উত্তর : মা‘রেফতী আক্বীদা বলতে শরী‘আতে ভিন্ন কোন আক্বীদা নেই। যারা ইসলামকে শরী‘আত, মা‘রেফত, তরীকত, হাকীকত ইত্যাদি বলে ভাগ করেছে তারা মনগড়া দ্বীনের তাবেদারী করে। অথচ আল্লাহর নিকট মনোনীত দ্বীন শুধু ইসলাম (আলে ইমরান ১৯)।  মাযার ও কবরপূজা বড় শিরকের অন্তর্ভুক্ত। আর যারা শিরক করে তাদের উপর আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতকে হারাম করেছেন। তাদের ঠিকানা হবে জাহান্নাম (মায়েদাহ ৭২)। ইচ্ছা করে ছালাত ত্যাগ করা কুফরী কাজ (মুসলিম হা/১৩৪)। আর যারা ছালাত ছিয়ামের ধার ধারে না তারা ইসলাম থেকে দূরে। তাদের জানাযায় শরীক হওয়ার প্রশ্নই আসে না। আল্লাহ তা‘আলা এরশাদ করেন, যারা কুফরী অবস্থায় মারা যাবে আপনি তাদের জানাযা পড়াবেন না (তওবা ৮৪)।






প্রশ্ন (২২/২২) : ছালাত অবস্থায় চোখ দিয়ে অনবরত পানি পড়ে। এতে ছালাতের কোন ক্ষতি হবে কি?
প্রশ্ন (১৬/১৬) : কুরবানীর পশুর চামড়া ছাদাক্বা করা কি আবশ্যিক? উক্ত চামড়া খাওয়া যাবে কি? - -এ.কে.এম শামসুর রহমান, বিরামপুর, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (১৫/৫৫) : কারো আচরণে খারাপ লাগলে বা বিরক্ত হ’লে মনে মনে গালি দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৮/৪১৮) : মৃত ব্যক্তি কবরে কতদিন শাস্তি ভোগ করবে? জনৈক খতীব বলেন, ক্বিয়ামত পর্যন্ত শাস্তি হতে থাকবে। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩৩/১৯৩) : কুরআন পড়ে অন্যের নামে বখশাতে পারে কি?
প্রশ্ন (৩৫/৩৫৫) : জনৈক বক্তা বলেন, কোন ব্যক্তি ছিয়াম পালন করতে সক্ষম না হ’লে তাকে ফিদইয়া দিতে হবে না। কারণ সূরা বাক্বারাহ ১৮৫ নং আয়াতটি রহিত হয়ে গেছে। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৬/১৬) : গোসল ফরয হওয়া অবস্থায় হালাল পশু যবেহ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২০/১০০) : আমাদের স্কুলের নিউট্রিশন ক্লাবে ছেলে মেয়ে উভয়ে একত্রে কাজ করতে হয়। শিক্ষিকাগণ জোরপূর্বক আমাদের বাধ্য করেন এতে অংশগ্রহণ করতে। এখানে ছেলেদের সাথে কথা বলতে হয়। পরামর্শ করতে হয়। তারা আমাদের দিকে তাকিয়ে কথা বলে। বাধ্যগতভাবে একত্রে কাজ করার জন্য গুনাহগার হ’তে হবে কি?
প্রশ্ন (৩২/৪৩২) : পুরাতন মসজিদ ভেঙ্গে বহুতল ভবন তৈরী করে সেখানে মসজিদ, বইয়ের মার্কেট, গাড়ির গ্যারেজ, গবেষণাগার, মাদ্রাসা ইত্যাদি করতে চাই। এটা শরী‘আত সম্মত হবে কি?
প্রশ্ন (৩/২৮৩) : জনৈক আলেম বলেন, বুখারীতে জোরে আমীন বলার কোন হাদীছ নেই। বক্তব্যটি কতটুকু সঠিক? - -ছফিউল্লাহ, গুরুদাসপুর, নাটোর।
প্রশ্ন (৫/২০৫) : শিশুরা বিভিন্ন বিপদাপদে পতিত হ’লে যেমন উঁচু স্থান থেকে পড়ে গেলে ফেরেশতারা তাদের রক্ষা করে- এ কথার কোন সত্যতা আছে কি? - -আমীনুল ইসলাম, কামরাঙ্গীর চর, ঢাকা।
প্রশ্ন (৫/৩২৫) : মাসিক আত-তাহরীক অক্টোবর’০৬ সংখ্যায় বলা হয়েছে যুল কিফল বনী ইসরাঈলের একজন সৎকর্মশীল ব্যক্তি ছিলেন। ‘পবিত্র কুরআনে বর্ণিত ২৫জন নবীর কাহিনী’তে বলা হচ্ছে তিনি একজন নবী ছিলেন। কোনটি সঠিক? দলীল ভিত্তিক জবাব দানে বাধিত করবেন।
আরও
আরও
.