উত্তর : জামা‘আতের সাথে ছালাত পড়বেন এবং সাধ্যমত ছহীহ সুন্নাহ মোতাবেক ছালাত আদায় করবেন। কারণ জামা‘আতে ছালাত আদায়ে সাতাশ গুণ বেশী ছওয়াব পাওয়া যায়’ (বুঃ মুঃ মিশকাত হা/১০৫২)। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা সাধ্যমত আল্লাহকে ভয় কর’ (তাগাবুন ৬৪/১৬)। যদি তারা বাধা দেয়, সেজন্য তারাই পাপী হবে। আর ধৈর্য ধারণ করলে আপনার নেকী বৃদ্ধি পাবে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর সাহায্য কামনা কর ধৈর্য ও ছালাতের মাধ্যমে। আর তা অবশ্যই কঠিন কাজ, তবে বিনীত বান্দাগণ ব্যতীত’ (বাক্বারাহ ২/৪৫)






প্রশ্ন (২৬/২৬) : মসজিদের দেওয়ালের কোন অংশে মুছল্লীদের স্মরণ করানোর উদ্দেশ্যে কালেমায়ে ত্বাইয়েবা, শাহাদত বা অন্য কিছু আরবীতে লেখা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৩/৫৩) : ঈদের ছালাতের পর মুছল্লীরা ইমামের সাথে মুছাফাহা করে ও ইমামকে টাকা দেয়। উক্ত টাকা ইমাম গ্রহণ করতে পারেন কি? ঈদের ছালাতের জন্য ইমামকে পাথেয় বা সম্মানী দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২৬/৬৬) : সন্তানের অসুস্থতার কারণে আমি মানত করেছিলাম যে, যেদিন আমি হাসপাতাল থেকে সন্তানকে বাসায় নিয়ে যাব, তার পরদিন থেকে আমি একমাস ছিয়াম পালন করব। এক্ষণে এ ব্যাপারে করণীয় কি? এটা কি ভেঙ্গে ভেঙ্গে করতে পারব না লাগাতার এক মাস পালন করতে হবে?
প্রশ্ন (৩৩/৪৭৩) : ছহীহ মুসলিম ও মুসনাদে আহমদের হাদীছে বুঝা যায় কদরের রাত্রি হবে ২৭ রামাযান (মুসলিম হা/২৮০৪; মিশকাত হা/২০৮৮)। সে অনুযায়ী আমাদের দেশে উক্ত রাত্রিতে কদর তালাশ করা হয়। অনেকে এর বিরুদ্ধে বলেন। এর সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৯/৯৯) : রাসূল (ছাঃ)-এর বাণী ‘তুমি (কুরবানীর দিনে) তোমার চুল ও নখ কাটবে, তোমার গোঁফ খাট করবে এবং নাভীর নীচের লোম ছাফ করবে। এটাই তোমার জন্য আল্লাহর নিকট পূর্ণ কুরবানী হিসাবে গৃহীত হবে’। অত্র হাদীছটির ব্যাপারে শু‘আইব আরনাউত্ব সনদ হাসান এবং আলবানী সনদ যঈফ বলেছেন। উপরোক্ত মতামতগুলির মধ্যে কোনটি অগ্রাধিকারযোগ্য হিসাবে বিবেচিত হবে? - -রফীকুল ইসলাম, পাঁচরুখী, নারায়ণগঞ্জ।
প্রশ্ন (৪/৪৪) : কুরআন মাজীদ পাঠ করার পূর্বে বিশেষ কোন দো‘আ, আমল বা অন্য কোন করণীয় আছে কি? এসময় নিয়মিতভাবে দরূদে ইব্রাহীমী পাঠ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১/২৮১) : জনৈক লেখক বলেন যে, বাঁশির শব্দে ইবনু ওমর (রাঃ) কানে আঙ্গুল দেয়াতে গান হারাম হয়েছে তা বলা যায় না (সৌভাগ্যের পরশমণি)। আবার রাসূল (ছাঃ) নিজে কানে আঙ্গুল দিয়েছিলেন কিন্তু ইবনু ওমর (রাঃ)-কে তা করতে বলেননি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও খলীফাদের যুগে বাদ্যযন্ত্র ও গান নিষেধ ছিল না; বরং তা উপভোগ করা হত (তাবারী)। তিনি আরো বলেন, কুরআনে এমন কোন আয়াত নেই যা গানকে হারাম করে। তাই ইবনে হাজার, ইবনু খাল্লিকান, জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী, গাযালী প্রমুখ বিদ্বানদের মতে বাদ্যযন্ত্রসহ গান শোনা বৈধ। যদি তা সৎ উদ্দেশ্যে এবং কল্যাণকর কথা হয়। উক্ত দাবীগুলো কি সত্য? সৌভাগ্যের পরশমণি’ এবং ‘এহইয়াউ উলূমিদ্দীন’ বইগুলো কি গ্রহণযোগ্য?
প্রশ্ন (২৬/২৬) : মসজিদে মহিলাদের ছালাতের জন্য পৃথক রুম করা আছে। এখন অনেক সময় গরমের কারণে মুছল্লীরা বারান্দায় ছালাত আদায় করলে মহিলারা তাদের সামনে পড়ে যায়। এ ছালাত শুদ্ধ হবে কি?
প্রশ্ন (৩০/১৯০) : মসজিদে মহিলারা যেন জুম‘আর খুৎবা দেখতে পায় সেজন্য মনিটর বা প্রজেক্টর ব্যবহার করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১০/৩৩০) : নফল ছালাতে কুরআন দেখে পাঠ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩০/৪৩০) : আমার কেবল দুই মেয়ে। আমি আমার সমস্ত সম্পদ তাদের নামে লিখে দিয়েছি। এরূপ করা সঠিক হয়েছে কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, এরুলিয়া, বগুড়া।
প্রশ্ন (২০/১৮০) : পিতা-মাতাকে তুই বা তুমি বলে ডাকা যাবে কি?
আরও
আরও
.