উত্তর : পুরুষের সতর হচ্ছে নাভী হ’তে হাঁটুর নীচ পর্যন্ত (ছহীহ জামে‘উছ ছাগীর হা/৫৫৮৩; ইরওয়াউল গালীল হা/২৭১)। তাই নাভী ও হাঁটু সতরের অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং নাভীর নিচ থেকে হাঁটুর উপর সতর (আল-মুগনী ১/৪১৪; নববী, আল-মাজমূ‘ ৩/১৭৩)। এ অংশ সর্বদা ঢেকে রাখা ওয়াজিব। আর নাভীর নীচে কাপড় পরে অন্য কাপড় দ্বারা ঢেকে দিলেও তা সতর ঢাকা হিসাবেই গণ্য হবে।






প্রশ্ন (৩৩/২৩৩) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করবে না। যদিও তোমাকে হত্যা করা হয় বা জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। এক্ষণে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনারে ফুল দিতে না গেলে সরকারী চাকুরী চলে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এক্ষেত্রে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (২৮/১৮৮) : ইমাম রুকূ বা সিজদায় থাকা অবস্থায় মাসবূক সরাসরি রুকূ বা সিজদায় চলে যাবে, না প্রথমে তাকবীরে তাহরীমা বলে তারপর রুকূ বা সিজদায় যাবে?
প্রশ্ন (৯/৪৯) : কত হিজরী থেকে মুজাদ্দিদ আসা শুরু হয়েছে? এ পর্যন্ত কত জন মুজাদ্দিদ এসেছেন?
প্রশ্ন (২৪/২২৪) : ছহীহ হাদীছ জানার পর যারা বিদ‘আতী আমল করে থাকে তাদের পরিণতি কি হবে?
প্রশ্ন (২৯/১০৯) : বিবাহের খুৎবা বর নিজেই পড়তে পারবে কি? এছাড়া উকীল পিতার কোন স্থান শরী‘আতে আছে কি? - -ইনসান আলী, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (৫/১৬৫) : শুনেছি মানুষের রক্ত ভক্ষণ হারাম। কিন্তু আমার দাতে সমস্যা থাকায় মাঝে মাঝে রক্ত বের হয়ে খাবারের সাথে ভিতরে চলে যায়। এটা হারাম ভক্ষণের শামিল হবে কি? - -রাজীবুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা।
প্রশ্ন (১০/৯০) : মসজিদের ভিতরে প্রজেক্টর বা টিভির মাধ্যমে ইসলামী অনুষ্ঠান প্রদর্শন করায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (২১/২৬১) : জুম‘আর খুৎবার সময় সামনে উঁচু ডেস্ক থাকায় সেখানে হাত এবং নোট রেখে বক্তব্য দেওয়ায় লাঠি রাখা কঠিন হয়। এক্ষণে সামনে টেবিল থাকা সত্ত্বেও লাঠি হাতে থাকতে হবে কি?
প্রশ্ন (০৭/৪০৭) : মসজিদ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক এক বিঘা জমি নেওয়া হয়েছে পঞ্চাশ হাযার টাকার বিনিময়ে। যতদিন টাকা পরিশোধ না হবে ততদিন কর্তৃপক্ষ উক্ত জমি অন্যের কাছে লীজ দিয়ে লাভবান হচ্ছে। এরূপ লেনদেন কি বৈধ? - নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঘোড়াঘাট পূর্বপাড়া, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (১/২৮১) : জনৈক লেখক বলেন যে, বাঁশির শব্দে ইবনু ওমর (রাঃ) কানে আঙ্গুল দেয়াতে গান হারাম হয়েছে তা বলা যায় না (সৌভাগ্যের পরশমণি)। আবার রাসূল (ছাঃ) নিজে কানে আঙ্গুল দিয়েছিলেন কিন্তু ইবনু ওমর (রাঃ)-কে তা করতে বলেননি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও খলীফাদের যুগে বাদ্যযন্ত্র ও গান নিষেধ ছিল না; বরং তা উপভোগ করা হত (তাবারী)। তিনি আরো বলেন, কুরআনে এমন কোন আয়াত নেই যা গানকে হারাম করে। তাই ইবনে হাজার, ইবনু খাল্লিকান, জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী, গাযালী প্রমুখ বিদ্বানদের মতে বাদ্যযন্ত্রসহ গান শোনা বৈধ। যদি তা সৎ উদ্দেশ্যে এবং কল্যাণকর কথা হয়। উক্ত দাবীগুলো কি সত্য? সৌভাগ্যের পরশমণি’ এবং ‘এহইয়াউ উলূমিদ্দীন’ বইগুলো কি গ্রহণযোগ্য?
প্রশ্ন (০৬/৪০৬) : ছিয়াম অবস্থায় চোখে, কানে বা নাকে ড্রপ দেওয়া যাবে কি? - রুকসানা ইয়াসমীন, কুমিল্লা।
প্রশ্ন (৩২/৭২) : পিতা আমাকে সবসময় আমাদের মসজিদে জুম‘আর খুৎবা ও ছালাত আদায় করানোর জন্য জোর করেন। কিন্তু মসজিদে আমার চেয়ে জ্ঞানী ও বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিগণ উপস্থিত থাকায় আমি তা অপসন্দ করি। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
আরও
আরও
.