উত্তর : এটি যাকাত হিসাবে যথেষ্ট হবে না (অর্থাৎ ঋণ মাফ করলে যাকাত আদায় হবে না)। শায়খুল ইসলাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, এ ব্যাপারে কোন দ্বিমত নেই। এর কারণ কয়েকটি- প্রথমত যাকাত হ’ল গ্রহণ ও প্রদান উভয়ই। আল্লাহ বলেন, তাদের সম্পদ থেকে ছাদাক্বা গ্রহণ করো (তওবা ৯/১০৩)। অথচ এখানে (ঋণ মাফ করার ক্ষেত্রে) কোন গ্রহণ নেই। দ্বিতীয়ত এটি হচ্ছে উত্তম থেকে নিকৃষ্ট বের করে দেয়ার মতো। আল্লাহ বলেন, আর সেখান থেকে নিকৃষ্ট বস্ত্ত ব্যয় করার সংকল্প করো না, যা তোমরা নিজেরা গ্রহণ করো না চোখ বন্ধ করা ব্যতীত’ (বাক্বারাহ ২/২৬৭)। এর কারণ হ’ল ঋণকে নগদ সম্পদের যাকাত হিসাবে ধরা হচ্ছে; অথচ মানুষের দৃষ্টিতে ঋণ নগদ সম্পদের তুলনায় নিম্নমানের। যেন ভালো থেকে খারাপ বের করে দিচ্ছে। তাই এটি যথেষ্ট হবে না। তৃতীয়ত অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ কাজ তখনই করা হয়, যখন ঋণদাতা ঋণ ফেরত পাওয়ার আশা হারিয়ে ফেলে। ফলে এটি আসলে তার নিজের সম্পদকে বাঁচানো এবং লাভবান হওয়া ছাড়া কিছু নয়। আর এমতাবস্থায় সে এক হাযার রিয়াল পরিশোধ করা থেকে বেঁচে গেল (ওছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ৬/২৩৬)।
প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক।