উত্তর : কেবল ফুলহাতা কামীজ ও মাথায় স্কার্ফ দেওয়ার মাধ্যমে পরিপূর্ণ পর্দা হয় না। বরং এতে শরীরের গড়ন প্রকাশ পায়। অতএব ঢিলাঢালা বোরক্বা পরে মাথায় বড় স্কার্ফ দিয়ে চলাফেরা করাই কর্তব্য (বুখারী হা/৪৭৫৮, ফাৎহুল বারী ৮/৪৯০)। 






প্রশ্নঃ (১০/৫০) : জনৈক আলেম বলেন, মুতার যুদ্ধে আবূবকর (রাঃ) তাঁর সমস্ত সম্পদ দান করার কারণে তার স্ত্রী খেজুর পাতার পোষাক পরেছিলেন। তার সম্মানে আসমান যমীনের সমস্ত ফেরেশতা খেজুর পাতার পোষাক পরেছিলেন। উক্ত ঘটনা কি সত্য?
প্রশ্ন (১৭/৩৭৭) : একাধিক পোষাকের ব্যাপারে শরী‘আতের নির্দেশনা কি? যেমন একেক দিন একেক বোরক্বা পরিধান করা যাবে কি? এটা কি অপচয়ের মধ্যে গণ্য হবে?
প্রশ্ন (৩২/৭২) : জুম‘আর দিন মাথায় পাগড়ী বাঁধা কি সুন্নাত?
প্রশ্ন (১/৪১) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর তাহাজ্জুদ ছালাতের রাক‘আত সংখ্যা ও দীর্ঘতা সম্পর্কে জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩/২৮৩) : নযর লাগা কি সত্য? এর প্রতিকার কিভাবে সম্ভব? জনৈক লেখক ‘ইসলামী আক্বীদা ও ভ্রান্ত মতবাদ’ নামক বইয়ে লিখেছেন, নযর লাগার আশঙ্কা হলে মুখ-হাত ধুয়ে ফেলবে অর্থাৎ গোসল করবে। রেফারেন্স হিসাবে তিনি ছহীহ বুখারী ও মুসলিম উল্লেখ করেছেন। বিষয়টা কি ঠিক?
প্রশ্ন (২৮/৬৮) : রাসূল (ছাঃ) স্বীয় জীবদ্দশায় কতবার হজ্জ এবং ওমরাহ পালন করেছিলেন?
প্রশ্ন (১/৮১) : আমি ইরাক প্রবাসী। আশূরা উপলক্ষে শী‘আরা বিশেষ খাবার রান্না করে এবং বলে যে, এই খাবার আল্লাহর জন্য, কিন্তু এর ছওয়াব হুসাইন (রাঃ)-এর জন্য। আমি যদি তা না খাই তবে অনেক সমস্যায় পতিত হ’তে হবে। এক্ষণে সেটা খাওয়া কি জায়েয হবে? - -আযীয, বছরা, ইরাক।
প্রশ্ন (১৮/১৭৮) : একই পরিবারের মধ্যে একে-অপরের নানা কর্মকান্ড নিয়ে সংশোধনের নিয়তে পিছনে নিন্দা করলে, তা গীবতের শামিল হবে কি? এর জন্য গোনাহগার হ’তে হবে কি?
প্রশ্ন (৮/৮) : কোন কারণে দাঁত ক্ষতিগ্রস্ত হ’লে দাঁতে ক্যাপ পরানো যাবে কি? এটা সৃষ্টির পরিবর্তন হিসাবে গণ্য হবে কি?
প্রশ্ন (১/১২১) : সম্প্রতি একজন বাউল মতবাদের অনুসারী প্রশ্ন তুলেছেন যে, আল্লাহ সর্বপ্রথম ইশক, নূর, আরশ, রূহ এই চারটি বস্ত্ত সৃষ্টি করেছেন। এছাড়াও একটি হাদীছে এসেছে, আল্লাহ প্রথম কলম এবং অন্য হাদীছে এসেছে আরশ সৃষ্টি করেছেন। এ বিষয়ে সঠিক ব্যাখ্যা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩২/২৭২) : মৃত ব্যক্তি মা, স্ত্রী ও দুই ভাই রেখে মারা যায়। এক্ষণে সম্পত্তির অংশ কে কত ভাগ পাবে? - -রুবাইয়াত রায়হান, কাজলা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১২/৩৭২) : একদিন ফাতেমা (রাঃ) কুরআন পাঠরত অবস্থায় পুরুষদের ৪টি বিবাহের অনুমতি সম্পর্কিত আয়াতটি সামনে আসলে তিনি তৎক্ষণাৎ নিচু কণ্ঠে কুরআন পড়তে থাকেন, যেন আলী (রাঃ) শুনতে না পান। এসময় আলী (রাঃ) মুচকি হেসে বললেন তুমি একাই চার জনের সমান। ঘটনাটির সত্যতা আছে কি?
আরও
আরও
.