে?
প্রশ্ন (৪০/৪৮০) : নীরবে ক্বিরাআত পড়া হয় এমন ছালাতে কেউ যদি ভুলক্রমে সরবে ক্বিরাআত পড়ে তাহ’লে তার জন্য সহো সিজদা দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (১৩/৪১৩) : মেয়ে পিতার অবাধ্য হয়ে বাড়ী ত্যাগ করে আসার পর মেয়ের মা অলী হয়ে আমার সাথে বিবাহ দেয় এবং আমরা একসাথে বসবাস করতে থাকি। পরবর্তীতে আমি মেয়ের পিতার অনুমতির জন্য বারবার ফোন দেই। কিন্তু তিনি রিসিভ করেন না। এক্ষণে বিবাহ বৈধ করার জন্য আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (২৪/৪২৪) : পাত্র-পাত্রী ছাত্র অবস্থায় বিবাহ করতে চায় এই শর্তে যে, ছেলে চাকুরী হওয়ার আগ পর্যন্ত ছেলের পিতা ছেলের খরচ বহন করবে এবং মেয়ের পিতা মেয়ের সব খরচ বহন করবে। এমন শর্তে বিয়ে করা বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (১৯/১৯) : আমি একটি ব্যাংকের মালিকানাধীন হাসপাতালে নার্স হিসাবে চাকরী করি। আমার বেতন প্রতিষ্ঠান থেকেই নির্বাহ করা হয়। এক্ষণে আমার চাকরী হালাল হবে কি?
প্রশ্ন (১১/১৭১) : একটি ছাগল আমাদের জানা মতে কুকুরের দুধ খেয়ে বড় হয়েছে। এক্ষণে সেটি দিয়ে কুরবানী বা আক্বীক্বা করা যাবে কি? - -দীদার বখ্শ, মোহনপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৫/২২৫) : সপ্তম দিনে আক্বীক্বা করে নাম রাখা হয়েছে। নামের বিকৃতি থেকে রক্ষা পেতে নাম পরিবর্তন করলে পুনরায় আক্বীক্বা দেওয়া লাগবে কী?
প্রশ্ন (১৪/১৭৪) : রাসূল (ছাঃ) মি‘রাজে কতকাল ছিলেন? কেউ কেউ বলেন, তিনি ২৭ বছর ছিলেন। এ সময় দুনিয়ার সবকিছু স্থির করে দেয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে দলীলসহ জবাব দিলে উপকৃত হব। - -মুহাম্মাদ যিল্লুর রহমান, যশোর।
প্রশ্ন (১৭/৪১৭) : পবিত্র কুরআনে স্বামী ও স্ত্রীকে পরস্পরের পোষাক বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এর ব্যাখ্যা কি?
প্রশ্নঃ (৯/৮৯): নৈক ব্যক্তি এবার সস্ত্রীক হজ্জে যাচ্ছেন। তাঁর সংগৃহীত টাকার প্রায় অর্ধেক নিম্ন বর্ণিত টাকা। যেমন বাইশ বছর আগে এক ব্যক্তি তাঁর নিকটে ১৬ শতাংশ আবাদী জমি বিক্রি করে। দাতা-গ্রহীতা উভয়েই শিক্ষিত হওয়া সত্ত্বেও ভুলক্রমে আবাদী জমির দাগ নং দলীলে লিখিত না হয়ে বাস্ত্ত ভিটা লিখিত হয়। এক্ষণে জমি খারিজ করতে গেলে ভুল ধরা পড়ে। আবাদী জমির মূল্য এক লাখ টাকাও হবে না। বিক্রেতা মারা গেছে। তার ছেলে মেয়েরা দলীল সংশোধন করে দিতে রাযী। কিন্তু ক্রেতা বাড়ীর জমি দখলে নিতে চায়। ফলে দাতার ওয়ারিছরা এক লাখ টাকার বিনিময়ে হাজীর নিকট থেকে বাস্ত্ত ভিটা ফিরিয়ে নিতে চায়। তাতে রাজী না হ’লে এক লাখ আশি হাযার টাকা দিয়ে হাজীর কাছ থেকে বাড়ী ভিটা দলীল করে নেয়। প্রশ্ন হচ্ছে, এভাবে সংগৃহীত টাকা দ্বারা কৃত হজ কবুল হবে কি?
আরও
আরও
.