উত্তর : স্ত্রীর মোহর আর মায়ের স্বর্ণের যাকাত আদায় করা তাদের উপরই ফরয। স্বামী বা সন্তানের উপর নয়। তবে স্বামী বা সন্তান স্বেচছায় তাদের যাকাত আদায় করতে পারে। আর স্ত্রী এবং কন্যার সম্পদ পৃথক হ’লে এবং নিছাব পরিমাণ হ’লে তারা পৃথকভাবেই যাকাত দিবে। একত্রিত করে যাকাত দেওয়ার কোন বিধান শরী‘আতে নেই (আবুদাউদ ১৫৭৩, ৭৪, ৭৯, ৮০; মিশকাত হা/১৭৯৯)। তবে স্ত্রী, কন্যা ও নিজের সম্পদ যদি একত্রিত থাকে তাহ’লে এক সঙ্গে মিলিয়ে যাকাত দিবে।






প্রশ্ন (২৫/৩৪৫) : জুম‘আর খুৎবা চলাকালীন কোন কিছু খাওয়া বা পান করা যাবে কী? - -মুবারক হোসাইন, ইশ্বরদী, পাবনা।
প্রশ্ন (৩০/২৩০) : সাক্ষাতের সময় সালাম-মুছাফাহার সাথে সাথে কোলাকুলি করা, চুমু খাওয়া ইত্যাদি শরী‘আতসম্মত কি? - -এমদাদ, ছয়ঘরিয়া, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (১২/৫২) : রাসূল (ছাঃ) কি একদিন তাহাজ্জুদের পুরো ছালাতে সূরা মায়েদার ১১৮ নং আয়াতটি বার বার তেলাওয়াত করেছিলেন?
প্রশ্ন (২২/১০২) : জনৈক আলেম বলেন, ফজরের সুন্নাত পরে পড়া যাবে না বরং সূর্য উঠার পরে পড়তে হবে। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (২৩/৩৮৩) : অনেক আলেম বলে থাকেন, সরাসরি কুরআন হাদীছ অনুযায়ী বর্তমানে আমল করা যাবে না। কারণ কুরআন হাদীছ বুঝার বিষয় আছে। তাই চার ইমামের যেকোন একজনের অনুসরণ করতে হবে।
প্রশ্ন (২১/৩৮১) : তারজী‘ আযান দেওয়ার পদ্ধতি কি? তারজী‘ সহ আযান দেওয়া উত্তম না তারজী‘ বিহীন উত্তম?
প্রশ্ন (২৩/১৪৩) : তায়েফ সফরকালে রাসূল (ছাঃ) নির্যাতিত হওয়ার পর একটি আঙ্গুর বাগানে বসে যে দো‘আটি করেছিলেন, তা ছহীহ কি?
প্রশ্ন (১৭/১৩৭) : একটি বর্ণনায় এসেছে যে, বনু আদমের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আল্লাহর কাছে তার সন্তান বৃদ্ধির জন্য দরখাস্ত করলে আল্লাহ ইবলীসের আবেদন মঞ্জুর করে বলেন, প্রতি একজন বনু আদমের বিপরীতে তোমার সন্তান জন্ম হবে ১০ জন করে। বর্ণনাটি ছহীহ কি?
প্রশ্ন (১/২৮১) : নারীদের টাখনুর উপরে কাপড় পরতে হবে কি? - -মুহাম্মাদ সুরুজ, সুজানগর, পাবনা।
প্রশ্ন (৫/৫) : রাসূল (ছাঃ) হজ্জের সময় আরাফা ও মুযদালিফায় খোলা আসমানের নীচে হজ্জ পালন করেছেন, যদিও সেসময় ছাউনি বা ঘর বানানোর ব্যবস্থা ছিল। বর্তমানে সেখানে ঘর, এসি, ফ্যান ইত্যাদি আরামের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে হজ্জের কোন ক্ষতি হবে কি? - -মুহাম্মাদ গুলযার হোসাইনকাঞ্চন, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।
প্রশ্ন (২৫/৪৬৫) : বিবাহের ঘটকালী করে মজুরী নেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২১/৩৪১) : আমি একজন উচ্চ শিক্ষিতা মেয়ে। আমি পিতা-মাতাকে না জানিয়ে বিয়ে করেছি। বিয়েতে কোন ওয়ালী ছিল না। ১ জন ছেলে ও ১ জন মেয়ে সাক্ষী হিসাবে ছিল। দেনমোহর ১ লক্ষ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। আমার পরিবার আমার বিয়ে মেনে নেয়নি। ‘তারা আমাকে ডিভোর্স লেটারে সাইন করিয়েছে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে। আমার স্বামী ধার্মিক এবং গোপনে বিয়ের জন্য আমরা খুবই লজ্জিত ও আল্লাহর কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। ইতিমধ্যে ২টা ডিভোর্স লেটার পাঠানো হয়েছে। জুন মাসে শেষ পত্রটি যাবে। এক্ষণে স্বামীর কাছে প্রত্যাবর্তনের জন্য আমার করণীয় কি?
আরও
আরও
.